নারায়ণগঞ্জ ১১:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ডে ২ কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ, হামলায় আহত ২ নারায়ণগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা সভায় মাদক ও কিশোর গ্যাং সহ সকল অপরাধ নির্মূলে কঠোর অবস্থান প্রশাসনের সিদ্ধিরগঞ্জে ৩২ লাখ টাকা ও ১৩ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে ব্যাবসায়ীর স্ত্রী উধাও! ভিশন ২০৩০-এর সুযোগে সৌদিতে সফল বাংলাদেশি উদ্যোক্তা, দেশে বিনিয়োগের আহ্বান নারায়ণগঞ্জে প্রথমবারের মত নৌযান শুমারি ২০২৬ অবহিতকরণ সভায় অনুষ্ঠিত সরকারি তোলারাম কলেজে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণ: সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান অধ্যক্ষের নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি অন্য জেলার জন্য উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: ডিসি মো :রায়হান কবির নারায়ণগঞ্জে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিনব্যাপী জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে শ্রদ্ধা,দোয়া, স্মরণ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান নারায়ণগঞ্জে শিবির-ছাত্রদল সংঘর্ষ, আহত ৫ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে জেলা তথ্য অফিসের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ

সিদ্ধিরগঞ্জ মিজমিজি পাগলাবাড়ীতে মশার কয়েল তৈরির অবৈধ কারখানা : কাজ করছে শিশু শ্রমিক

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯
  • ৬৩৮ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি পাগলাবাড়ী আবাসিক এলাকায় স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে অবৈধ ভাবে গড়ে তুলা হয়েছে মশার কয়েল তৈরির কারখানা। শ্রমিক হিসেবে কাজ করছে অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে মেয়ে। যা শিশু শ্রমিক আইন লগ্নন। পরিবেশ নীতিমালা অমান্য করে জনস্বাস্থ্যের তিকর বিভিন্ন রকমের কয়েল তৈরি করা হচ্ছে এই কারখানায়। স্থানীয় প্রভাবশালী ও সংশ্লিষ্ট মহলকে ম্যানেজ করে অবৈধ কয়েল কারখানা গড়ে তুলায় জনমনে বিরাজ করছে ােভ। রহস্যজনক কারণে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করছেন না স্থানীয় প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর।

অভিযোগ জানা গেছে, নাসিক ১ নং ওয়ার্ড মিজমিজি পাগলাবাড়ী এলাকায় সরকারি অনুমোদন ছাড়াই মশার কয়েল তৈরির কারখানা গড়ে তুলেছে মিরাজ হোসেন। তৈরি করা হচ্ছে চ্যালেন্স ব্রান্ডের কয়েল। শুধু একটি নয় কয়েক নামের কয়েল তৈরি হচ্ছে এই কারখানায়। সরকারি অনুমতি না থাকলেও এই কারখানার তৈরি কয়েল সম্পূর্ণ অবৈধ ভাবে বাজার জাত করা হচ্ছে। কারখানার প্রধান গেইটে তালা লাগিয়ে ভিতরে গোপনে তৈরি করা হচ্ছে এসব কয়েল।

জানা গেছে, মশার কয়েল তৈরির প্রধান উপাদান হলো পাইরোফ্রয়েড। এটি প্রাকৃতিক যৌগ পাইরোগ্রাম থেকে পাওয়া যায়। তাছাড়া অ্যালেট্রিন-এর মতো সমধর্মী যৌগ থেকেও তা পাওয়া যায়। তাপ পেলে ম্যাটের পাইরোফ্রয়েড বাষ্পীভূত হয়। নির্দিষ্ট তাপমাত্রা প্রযয়োগের জন্য ম্যাটকে ম্যাটহিটারের হিটপেস্নটে রাখতে হয়। এর আসল সক্রিয় উপাদান হলো কীটনাশক ডিডিটি বা পিন্ডেনের মতো কোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন, প্যারাফিনের মতো আরপ্যানো ফসফরাস যৌগ এবং কার্বন। এসব উপাদান ব্যবহার করার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাপ প্রয়োজন। অতিরিক্ত হলে মানব দেহের জন্য খুব তিকর। গবেষকদের মতে, একটি মশার কয়েল থেকে যে পরিমান ধোঁয়া নির্গত হয় তা একশ সিগারেটের সমান। কয়েলে নির্দিষ্ট মাত্রায় কিটনাশক ব্যবহার করলেও শ্বাসকষ্ট, কাশি ও ফুসফুসের সমস্যা হতে পারে। অতিরিক্ত ব্যবহার করা হয় তাহলে মানব দেহের জন্য খুব তিকর।

অভিযোগ জানা গেছে, সরকারি অনোমতি না থাকায় মিরাজ হোসেনের কারখানায় তৈরি কয়েলে কিটনাশক ব্যবহার করার পরিা-নিরীা হচ্ছে না। নিজের মনগাড়া মতেই ব্যবহার করছে কিটনাশক। ফলে কারখানার আশপাশের বাসিন্দারা রয়েছে স্বাস্থ্য ঝুকিতে। কারণ, কয়েল তৈরির কারখানার চারপাশে কমপে একশ গজ পর্যন্ত গন্ধ ছড়ায়। এই গন্ধ বিষাক্ত। প্রভাবশালী মহল ম্যানেজ থাকায় এলাকায় সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেনা। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপরে হস্তপে কামনা করছেন এলাকার সচেতন মহল।

