নারায়ণগঞ্জ ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রচণ্ড রৌদ্রের প্রখরতায় পথচারী, শ্রমজীবী ও ট্রাফিকদের জন্য ডিসি ও এসপির মানবিক উদ্যোগ সর্ব মহলে প্রশংসিত শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ১৩৬ তম তিরোধান উৎসব উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত ব্রিফিং ইসলামী ব্যাংক ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর মানববন্ধন কাশিপুর কল্যাণী খালের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ সহ খাল পুনঃখনন শুরু, তৎপর সদর উপজেলা প্রশাসন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও বিক্রি: ফতুল্লার সুন্দরবন রেস্তোরাঁর মালিক গ্রেপ্তার ডেঙ্গু ও জলাবদ্ধতা রোধে নারায়ণগঞ্জে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ডিসি মো:রায়হান কবির সিদ্ধিরগঞ্জে ২ কোটি টাকা চাঁদার দাবিতে নির্মাণ সামগ্রী লুটের অভিযোগ যুবদল নেতার ২০ হাজার ছিন্নমূল মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ ঈদুল আজহায় নারায়ণগঞ্জবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী আহত সাংবাদিককে দেখতে আর্থিক সহায়তা নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের

মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে সোনারগাঁ থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছে তার কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪০:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ এপ্রিল ২০২১
  • ২৬৫ বার পড়া হয়েছে

সোনারগাঁও প্রতিনিধি : হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছে তার কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্না। ৩০ এপ্রিল শুক্রবার সকালে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ ধানায় প্রতারনা, নির্যাতন ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দির্ঘদিন ধরে ধর্ষণের অভিযোগ এনে তিনি এ মামলা দায়ের করেন।মামুনুল হক জান্নাতকে দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করলেও জান্নাত তার মামলার এজাহারে উল্লেখ করনে, বিয়ের প্রলোভন ও অসহায়েত্বের সুযোগ নিয়ে মামুনুল হক আমার সাথে সস্পর্ক করেছেন।

বিয়ের কথা বললেও তিনি করব করছি বলে কালক্ষেপন করছেন। ২০১৮ সাল থেকে ঘুরাগুরির কথা বলে মামুনুল হক আমাকে বিভিন্ন হোটেল ও রিসোর্টে নিয়ে যান। জান্নাত বলেন, ২০০৫ সাল তার স্বামী মাওলানা শহিদুল হকের মাধ্যমে মামুনুল হকের পরিচয় হয়। স্বামীর বন্ধু হওয়ার সুবাদে আমাদের বাড়িতে মামুনুলের অবাধ যাতায়ত ছিল। আমাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মতনৈক্যের মধ্যে প্রবেশ করে মামুনুল হক শহিদুল ও আমার মধ্যে দুরত্ব তৈরি করতে থাকেন। মামুনুলের কারনে আমাদের দাম্পত্য জীবন বিষিয়ে উঠে। সাংসারিক এই টানাপোড়নে মামুনুলের পরামর্শে আমাদের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়।

জান্নাত আরও জানান, বিচ্ছেদের পর মামুনুলের পরামর্শে আমি খুলনা থেকে ঢাকায় চলে আসি। মমুমুন তার বিভিন্ন অনুসারিদের বাসায় আমাকে রাখে এবং সেখানে নানাভাবে আমাকে প্রস্তাব দেন। এক পর্যায়ে পারিবারিক পারিপার্শিকতার কারনে আমি তার ফদে পা দেই। এর পর তিনি আমাকে উত্তর ধানমন্ডির সার্কুলার রোডে একটি সাবলেট দেন। তিনিই তার ভাড়া দিতেন।

এর আগে গত ৩ এপ্রিল রাতে হেফাজত ইসলমের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক সোনারগাঁয়ে একটি রিসোর্টে নারী সহ অবরুদ্ধ হন। তখন তিনি ঐ নারীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন মামুনুল হক। সোনারগাঁ থানার অফিসাস ইনচার্জ মোঃ হাফিজুল হক মামলা দায়েরের সত্যতা স্বীকার করে আমাদের কন্ঠকে জানান, শুক্রবার সকালে জান্নাত আরা বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রচণ্ড রৌদ্রের প্রখরতায় পথচারী, শ্রমজীবী ও ট্রাফিকদের জন্য ডিসি ও এসপির মানবিক উদ্যোগ সর্ব মহলে প্রশংসিত

মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে সোনারগাঁ থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছে তার কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত

আপডেট সময় : ০৮:৪০:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ এপ্রিল ২০২১

সোনারগাঁও প্রতিনিধি : হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছে তার কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্না। ৩০ এপ্রিল শুক্রবার সকালে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ ধানায় প্রতারনা, নির্যাতন ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দির্ঘদিন ধরে ধর্ষণের অভিযোগ এনে তিনি এ মামলা দায়ের করেন।মামুনুল হক জান্নাতকে দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করলেও জান্নাত তার মামলার এজাহারে উল্লেখ করনে, বিয়ের প্রলোভন ও অসহায়েত্বের সুযোগ নিয়ে মামুনুল হক আমার সাথে সস্পর্ক করেছেন।

বিয়ের কথা বললেও তিনি করব করছি বলে কালক্ষেপন করছেন। ২০১৮ সাল থেকে ঘুরাগুরির কথা বলে মামুনুল হক আমাকে বিভিন্ন হোটেল ও রিসোর্টে নিয়ে যান। জান্নাত বলেন, ২০০৫ সাল তার স্বামী মাওলানা শহিদুল হকের মাধ্যমে মামুনুল হকের পরিচয় হয়। স্বামীর বন্ধু হওয়ার সুবাদে আমাদের বাড়িতে মামুনুলের অবাধ যাতায়ত ছিল। আমাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মতনৈক্যের মধ্যে প্রবেশ করে মামুনুল হক শহিদুল ও আমার মধ্যে দুরত্ব তৈরি করতে থাকেন। মামুনুলের কারনে আমাদের দাম্পত্য জীবন বিষিয়ে উঠে। সাংসারিক এই টানাপোড়নে মামুনুলের পরামর্শে আমাদের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়।

জান্নাত আরও জানান, বিচ্ছেদের পর মামুনুলের পরামর্শে আমি খুলনা থেকে ঢাকায় চলে আসি। মমুমুন তার বিভিন্ন অনুসারিদের বাসায় আমাকে রাখে এবং সেখানে নানাভাবে আমাকে প্রস্তাব দেন। এক পর্যায়ে পারিবারিক পারিপার্শিকতার কারনে আমি তার ফদে পা দেই। এর পর তিনি আমাকে উত্তর ধানমন্ডির সার্কুলার রোডে একটি সাবলেট দেন। তিনিই তার ভাড়া দিতেন।

এর আগে গত ৩ এপ্রিল রাতে হেফাজত ইসলমের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক সোনারগাঁয়ে একটি রিসোর্টে নারী সহ অবরুদ্ধ হন। তখন তিনি ঐ নারীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন মামুনুল হক। সোনারগাঁ থানার অফিসাস ইনচার্জ মোঃ হাফিজুল হক মামলা দায়েরের সত্যতা স্বীকার করে আমাদের কন্ঠকে জানান, শুক্রবার সকালে জান্নাত আরা বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেছে।