নারায়ণগঞ্জ ১০:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদের শুভেচ্ছা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ,কালাপাহাড়িয়ায় জনতার মুখে মুখে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোবারক হোসাইন ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সালাউদ্দিন চৌধুরী অপপ্রচারের প্রতিবাদে ‎রূপগঞ্জে যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলন নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন পশুর হাট পরিদর্শনে ডিসি মো. রায়হান কবির সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো প্রতিটি মুমিনের দায়িত্ব- আবদুল জব্বার ঈদকে সামনে রেখে হাট-বাজার ও বসতবাড়ির নিরাপত্তায় থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী: ডিসি রায়হান কবির ইসলামী ব্যাংকের এমডিকে পুনর্বহাল ও এস আলমের দোসরদের বহিষ্কারের দাবিতে চিটাগাং রোডে মানববন্ধন নাসিক ৪ নং ওয়ার্ডের টাইগার মিলস মাঠের গরুর হাটের শুভ উদ্বোধন ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে পশু জবাই, চামড়া সংরক্ষণ ও বিনামূল্যে লবণ বিতরণ বিষয়ক সচেতনতা কার্যক্রম নারায়ণগঞ্জে ‘জলবায়ু সহিষ্ণু ক্যাম্পাস উদ্যোগ’: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আধুনিক স্বাস্থ্য উপকরণ বিতরণ

দেশব্যাপী ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু রবিবার

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন ২০২৩
  • ২১৪ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক : দেশব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু হবে আগামী রোববার (১৮ জুন)। এদিন ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) দুপুর ১২টায় রাজধানীর বনানীতে হোটেল শেরাটনে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক এ কথা জানান।

সংবাদ সম্মেলনে জাহিদ মালেক বলেন, রবিবার (১৮ জুন) সারা দিনব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদযাপন করা হবে। দেশে বর্তমানে অপুষ্টির হার কমেছে এবং শিশু ও মাতৃমৃত্যু উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী দেশে অপুষ্টিজনিত কারণে শিশুদের মধ্যে রাতকানা রোগের হার ৪ দশমিক ১০ শতাংশ ছিল, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে রাতকানা রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম গ্রহণ করে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু করে। পরবর্তীতে বর্তমান সরকার ২০১০ সাল থেকে নিয়মিতভাবে বছরে দুইবার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো অব্যাহত রাখার ফলে বর্তমানে ভিটামিন ‘এ’র অভাবজনিত রাতকানা রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা (০.০৪%) প্রায় নাই বললেই চলে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর মাধ্যমে শিশুর অন্ধত্ব প্রতিরোধ করে, দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করে, সব ধরনের মৃত্যুর হার ২৪ শতাংশ কমেছে। এছাড়াও হাম, ডায়রিয়া এবং নিউমোনিয়ার কারণে মৃত্যু উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। জোর করে বা কান্নারত অবস্থায় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না, ৬ মাসের কম, ৫ বছরের বেশি বয়সী এবং অসুস্থ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না।

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ পাস ক্যাম্পেইন চলাকালে যাতে কোন মহল নেতিবাচক প্রচারণার মাধ্যমে এ কার্যক্রমকে ব্যাহত করতে না পারে, সেজন্য সব কর্মী এবং সাংবাদিকদের জনগণের পাশে থেকে মিথ্যার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর আহ্বানও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মো খুরশিদ আলম, অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর, জাতিসংঘের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ডা. জার্দান জাং রানা প্রমুখ।

 

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদের শুভেচ্ছা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ,কালাপাহাড়িয়ায় জনতার মুখে মুখে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোবারক হোসাইন

দেশব্যাপী ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু রবিবার

আপডেট সময় : ০৩:৩৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক : দেশব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু হবে আগামী রোববার (১৮ জুন)। এদিন ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) দুপুর ১২টায় রাজধানীর বনানীতে হোটেল শেরাটনে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক এ কথা জানান।

সংবাদ সম্মেলনে জাহিদ মালেক বলেন, রবিবার (১৮ জুন) সারা দিনব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদযাপন করা হবে। দেশে বর্তমানে অপুষ্টির হার কমেছে এবং শিশু ও মাতৃমৃত্যু উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী দেশে অপুষ্টিজনিত কারণে শিশুদের মধ্যে রাতকানা রোগের হার ৪ দশমিক ১০ শতাংশ ছিল, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে রাতকানা রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম গ্রহণ করে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু করে। পরবর্তীতে বর্তমান সরকার ২০১০ সাল থেকে নিয়মিতভাবে বছরে দুইবার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো অব্যাহত রাখার ফলে বর্তমানে ভিটামিন ‘এ’র অভাবজনিত রাতকানা রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা (০.০৪%) প্রায় নাই বললেই চলে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর মাধ্যমে শিশুর অন্ধত্ব প্রতিরোধ করে, দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করে, সব ধরনের মৃত্যুর হার ২৪ শতাংশ কমেছে। এছাড়াও হাম, ডায়রিয়া এবং নিউমোনিয়ার কারণে মৃত্যু উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। জোর করে বা কান্নারত অবস্থায় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না, ৬ মাসের কম, ৫ বছরের বেশি বয়সী এবং অসুস্থ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না।

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ পাস ক্যাম্পেইন চলাকালে যাতে কোন মহল নেতিবাচক প্রচারণার মাধ্যমে এ কার্যক্রমকে ব্যাহত করতে না পারে, সেজন্য সব কর্মী এবং সাংবাদিকদের জনগণের পাশে থেকে মিথ্যার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর আহ্বানও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মো খুরশিদ আলম, অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর, জাতিসংঘের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ডা. জার্দান জাং রানা প্রমুখ।