নারায়ণগঞ্জ ১২:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নাসিকের ময়লার গাড়ির ধাক্কায় গর্ভবতীর পোশাক শ্রমিক নিহত সোনারগাঁয়ের ১টি হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১ নারায়ণগঞ্জে ৩টি উপজেলায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন যারা গুণী জনদের পদচারণায়  উদযাপিত  দৈনিক আজকের নীর বাংলা পত্রিকা’র ১৫ তম  বর্ষপূর্তি সিদ্ধিরগঞ্জে রাজউকের অভিযানে ক্ষুব্ধ ভবন মালিকরা রেকমত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের মজিবুর রহমান সভাপতির দায়িত্ব নিয়েই শিক্ষার মান উন্নয়নের তাগিদ অস্ত্রের লাইসেন্সের আবেদন না করেও অপপ্রচারের শিকার মহিউদ্দিন মোল্লা ! সাংবাদিক শাওনের বাবা ফিরোজ আহমেদ আর নেই রিয়াদে জমকালো আয়োজনে মাই টিভির ১৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন রিয়াদে প্রিমিয়াম ফুটবল লীগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

বিআইডব্লিউটিয়ের রের্কড কিপার সঞ্জিব কুমার দাস ধর্ষন মামলায় গ্রেফতার

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০১:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ মার্চ ২০২১
  • ১৬৪ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা প্রতিনিধি :  রাজধানীর সবুজবাগে পোশাক কারখানার এক কর্মীকে (৩৫) চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার সনজীব কুমার দাস ও তার সহযোগী আনিকার পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সনজীব মাদারীপুর জেলার বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) কর্মচারী। আজ মঙ্গলবার (২ মার্চ) তাদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এসময় সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদের সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সবুজবাগ থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আজগর আলী। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার প্রত্যেককে পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে গতকাল সোমবার (১ মার্চ) দিবাগত রাতে মাদারটেক এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে সবুজবাগ থানা পুলিশ।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সবুজবাগ জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) রাশেদ হাসান মুঠোফোনে এ প্রতিবেদককে বলেন, ওই নারীকে ব্যাংকে চাকরি দেয়ার নাম করে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ মাদারটেকের একটি বাসায় ডেকে নিয়ে যান সনজিব দাস। তার সঙ্গে রাসেল, জামাল, আজিজুর রহমান ও আনিকা নামে এক নারী বাসায় ছিলেন। সেখানেই ওই নারীকে সনজীবসহ বাকিরা ধর্ষণ করেন।
এ ঘটনায় সোমবার সবুজবাগ থানায় সনজিবকে ১ নম্বর আসামি করে পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন ভুক্তভোগী।

পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আনিকা ও সনজিবকে গ্রেফতার করে। বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান ওসি রাশেদ হাসান।
ওই নারী মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন, পাঁচ বছর আগে স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় তার। এরপর একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। গত ১০ ফেব্রুয়ারি পূর্বপরিচিত সনজিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলে কুশল বিনিময়ের সময় তিনি তার সন্ধানে ব্যাংকে ভালো চাকরি থাকার কথা জানান। পরে চাকরি দেয়ার কথা বলে মাদারটেকের ওই বাসায় ডেকে নেন। একপর্যায়ে সেখানে তাকে গণধর্ষণ করা হয়।
সেখানে উপস্থিত আনিকা এ কাজে তাদেরকে সহায়তা করেন। এ ঘটনা জানাজানি হলে সনজিব ওই নারীকে মেরে ফেলার হুমকি দেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানা গেছে, সনজীব কুমার দাসকে রেকর্ড কিপার পদ থেকে গত ১১/০৪/২০১৬ সালে বিআইডব্লিউটিএ’র সাবেক কমোডোর এম মোজাম্মেল হক ১৮.৭০৭.০৪৭.০০.০০.১০৩.২০১৬/৩৭০ স্বাক্ষরিত চিঠিতে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেন।

চিঠির সূত্রে জানা গেছে, সনজীব বিনা অনুমতিতে বিআইডব্লিউটিএ’র সচিবের কক্ষে প্রবেশ করে অন্যান্য কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে নিয়ম বিধি বর্হিভূত অসদাচরণ করেন। এইজন্য কর্তৃপক্ষের দফতর আদেশ নং-৬৭৮/২০১৬ তাং ২৮/০৩/২০১৬ ইং দ্বারা কর্তৃপক্ষের কর্মচারী চাকুরী প্রবিধানমালা-১৯৯০ এর ৪১(১) প্রবিধান অনুসারে তাকে সাময়িক সময়ের জন্য বরখাস্ত করা হয়।

