নারায়ণগঞ্জ ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিদ্ধিরগঞ্জে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, নেপথ্যে সাবেক কাউন্সিলর বাদলের সহযোগীদের দাবি প্রবাসের মাটিতে বাংলা গানের সুর ছড়াতে রিয়াদে সংগীতশিল্পী তাসলিমা মৌর ‘মিট দ্য প্রেস’ নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ও ৫ নম্বর ঘাট বিসর্জনস্থল পরিদর্শন করেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে, ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২৪ সুবিধাবাদী বিএনপি নেতাদের শেল্টারে আওয়ামী দোসর মাসুম রূপগঞ্জে শিক্ষকের উপর হামলার ঘটনায় মামলা; ছাত্র গ্রেফতার সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১৯ রূপগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে যুবদল নেতা নিহত ১৪৫ বছরের সার্বজনীন লক্ষ্মী মন্দির সহ নারায়ণগঞ্জ সদরের বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন ডিসি মোঃ রায়হান কবির রূপগঞ্জের স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে পল্লী চিকিৎসকদের সহযোগিতা প্রয়োজন: তানসিভ জুবায়ের

দেশব্যাপী ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু রবিবার

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন ২০২৩
  • ২৬৮ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক : দেশব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু হবে আগামী রোববার (১৮ জুন)। এদিন ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) দুপুর ১২টায় রাজধানীর বনানীতে হোটেল শেরাটনে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক এ কথা জানান।

সংবাদ সম্মেলনে জাহিদ মালেক বলেন, রবিবার (১৮ জুন) সারা দিনব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদযাপন করা হবে। দেশে বর্তমানে অপুষ্টির হার কমেছে এবং শিশু ও মাতৃমৃত্যু উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী দেশে অপুষ্টিজনিত কারণে শিশুদের মধ্যে রাতকানা রোগের হার ৪ দশমিক ১০ শতাংশ ছিল, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে রাতকানা রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম গ্রহণ করে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু করে। পরবর্তীতে বর্তমান সরকার ২০১০ সাল থেকে নিয়মিতভাবে বছরে দুইবার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো অব্যাহত রাখার ফলে বর্তমানে ভিটামিন ‘এ’র অভাবজনিত রাতকানা রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা (০.০৪%) প্রায় নাই বললেই চলে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর মাধ্যমে শিশুর অন্ধত্ব প্রতিরোধ করে, দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করে, সব ধরনের মৃত্যুর হার ২৪ শতাংশ কমেছে। এছাড়াও হাম, ডায়রিয়া এবং নিউমোনিয়ার কারণে মৃত্যু উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। জোর করে বা কান্নারত অবস্থায় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না, ৬ মাসের কম, ৫ বছরের বেশি বয়সী এবং অসুস্থ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না।

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ পাস ক্যাম্পেইন চলাকালে যাতে কোন মহল নেতিবাচক প্রচারণার মাধ্যমে এ কার্যক্রমকে ব্যাহত করতে না পারে, সেজন্য সব কর্মী এবং সাংবাদিকদের জনগণের পাশে থেকে মিথ্যার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর আহ্বানও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মো খুরশিদ আলম, অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর, জাতিসংঘের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ডা. জার্দান জাং রানা প্রমুখ।

 

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সিদ্ধিরগঞ্জে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ, নেপথ্যে সাবেক কাউন্সিলর বাদলের সহযোগীদের দাবি

দেশব্যাপী ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু রবিবার

আপডেট সময় : ০৩:৩৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক : দেশব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু হবে আগামী রোববার (১৮ জুন)। এদিন ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) দুপুর ১২টায় রাজধানীর বনানীতে হোটেল শেরাটনে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক এ কথা জানান।

সংবাদ সম্মেলনে জাহিদ মালেক বলেন, রবিবার (১৮ জুন) সারা দিনব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উদযাপন করা হবে। দেশে বর্তমানে অপুষ্টির হার কমেছে এবং শিশু ও মাতৃমৃত্যু উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী দেশে অপুষ্টিজনিত কারণে শিশুদের মধ্যে রাতকানা রোগের হার ৪ দশমিক ১০ শতাংশ ছিল, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে রাতকানা রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম গ্রহণ করে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু করে। পরবর্তীতে বর্তমান সরকার ২০১০ সাল থেকে নিয়মিতভাবে বছরে দুইবার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো অব্যাহত রাখার ফলে বর্তমানে ভিটামিন ‘এ’র অভাবজনিত রাতকানা রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা (০.০৪%) প্রায় নাই বললেই চলে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর মাধ্যমে শিশুর অন্ধত্ব প্রতিরোধ করে, দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করে, সব ধরনের মৃত্যুর হার ২৪ শতাংশ কমেছে। এছাড়াও হাম, ডায়রিয়া এবং নিউমোনিয়ার কারণে মৃত্যু উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। জোর করে বা কান্নারত অবস্থায় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না, ৬ মাসের কম, ৫ বছরের বেশি বয়সী এবং অসুস্থ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না।

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ পাস ক্যাম্পেইন চলাকালে যাতে কোন মহল নেতিবাচক প্রচারণার মাধ্যমে এ কার্যক্রমকে ব্যাহত করতে না পারে, সেজন্য সব কর্মী এবং সাংবাদিকদের জনগণের পাশে থেকে মিথ্যার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর আহ্বানও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মো খুরশিদ আলম, অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর, জাতিসংঘের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ডা. জার্দান জাং রানা প্রমুখ।