নারায়ণগঞ্জ ০১:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নাসিকের ময়লার গাড়ির ধাক্কায় গর্ভবতীর পোশাক শ্রমিক নিহত সোনারগাঁয়ের ১টি হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১ নারায়ণগঞ্জে ৩টি উপজেলায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন যারা গুণী জনদের পদচারণায়  উদযাপিত  দৈনিক আজকের নীর বাংলা পত্রিকা’র ১৫ তম  বর্ষপূর্তি সিদ্ধিরগঞ্জে রাজউকের অভিযানে ক্ষুব্ধ ভবন মালিকরা রেকমত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের মজিবুর রহমান সভাপতির দায়িত্ব নিয়েই শিক্ষার মান উন্নয়নের তাগিদ অস্ত্রের লাইসেন্সের আবেদন না করেও অপপ্রচারের শিকার মহিউদ্দিন মোল্লা ! সাংবাদিক শাওনের বাবা ফিরোজ আহমেদ আর নেই রিয়াদে জমকালো আয়োজনে মাই টিভির ১৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন রিয়াদে প্রিমিয়াম ফুটবল লীগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

বহিস্কার হলেন শ্রমিকলীগ নেতা খান শাহীন : অপরাধ দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৫:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ এপ্রিল ২০২১
  • ২৪৪ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার : জাতীয় শ্রমিকলীগের নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ তারাবো আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক শাহ মোবারক হোসেন খান শাহীনকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, দলের বিরুদ্ধে আত্নঘাতী শৃঙ্খলা পরিপন্থী বক্তব্য প্রদানের সুনির্দিষ্ট অপরাধের প্রেক্ষিত তাকে বহিস্কার করা হয়েছে। বহিস্কার পত্র ইস্যু করার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব কে.এম.আযম খসরু।
কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব কে.এম.আযম খসরু স্বাক্ষরিত বহিস্কার পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, শাহ মোবারক হোসেন খান শাহীন সাধারণ সম্পাদক জাতীয় শ্রমিকলীগ তারাবো আঞ্চলিক কমিটি, আপনি দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন এবং দলের বিরুদ্ধে আত্নঘাতী , শৃঙ্খলা পরিপন্থী কিছু বক্তব্য তুলে ধরেছেন, যার দালিলিক প্রমাণ আমাদের হাতে সংরক্ষিত আছে। কাজেই আপনাকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের আপরাধে মূল দলের নির্দেশে সাময়িক বহিস্কার করা হলো। বহিস্কার পত্রটি ইস্যু করা হয়েছে গত ৬ এপ্রিল।
স্থানীয় দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি খান শাহীন তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটার্স দিয়ে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় তুলে। তার স্ট্যাটার্সটি নজরে আসার পর অনেকই বিরোপ মন্তব্য করেন। খান শাহীনের স্ট্যাটার্সটি তুলে ধরে একজন লিখেন,“তারাবো পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মনির খান সুমেলের বড় ভাই শ্রমিকলীগের খান শাহীন যখন আওয়ামীলীগ বিরোধী কথা বলে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে তখন কি এসব কারো চোখে পড়েনা। সে জামায়াত শিবিরের শেল্টার দাতা”।
খান শাহীনের স্ট্যাটার্সটি তুলে ধরা হলো, “নির্বিচারে কোমল মতি মাদ্রাসা ছাত্রদের গুলি করে হত্যা কারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই। আওয়ামীলীগার কখনও তাবেদার হতে পারেনা। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি চাই। এ দেশে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের যেমন অধিকার আছে, মাদ্রাসা ছাত্রদের তেমন অধিকার আছে। তাহলে বৈষম্য কেন ? কে কি ভাববেন জানিনা, আমার মনে হয়, আজ বঙ্গবন্ধু বেচে থাকলে আমাদের আওয়ামীলীগের কিছু কিছু নেতাকে ধরে লাঠি পেটা করতেন”।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, খান শাহীন নিজেই দলীয় প্রভাব খাটিয়ে নানা অপকর্ম করছে। যে তারাবো আঞ্চলিক শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক। তার ছোট ভাই মনির খান সুমেল তারাবো পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। তারা দুই ভাই গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছে। তাই তারা দাপটের সঙ্গে অপকর্ম করছে। দলীয় প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। পদ পাওয়ার পর বিএনপি জামায়াত সমর্থিত লোকদের কমিটিতে জায়গা করে দিয়েছে। আওয়ামীলীগের ব্যানারে থেকে বিএনপি জামায়াতের সঙ্গে আতাঁত করে সরকার বিরোধী কাজ করছে। নিজে দলের বদনাম করে সাধু সেজে দলের বিরুদ্ধেই ফেসবুকে স্ট্যাটার্স দিয়ে দেশে তান্ডব সৃষ্টিকারী হেফাজতে ইসলামকে সমর্থন করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে নেতাদের দাবি, কোথায় কখন কারা নির্বিচারে মাদ্রাসা ছাত্রদের গুলি করে হত্যা করেছে তার তথ্য প্রমাণ খান শাহীনের কাছ থেকে জানা। সঠিক প্রমাণ দিতে না পারলে তার বিরুদ্ধে দেশে ধাঙ্গা হাঙ্গামা সৃষ্টির উসকানি দেওয়ার অভিযোগে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহণ করা উচিৎ।
এ বিষয়ে জানতে খান শাহীনের মোবাইল নাম্বারে একাধিক বার ফোন করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