এই বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা মুঠোফোনে জানান, ‘তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছিলো তা তদন্ত হয়েছে। আমরা জানতে পেরেছি আজ (মঙ্গলবার) ধর্ষণ অভিযোগ তাকে থানা পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। এরপর তাকে আদালতে সোপার্দ করা হয়। এই অভিযোগে কিছুক্ষন আগে অফিসের সিন্ধান্তে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

নাসিকের ময়লার গাড়ির ধাক্কায় গর্ভবতীর পোশাক শ্রমিক নিহত

বিআইডব্লিউটিয়ের রের্কড কিপার সঞ্জিব কুমার দাস ধর্ষন মামলায় গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৪:০১:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ মার্চ ২০২১

ঢাকা প্রতিনিধি :  রাজধানীর সবুজবাগে পোশাক কারখানার এক কর্মীকে (৩৫) চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার সনজীব কুমার দাস ও তার সহযোগী আনিকার পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সনজীব মাদারীপুর জেলার বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) কর্মচারী। আজ মঙ্গলবার (২ মার্চ) তাদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এসময় সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদের সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সবুজবাগ থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আজগর আলী। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার প্রত্যেককে পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে গতকাল সোমবার (১ মার্চ) দিবাগত রাতে মাদারটেক এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে সবুজবাগ থানা পুলিশ।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সবুজবাগ জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) রাশেদ হাসান মুঠোফোনে এ প্রতিবেদককে বলেন, ওই নারীকে ব্যাংকে চাকরি দেয়ার নাম করে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ মাদারটেকের একটি বাসায় ডেকে নিয়ে যান সনজিব দাস। তার সঙ্গে রাসেল, জামাল, আজিজুর রহমান ও আনিকা নামে এক নারী বাসায় ছিলেন। সেখানেই ওই নারীকে সনজীবসহ বাকিরা ধর্ষণ করেন।
এ ঘটনায় সোমবার সবুজবাগ থানায় সনজিবকে ১ নম্বর আসামি করে পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন ভুক্তভোগী।

পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আনিকা ও সনজিবকে গ্রেফতার করে। বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান ওসি রাশেদ হাসান।
ওই নারী মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন, পাঁচ বছর আগে স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় তার। এরপর একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। গত ১০ ফেব্রুয়ারি পূর্বপরিচিত সনজিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলে কুশল বিনিময়ের সময় তিনি তার সন্ধানে ব্যাংকে ভালো চাকরি থাকার কথা জানান। পরে চাকরি দেয়ার কথা বলে মাদারটেকের ওই বাসায় ডেকে নেন। একপর্যায়ে সেখানে তাকে গণধর্ষণ করা হয়।
সেখানে উপস্থিত আনিকা এ কাজে তাদেরকে সহায়তা করেন। এ ঘটনা জানাজানি হলে সনজিব ওই নারীকে মেরে ফেলার হুমকি দেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানা গেছে, সনজীব কুমার দাসকে রেকর্ড কিপার পদ থেকে গত ১১/০৪/২০১৬ সালে বিআইডব্লিউটিএ’র সাবেক কমোডোর এম মোজাম্মেল হক ১৮.৭০৭.০৪৭.০০.০০.১০৩.২০১৬/৩৭০ স্বাক্ষরিত চিঠিতে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেন।

চিঠির সূত্রে জানা গেছে, সনজীব বিনা অনুমতিতে বিআইডব্লিউটিএ’র সচিবের কক্ষে প্রবেশ করে অন্যান্য কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে নিয়ম বিধি বর্হিভূত অসদাচরণ করেন। এইজন্য কর্তৃপক্ষের দফতর আদেশ নং-৬৭৮/২০১৬ তাং ২৮/০৩/২০১৬ ইং দ্বারা কর্তৃপক্ষের কর্মচারী চাকুরী প্রবিধানমালা-১৯৯০ এর ৪১(১) প্রবিধান অনুসারে তাকে সাময়িক সময়ের জন্য বরখাস্ত করা হয়।

এই বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা মুঠোফোনে জানান, ‘তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছিলো তা তদন্ত হয়েছে। আমরা জানতে পেরেছি আজ (মঙ্গলবার) ধর্ষণ অভিযোগ তাকে থানা পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। এরপর তাকে আদালতে সোপার্দ করা হয়। এই অভিযোগে কিছুক্ষন আগে অফিসের সিন্ধান্তে সাসপেন্ড করা হয়েছে।