নারায়ণগঞ্জ ০৩:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শিমরাইল মোড়ে চাঁদা না দিলে লুটপাট জিম্মি পরিবহন শ্রমিকরা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৯:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০১৯
  • ১৬৩ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল মোড় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পরিবহন সেক্টরে চলছে বেপরোয়া চাঁদাবাজি। চাঁদা না দিলে চালক হেলপারদের মারধর করে ক্যাশ লুটে নিচ্ছে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজরা। নাসিক ৩ নং ওয়ার্ডের নয়াআটি মুক্তিনগর এলাকার ১০ মামলার আসামি জুলহাস উদ্দিন লিটনের নেতৃত্বে প্রকাশে যাত্রাবাহী বিভিন্ন বাস থেকে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে বলে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের অভিযোগ।
অভিযোগ জানা গেছে, শিমরাইল মোড়ে জুলহাস উদ্দিন লিটনের নেতৃত্বে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা মোটর চালকলীগ নামে একটি শ্রমিক সংগঠন করা হয়েছে। স্থানীয় সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীরা এই শ্রমিক সংগঠনের হর্তাকর্তা। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উত্তর পাশে মুক্তিস্বরণী এলাকায় সরকারি জমি দখল করে নির্মাণ করা হয়েছে ওই সংগঠনের কার্যালয়। ২৩০২ নামক শ্রমিক সংগঠনের নামে দৈনিক ৫০ টাকার পাশাপাশি লিটন বাহিনী প্রতিটি যাত্রীবাহী বাস থেকে ১০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করছে। জুলহাস উদ্দিন লিটনের নেতৃত্বে সিকিম আলী, সেলিম ওরফে বালতি সেলিম, শাহজাহান, বড় লিটন ও রব চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রন করছে। তারা দাউদকান্দি, সাচার, কচুয়া, অনির্বাণ, বাঁধন, তারাবো, স্টাফ বাস, উত্তরবঙ্গ, হোমনা, চিটগাং লোকাল, কিশোরগঞ্জ লোকাল, ভৈরব ও সিলেট লাইনে চলাচলকারী প্রতিটি যাত্রীবাহী বাস থেকে ২৩০২ সংগঠনের ৫০ টাকার পাশাপাশি আরো ১০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করছে। শ্রমিকরা ২৩০২ সংগঠনের ৫০ টাকা ব্যতিত অতিরিক্ত ১০০ টাকা চাঁদা না দিলে মারধর ও ক্যাশ লুট করে নিয়ে যায়। বাসের চালক হেলপারদের মারধর করে ক্যাশ লুটের ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় বহু লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। রহস্যজনক কারণে পুলিশ লুটপাটকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন না করায় পরিবহন শ্রমিকরা ভয়ে চাঁদা দিতে বাধ্য হচ্ছে। পরিবহন শ্রমিকদের জিম্মি করে লিটন বাহিনী দৈনিক কমপক্ষে ১ থেকে দেড় লাখ টাকা চাঁদা আদায় করছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিক্রমপুরের বড় লিটন যার কাছ থেকে বিজিপির লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার হয়েছিল, সেই লিটনের হাত দিয়ে চাঁদাবাজির টাকা বাটবন্টন হচ্ছে। আলোচিত ৭ হত্যা মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেনের অন্যতম ক্যাডার বিক্রমপুরের বড় লিটন বিজিপির অস্ত্র লুটের অভিযোগে গ্রেফতার হয়ে জেলহাজত থেকে জামিনে বেড় হয়ে নাসিক ৩ নং ওয়ার্ডের নয়াআটি মুক্তিনগর এলাকার জুলহাস উদ্দিন লিটনকে নেতা বানিয়ে শিমরাইল মোড়ে পরিবহন থেকে দাপটের সাথে চাঁদাবাজি করছে। র‌্যাবের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত দ্বীনা ডাকাতের আপন ছোট ভাই ও মাদক সম্্রাট রাজুর মামা জুলহাস উদ্দিন লিটন নব্য সন্ত্রাসী হিসেবে আতœপ্রকাশ করেছে। সে গড়ে তুলেছে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী। লিটন বাহিনীর হামলায় এলাকার একাধিক লোক পঙ্গুত্ব বরণ করে মানবেতর জীবনযাপন করছে। বিগত কয়েক বছরে লিটনের বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ১০ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাগুলো হলো, নং -৭০ তারিখ ২৭ আগস্ট ২০১৭, ধারা ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৩৭৯/৫০৬ পেনাল কোড, নং- ১৯ তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর ২০০৮, ধারা ১৪৩/৪৪৮/৩২৩/৩২৪/৩২৬/৩০৭ পেনাল কোড, নং – ৬ তারিখ ৫ মার্চ ২০০৭, ধারা ১৪৩/৪৪৭/৩২৩/৩২৪/৫০৬ পেনাল কোড, নং – ৪৬ তারখি ২৯ অক্টোবর ২০০৬, ধারা ১৪৭/৪৪৮/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৪৩৫/৩৮০/৪২৭/৩৪ পেনাল কোড, নং- ১২ তারিখ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০০৫, ধারা ১৪৩/৪৪৭/৩২৩/৩৭৯/৫০৬ পেনাল কোড, নং – ৫ তারিখ ২৮ অক্টোবর ২০১৫, ধারা ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৪/৩২৬/৩০৭/৫০৬/১১৪ পেনাল কোড, নং ২২ তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০০৯, ধারা ১৪৩/৪৪৭/৩৮৫/৩২৩/৩৭৯/৫০৬ পেনাল কোড, নং – ২০ তারিখ ১৬ মে ২০১৬, ধারা ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৩৭৯/৫০৬ পেনাল কোড, নং – ৩৬ তারিখ ২০ নভেম্বর ২০১৪, ধার ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৪/৩২৬/৩০৭/৩৭৯ পেনাল কোড, নং – ৩৬ তারিখ ২০ নভেম্বর ২০০৬, ধারা ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৪/৩২৬/৩০৭/৩৭৯। মুক্তিনগর এলাকার নতুন আতঙ্ক এই লিটন চাঁদাবাজির পাশাপাশি মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করছে বলে স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে। তার অপকর্মের প্রতিবাদ করলে মারধরের শিকার হতে হয়। মামলা করলেও পুলিশ গ্রেফতার করতে সময় ক্ষেপন করায় আদালত থেকে জামিন নিয়ে বাদীর উপর অত্যাচার বাড়িয়ে দেয়। ফলে ভয়ে কেহ প্রতিবাদ করার সাহস পায়না। তাই লিটন বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ভাবে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করার জন্য পুলিশ সুপার ও র‌্যাবের হস্তপক্ষেপ কামনা করছেন পরিবহন মালিক শ্রমিকরা।
এ বিষয়ে জুলহাস উদ্দিন লিটনের সাথে কথা হলে তিনি বাসের ক্যাশ লুট ও মারধর করার অভিযোগ সত্য হলে এটা অন্যএকটি গ্রুপ করছে দাবি করে ৫০ টাকা করে চাঁদা আদায় করার কথা স্বীকার করেছেন। তবে ২৩০২ সংগঠনের নামে ৫০ টাকা করে আদায় করা চাঁদার টাকা চলে যায় একজন শ্রমিকলীগ নেতা কাছে আর বাকী ৫০ টাকা করে আদায় করা চাঁদার টাকা ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় শীর্ষ নেতা ও দলীয় কাছে ব্যয় করা হয় বলে জানায় লিটন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

শিমরাইল মোড়ে চাঁদা না দিলে লুটপাট জিম্মি পরিবহন শ্রমিকরা

আপডেট সময় : ০৮:৫৯:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০১৯

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল মোড় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পরিবহন সেক্টরে চলছে বেপরোয়া চাঁদাবাজি। চাঁদা না দিলে চালক হেলপারদের মারধর করে ক্যাশ লুটে নিচ্ছে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজরা। নাসিক ৩ নং ওয়ার্ডের নয়াআটি মুক্তিনগর এলাকার ১০ মামলার আসামি জুলহাস উদ্দিন লিটনের নেতৃত্বে প্রকাশে যাত্রাবাহী বিভিন্ন বাস থেকে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে বলে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের অভিযোগ।
অভিযোগ জানা গেছে, শিমরাইল মোড়ে জুলহাস উদ্দিন লিটনের নেতৃত্বে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা মোটর চালকলীগ নামে একটি শ্রমিক সংগঠন করা হয়েছে। স্থানীয় সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীরা এই শ্রমিক সংগঠনের হর্তাকর্তা। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উত্তর পাশে মুক্তিস্বরণী এলাকায় সরকারি জমি দখল করে নির্মাণ করা হয়েছে ওই সংগঠনের কার্যালয়। ২৩০২ নামক শ্রমিক সংগঠনের নামে দৈনিক ৫০ টাকার পাশাপাশি লিটন বাহিনী প্রতিটি যাত্রীবাহী বাস থেকে ১০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করছে। জুলহাস উদ্দিন লিটনের নেতৃত্বে সিকিম আলী, সেলিম ওরফে বালতি সেলিম, শাহজাহান, বড় লিটন ও রব চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রন করছে। তারা দাউদকান্দি, সাচার, কচুয়া, অনির্বাণ, বাঁধন, তারাবো, স্টাফ বাস, উত্তরবঙ্গ, হোমনা, চিটগাং লোকাল, কিশোরগঞ্জ লোকাল, ভৈরব ও সিলেট লাইনে চলাচলকারী প্রতিটি যাত্রীবাহী বাস থেকে ২৩০২ সংগঠনের ৫০ টাকার পাশাপাশি আরো ১০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করছে। শ্রমিকরা ২৩০২ সংগঠনের ৫০ টাকা