নাসিকের ময়লার গাড়ির ধাক্কায় গর্ভবতীর পোশাক শ্রমিক নিহত

বহিস্কার হলেন শ্রমিকলীগ নেতা খান শাহীন : অপরাধ দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ

আপডেট সময় : ০৯:০৫:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ এপ্রিল ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার : জাতীয় শ্রমিকলীগের নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ তারাবো আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক শাহ মোবারক হোসেন খান শাহীনকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, দলের বিরুদ্ধে আত্নঘাতী শৃঙ্খলা পরিপন্থী বক্তব্য প্রদানের সুনির্দিষ্ট অপরাধের প্রেক্ষিত তাকে বহিস্কার করা হয়েছে। বহিস্কার পত্র ইস্যু করার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব কে.এম.আযম খসরু।
কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব কে.এম.আযম খসরু স্বাক্ষরিত বহিস্কার পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, শাহ মোবারক হোসেন খান শাহীন সাধারণ সম্পাদক জাতীয় শ্রমিকলীগ তারাবো আঞ্চলিক কমিটি, আপনি দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন এবং দলের বিরুদ্ধে আত্নঘাতী , শৃঙ্খলা পরিপন্থী কিছু বক্তব্য তুলে ধরেছেন, যার দালিলিক প্রমাণ আমাদের হাতে সংরক্ষিত আছে। কাজেই আপনাকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের আপরাধে মূল দলের নির্দেশে সাময়িক বহিস্কার করা হলো। বহিস্কার পত্রটি ইস্যু করা হয়েছে গত ৬ এপ্রিল।
স্থানীয় দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি খান শাহীন তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটার্স দিয়ে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় তুলে। তার স্ট্যাটার্সটি নজরে আসার পর অনেকই বিরোপ মন্তব্য করেন। খান শাহীনের স্ট্যাটার্সটি তুলে ধরে একজন লিখেন,“তারাবো পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মনির খান সুমেলের বড় ভাই শ্রমিকলীগের খান শাহীন যখন আওয়ামীলীগ বিরোধী কথা বলে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে তখন কি এসব কারো চোখে পড়েনা। সে জামায়াত শিবিরের শেল্টার দাতা”।
খান শাহীনের স্ট্যাটার্সটি তুলে ধরা হলো, “নির্বিচারে কোমল মতি মাদ্রাসা ছাত্রদের গুলি করে হত্যা কারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই। আওয়ামীলীগার কখনও তাবেদার হতে পারেনা। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি চাই। এ দেশে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের যেমন অধিকার আছে, মাদ্রাসা ছাত্রদের তেমন অধিকার আছে। তাহলে বৈষম্য কেন ? কে কি ভাববেন জানিনা, আমার মনে হয়, আজ বঙ্গবন্ধু বেচে থাকলে আমাদের আওয়ামীলীগের কিছু কিছু নেতাকে ধরে লাঠি পেটা করতেন”।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, খান শাহীন নিজেই দলীয় প্রভাব খাটিয়ে নানা অপকর্ম করছে। যে তারাবো আঞ্চলিক শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক। তার ছোট ভাই মনির খান সুমেল তারাবো পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। তারা দুই ভাই গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছে। তাই তারা দাপটের সঙ্গে অপকর্ম করছে। দলীয় প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। পদ পাওয়ার পর বিএনপি জামায়াত সমর্থিত লোকদের কমিটিতে জায়গা করে দিয়েছে। আওয়ামীলীগের ব্যানারে থেকে বিএনপি জামায়াতের সঙ্গে আতাঁত করে সরকার বিরোধী কাজ করছে। নিজে দলের বদনাম করে সাধু সেজে দলের বিরুদ্ধেই ফেসবুকে স্ট্যাটার্স দিয়ে দেশে তান্ডব সৃষ্টিকারী হেফাজতে ইসলামকে সমর্থন করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে নেতাদের দাবি, কোথায় কখন কারা নির্বিচারে মাদ্রাসা ছাত্রদের গুলি করে হত্যা করেছে তার তথ্য প্রমাণ খান শাহীনের কাছ থেকে জানা। সঠিক প্রমাণ দিতে না পারলে তার বিরুদ্ধে দেশে ধাঙ্গা হাঙ্গামা সৃষ্টির উসকানি দেওয়ার অভিযোগে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহণ করা উচিৎ।
এ বিষয়ে জানতে খান শাহীনের মোবাইল নাম্বারে একাধিক বার ফোন করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।