এ বিষয়ে কারখানা মালিক মিরাজ হোসেনের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি। তবে ম্যানেজার টুটুল জানায়, স্থানীয় প্রশাসন ও কাস্টম কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করেই কারখানা চালানো হচ্ছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ডে ২ কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ, হামলায় আহত ২

সিদ্ধিরগঞ্জ মিজমিজি পাগলাবাড়ীতে মশার কয়েল তৈরির অবৈধ কারখানা : কাজ করছে শিশু শ্রমিক

আপডেট সময় : ১০:৩৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি পাগলাবাড়ী আবাসিক এলাকায় স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে অবৈধ ভাবে গড়ে তুলা হয়েছে মশার কয়েল তৈরির কারখানা। শ্রমিক হিসেবে কাজ করছে অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে মেয়ে। যা শিশু শ্রমিক আইন লগ্নন। পরিবেশ নীতিমালা অমান্য করে জনস্বাস্থ্যের তিকর বিভিন্ন রকমের কয়েল তৈরি করা হচ্ছে এই কারখানায়। স্থানীয় প্রভাবশালী ও সংশ্লিষ্ট মহলকে ম্যানেজ করে অবৈধ কয়েল কারখানা গড়ে তুলায় জনমনে বিরাজ করছে ােভ। রহস্যজনক কারণে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করছেন না স্থানীয় প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর।

অভিযোগ জানা গেছে, নাসিক ১ নং ওয়ার্ড মিজমিজি পাগলাবাড়ী এলাকায় সরকারি অনুমোদন ছাড়াই মশার কয়েল তৈরির কারখানা গড়ে তুলেছে মিরাজ হোসেন। তৈরি করা হচ্ছে চ্যালেন্স ব্রান্ডের কয়েল। শুধু একটি নয় কয়েক নামের কয়েল তৈরি হচ্ছে এই কারখানায়। সরকারি অনুমতি না থাকলেও এই কারখানার তৈরি কয়েল সম্পূর্ণ অবৈধ ভাবে বাজার জাত করা হচ্ছে। কারখানার প্রধান গেইটে তালা লাগিয়ে ভিতরে গোপনে তৈরি করা হচ্ছে এসব কয়েল।

জানা গেছে, মশার কয়েল তৈরির প্রধান উপাদান হলো পাইরোফ্রয়েড। এটি প্রাকৃতিক যৌগ পাইরোগ্রাম থেকে পাওয়া যায়। তাছাড়া অ্যালেট্রিন-এর মতো সমধর্মী যৌগ থেকেও তা পাওয়া যায়। তাপ পেলে ম্যাটের পাইরোফ্রয়েড বাষ্পীভূত হয়। নির্দিষ্ট তাপমাত্রা প্রযয়োগের জন্য ম্যাটকে ম্যাটহিটারের হিটপেস্নটে রাখতে হয়। এর আসল সক্রিয় উপাদান হলো কীটনাশক ডিডিটি বা পিন্ডেনের মতো কোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন, প্যারাফিনের মতো আরপ্যানো ফসফরাস যৌগ এবং কার্বন। এসব উপাদান ব্যবহার করার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাপ প্রয়োজন। অতিরিক্ত হলে মানব দেহের জন্য খুব তিকর। গবেষকদের মতে, একটি মশার কয়েল থেকে যে পরিমান ধোঁয়া নির্গত হয় তা একশ সিগারেটের সমান। কয়েলে নির্দিষ্ট মাত্রায় কিটনাশক ব্যবহার করলেও শ্বাসকষ্ট, কাশি ও ফুসফুসের সমস্যা হতে পারে। অতিরিক্ত ব্যবহার করা হয় তাহলে মানব দেহের জন্য খুব তিকর।

অভিযোগ জানা গেছে, সরকারি অনোমতি না থাকায় মিরাজ হোসেনের কারখানায় তৈরি কয়েলে কিটনাশক ব্যবহার করার পরিা-নিরীা হচ্ছে না। নিজের মনগাড়া মতেই ব্যবহার করছে কিটনাশক। ফলে কারখানার আশপাশের বাসিন্দারা রয়েছে স্বাস্থ্য ঝুকিতে। কারণ, কয়েল তৈরির কারখানার চারপাশে কমপে একশ গজ পর্যন্ত গন্ধ ছড়ায়। এই গন্ধ বিষাক্ত। প্রভাবশালী মহল ম্যানেজ থাকায় এলাকায় সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেনা। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপরে হস্তপে কামনা করছেন এলাকার সচেতন মহল।

এ বিষয়ে কারখানা মালিক মিরাজ হোসেনের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি। তবে ম্যানেজার টুটুল জানায়, স্থানীয় প্রশাসন ও কাস্টম কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করেই কারখানা চালানো হচ্ছে।