ব্যতিত অতিরিক্ত ১০০ টাকা চাঁদা না দিলে মারধর ও ক্যাশ লুট করে নিয়ে যায়। বাসের চালক হেলপারদের মারধর করে ক্যাশ লুটের ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় বহু লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। রহস্যজনক কারণে পুলিশ লুটপাটকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন না করায় পরিবহন শ্রমিকরা ভয়ে চাঁদা দিতে বাধ্য হচ্ছে। পরিবহন শ্রমিকদের জিম্মি করে লিটন বাহিনী দৈনিক কমপক্ষে ১ থেকে দেড় লাখ টাকা চাঁদা আদায় করছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিক্রমপুরের বড় লিটন যার কাছ থেকে বিজিপির লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার হয়েছিল, সেই লিটনের হাত দিয়ে চাঁদাবাজির টাকা বাটবন্টন হচ্ছে। আলোচিত ৭ হত্যা মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেনের অন্যতম ক্যাডার বিক্রমপুরের বড় লিটন বিজিপির অস্ত্র লুটের অভিযোগে গ্রেফতার হয়ে জেলহাজত থেকে জামিনে বেড় হয়ে নাসিক ৩ নং ওয়ার্ডের নয়াআটি মুক্তিনগর এলাকার জুলহাস উদ্দিন লিটনকে নেতা বানিয়ে শিমরাইল মোড়ে পরিবহন থেকে দাপটের সাথে চাঁদাবাজি করছে। র‌্যাবের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত দ্বীনা ডাকাতের আপন ছোট ভাই ও মাদক সম্্রাট রাজুর মামা জুলহাস উদ্দিন লিটন নব্য সন্ত্রাসী হিসেবে আতœপ্রকাশ করেছে। সে গড়ে তুলেছে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী। লিটন বাহিনীর হামলায় এলাকার একাধিক লোক পঙ্গুত্ব বরণ করে মানবেতর জীবনযাপন করছে। বিগত কয়েক বছরে লিটনের বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ১০ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাগুলো হলো, নং -৭০ তারিখ ২৭ আগস্ট ২০১৭, ধারা ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৩৭৯/৫০৬ পেনাল কোড, নং- ১৯ তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর ২০০৮, ধারা ১৪৩/৪৪৮/৩২৩/৩২৪/৩২৬/৩০৭ পেনাল কোড, নং – ৬ তারিখ ৫ মার্চ ২০০৭, ধারা ১৪৩/৪৪৭/৩২৩/৩২৪/৫০৬ পেনাল কোড, নং – ৪৬ তারখি ২৯ অক্টোবর ২০০৬, ধারা ১৪৭/৪৪৮/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৪৩৫/৩৮০/৪২৭/৩৪ পেনাল কোড, নং- ১২ তারিখ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০০৫, ধারা ১৪৩/৪৪৭/৩২৩/৩৭৯/৫০৬ পেনাল কোড, নং – ৫ তারিখ ২৮ অক্টোবর ২০১৫, ধারা ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৪/৩২৬/৩০৭/৫০৬/১১৪ পেনাল কোড, নং ২২ তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০০৯, ধারা ১৪৩/৪৪৭/৩৮৫/৩২৩/৩৭৯/৫০৬ পেনাল কোড, নং – ২০ তারিখ ১৬ মে ২০১৬, ধারা ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৩৭৯/৫০৬ পেনাল কোড, নং – ৩৬ তারিখ ২০ নভেম্বর ২০১৪, ধার ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৪/৩২৬/৩০৭/৩৭৯ পেনাল কোড, নং – ৩৬ তারিখ ২০ নভেম্বর ২০০৬, ধারা ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৪/৩২৬/৩০৭/৩৭৯। মুক্তিনগর এলাকার নতুন আতঙ্ক এই লিটন চাঁদাবাজির পাশাপাশি মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করছে বলে স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে। তার অপকর্মের প্রতিবাদ করলে মারধরের শিকার হতে হয়। মামলা করলেও পুলিশ গ্রেফতার করতে সময় ক্ষেপন করায় আদালত থেকে জামিন নিয়ে বাদীর উপর অত্যাচার বাড়িয়ে দেয়। ফলে ভয়ে কেহ প্রতিবাদ করার সাহস পায়না। তাই লিটন বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ভাবে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করার জন্য পুলিশ সুপার ও র‌্যাবের হস্তপক্ষেপ কামনা করছেন পরিবহন মালিক শ্রমিকরা।
এ বিষয়ে জুলহাস উদ্দিন লিটনের সাথে কথা হলে তিনি বাসের ক্যাশ লুট ও মারধর করার অভিযোগ সত্য হলে এটা অন্যএকটি গ্রুপ করছে দাবি করে ৫০ টাকা করে চাঁদা আদায় করার কথা স্বীকার করেছেন। তবে ২৩০২ সংগঠনের নামে ৫০ টাকা করে আদায় করা চাঁদার টাকা চলে যায় একজন শ্রমিকলীগ নেতা কাছে আর বাকী ৫০ টাকা করে আদায় করা চাঁদার টাকা ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় শীর্ষ নেতা ও দলীয় কাছে ব্যয় করা হয় বলে জানায় লিটন।