নারায়ণগঞ্জ ১২:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

কাকও ময়ূর হতে চায়

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ জুন ২০২১
  • ৮৭ বার পড়া হয়েছে

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি :নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন যথাসময়ে হবে কিনা তা নিশ্চিত নয়। নির্বাচন নিয়ে কারো ভাবনাও নেই। অথচ মেয়র পদে নির্বাচন করার ঘোষনা দিলেন কামরুল ইসলাম বাবু নামে এক ব্যবসায়ী। গতকাল বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ প্রেস কাবে সাংবাদিক সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিক ভাবে এঘোষনা দেন এই মৌসুমী প্রার্থী।
লিখিত বক্তব্যে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী বলেন, আওয়ামীলীগের দলীয় প্রতীক ও সমর্থন পাওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে আসন্ন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে যদি দলীয় সমর্থন নাও পাই, তবু এই সিদ্ধান্তে আটল থেকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবনা। বর্তমান মেয়র ড. সেলিনা হায়াৎ আইভী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সিটি এলাকার উন্নয়ন করতে পারেননি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শহরের উকিলপাড়া এলাকার মো: মনিরুল ইসলামের ছেলে কামরুল ইসলাম বাবু। তিনি থাকেন ঢাকায়। ব্যক্তিগত ভাবে যেমন এলাকায় তার পরিচিতি নেই তেমনি দলীয় ভাবেই নেই কোন পদপদবী। জনবিচ্ছিন্ন এমন ব্যক্তি মেয়র নির্বাচনের ঘোষনা দেয়ায় শহরে সৃষ্টি হয়েছে কৌতুহল। মৌসুমী প্রার্থী হিসেবেই মনে করছেন সিটিবাসী। কেহ বলছে কাকও ময়ূর হতে চায়। কেহ বলছে ব্রামন হয়ে চাঁদ ধরার স্বপ্ন দেখছেন বাবু।
দলীয় কোন পদপদবী না থাকা সত্ত্বেও কি করে দলীয় সমর্থন পাওয়ার আশা করেন গণমাধ্যম কর্মীদের এমন প্রশ্নের জবাবে বাবু বলেন, কেন্দ্রীয় অনেক সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে পরিচয় রয়েছে, তাই প্রত্যাশা করছি। সিটিবাসীর জন্য এমন কি করেছেন যে ভোটাররা আপনানে ভোট দিবে বলে মনে করছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি আমেরিকার প্রয়াত রাষ্ট্রপতি আব্রাহাম লিংকনের উদাহরণ দিয়ে বলেন, চেষ্টা করে দেখি ভোট পেতেও পারি।
সিটি নির্বাচনের কোন হাওয়া শুরু হওয়ার আগেই বাবুর নির্বাচন করার ঘোষনাকে কোন স্বার্থহাসিলের প্রয়াস মনে করছেন পর্যবেক্ষক মহল। ঢাল নেই তলোয়ার নেই নিধিরাম সর্দার এই বাবু মেয়র নির্বাচন করার ইচ্ছা পোষনের আড়ালে কোন রহস্য আছে এমন মতামত পেশ করেন রাজনৈতিক মহল।
স্থানীয় নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত মেয়াদ রয়েছে বর্তমান জনপ্রধিনিধিদের। সে অনুযায়ী নির্বাচনের বাকী আছে ছয় মাস। তবে করোনা মহামারির কারণে যথাসময়ে নির্বাচন হবে কিনা তা এখনো নিশ্চিত নয়।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

কাকও ময়ূর হতে চায়

আপডেট সময় : ১১:০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ জুন ২০২১

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি :নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন যথাসময়ে হবে কিনা তা নিশ্চিত নয়। নির্বাচন নিয়ে কারো ভাবনাও নেই। অথচ মেয়র পদে নির্বাচন করার ঘোষনা দিলেন কামরুল ইসলাম বাবু নামে এক ব্যবসায়ী। গতকাল বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ প্রেস কাবে সাংবাদিক সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিক ভাবে এঘোষনা দেন এই মৌসুমী প্রার্থী।
লিখিত বক্তব্যে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী বলেন, আওয়ামীলীগের দলীয় প্রতীক ও সমর্থন পাওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে আসন্ন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে যদি দলীয় সমর্থন নাও পাই, তবু এই সিদ্ধান্তে আটল থেকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবনা। বর্তমান মেয়র ড. সেলিনা হায়াৎ আইভী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সিটি এলাকার উন্নয়ন করতে পারেননি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শহরের উকিলপাড়া এলাকার মো: মনিরুল ইসলামের ছেলে কামরুল ইসলাম বাবু। তিনি থাকেন ঢাকায়। ব্যক্তিগত ভাবে যেমন এলাকায় তার পরিচিতি নেই তেমনি দলীয় ভাবেই নেই কোন পদপদবী। জনবিচ্ছিন্ন এমন ব্যক্তি মেয়র নির্বাচনের ঘোষনা দেয়ায় শহরে সৃষ্টি হয়েছে কৌতুহল। মৌসুমী প্রার্থী হিসেবেই মনে করছেন সিটিবাসী। কেহ বলছে কাকও ময়ূর হতে চায়। কেহ বলছে ব্রামন হয়ে চাঁদ ধরার স্বপ্ন দেখছেন বাবু।
দলীয় কোন পদপদবী না থাকা সত্ত্বেও কি করে দলীয় সমর্থন পাওয়ার আশা করেন গণমাধ্যম কর্মীদের এমন প্রশ্নের জবাবে বাবু বলেন, কেন্দ্রীয় অনেক সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে পরিচয় রয়েছে, তাই প্রত্যাশা করছি। সিটিবাসীর জন্য এমন কি করেছেন যে ভোটাররা আপনানে ভোট দিবে বলে মনে করছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি আমেরিকার প্রয়াত রাষ্ট্রপতি আব্রাহাম লিংকনের উদাহরণ দিয়ে বলেন, চেষ্টা করে দেখি ভোট পেতেও পারি।
সিটি নির্বাচনের কোন হাওয়া শুরু হওয়ার আগেই বাবুর নির্বাচন করার ঘোষনাকে কোন স্বার্থহাসিলের প্রয়াস মনে করছেন পর্যবেক্ষক মহল। ঢাল নেই তলোয়ার নেই নিধিরাম সর্দার এই বাবু মেয়র নির্বাচন করার ইচ্ছা পোষনের আড়ালে কোন রহস্য আছে এমন মতামত পেশ করেন রাজনৈতিক মহল।
স্থানীয় নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত মেয়াদ রয়েছে বর্তমান জনপ্রধিনিধিদের। সে অনুযায়ী নির্বাচনের বাকী আছে ছয় মাস। তবে করোনা মহামারির কারণে যথাসময়ে নির্বাচন হবে কিনা তা এখনো নিশ্চিত নয়।