নারায়ণগঞ্জ ০১:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ডিবির পুলিশের মামলায় ফতুল্লার তেল চোর ইকবাল হোসেনকে গ্রেপ্তার

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৯:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মার্চ ২০১৯
  • ৫১ বার পড়া হয়েছে

র্স্টাফ রির্পোটার ঃ ডিবির পুলিশের মামলায় ফতুল্লার তেল চোর ইকবাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশের একটি টিম। শুক্রবার (১৫ মার্চ) ফতুল্লা লঞ্চঘাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তেল চোর আসামী ইকবাল হোসেন তেল চুরির ঘটনা স্বীকার করে এবং অন্যের প্ররোচনায় ডিবি পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে স্বীকার করে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাওসার আলমের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে। নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ এর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানানো হয়।নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে তথা ভূমিদস্যু, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, জঙ্গীবাদ, জুট সন্ত্রাসী সহ মাদক ও তেল চোরাকারবারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে। যা আরো বেগবান করা হয়েছে। এ সময় তিনি নারায়ণগঞ্জের সম্মানিত নাগরিকবৃন্দদেরকে অন্যায়-অপরাধ সম্পর্কিত তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগীতা করার আহ্বান করেন।
উল্লেখ্য চাঁদা না দেয়ায় গোডাউনের তালা ভেঙ্গে ৭২ ব্যারেল তেল নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ এনে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের দুই অফিসার ও তাদের সোর্স আনোয়ারের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।গত বুধবার (১২ মার্চ) নারায়ণগঞ্জের বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী “খ” অঞ্চল আদালতে মামলাটি দায়ের করেন তেল ব্যবসায়ী ফতুল্লার ইকবাল চৌধুরী।মামলায় ডিবি’র সোর্স আনোয়ারকে প্রধান আসামী করে ডিবি পুলিশের এস.আই আলমগীর ও এ.এস.আই জাহাঙ্গীকে আসামী করা হয়েছে।মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মামলার বাদী ইকবাল চৌধুরী ফতুল্লা বালুর ঘাট এলাকায় চৌধুরী এন্টারপ্রাইজ নামে লাইসেন্সকৃত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তেলের ব্যবসা করে আসছে। ১০ মার্চ (রোববার) বিকেল ৫টার দিকে ডিবি পুলিশের এস.আই আলমগীর ও এ.এস আই জাহাঙ্গীর একটি হাইয়েস গাড়ী নিয়ে ইকবাল চৌধুরীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আসে। এসময় তাদের সাথে সোর্স আনোয়ার ছিলো। প্রতিষ্ঠানে ইকবাল চৌধুরী না থাকায় তার ভাই রুবেল চৌধুরীর কাছে ইকবাল চৌধুরীর খোঁজ চায় তারা। একপর্যায়ে তাদের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় এস.আই আলমগীর, এ.এস.আই জাহাঙ্গীর ও সোর্স আনোয়ার ওই প্রতিষ্ঠানের গোডাউনের তালা ভেঙ্গে সেখান থেকে ৭২ বেরেল তেল বের করে ৩টি ট্রাকে উঠিয়ে নিয়ে যায়।ব্যবসায়ী ইকবাল চৌধুরীর দাবি, তিনি অনুমোদন নিয়েই তেল মজুদ করে ছিলেন এবং বৈধ ভাবে তেলের ব্যবসা পরিচালনা করছেন।অন্যদিকে, অভিযানে ৫৭ ড্রাম চোরাই জ্বালানি তেল জব্দ করা হয় বলে দাবী করছে ডিবি। উক্ত ৫৭ ড্রামের মধ্যে ৭ হাজার ৬’শ লিটার ডিজেল, ৩ হাজার ৬০ লিটার অকটেন ও ৩’শ ৬০ লিটার পেট্রোল মজুদ আছে বলে জানায় পুলিশ। চোরাই তেল উদ্ধারের ঘটনায় ডিবির এসআই আব্দুল জলিল মাতুব্বর বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় গোডাউনের মালিক ইকবাল হোসেন চৌধুরী সহ রুবেল, কামাল হোসেন, লোকমান হোসেন রাসেল, ইব্রাহিম সহ ১৫/১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ডিবির পুলিশের মামলায় ফতুল্লার তেল চোর ইকবাল হোসেনকে গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০২:৫৯:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মার্চ ২০১৯

র্স্টাফ রির্পোটার ঃ ডিবির পুলিশের মামলায় ফতুল্লার তেল চোর ইকবাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশের একটি টিম। শুক্রবার (১৫ মার্চ) ফতুল্লা লঞ্চঘাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তেল চোর আসামী ইকবাল হোসেন তেল চুরির ঘটনা স্বীকার করে এবং অন্যের প্ররোচনায় ডিবি পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে স্বীকার করে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাওসার আলমের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে। নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ এর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানানো হয়।নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে তথা ভূমিদস্যু, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, জঙ্গীবাদ, জুট সন্ত্রাসী সহ মাদক ও তেল চোরাকারবারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে। যা আরো বেগবান করা হয়েছে। এ সময় তিনি নারায়ণগঞ্জের সম্মানিত নাগরিকবৃন্দদেরকে অন্যায়-অপরাধ সম্পর্কিত তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগীতা করার আহ্বান করেন।
উল্লেখ্য চাঁদা না দেয়ায় গোডাউনের তালা ভেঙ্গে ৭২ ব্যারেল তেল নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ এনে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের দুই অফিসার ও তাদের সোর্স আনোয়ারের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।গত বুধবার (১২ মার্চ) নারায়ণগঞ্জের বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী “খ” অঞ্চল আদালতে মামলাটি দায়ের করেন তেল ব্যবসায়ী ফতুল্লার ইকবাল চৌধুরী।মামলায় ডিবি’র সোর্স আনোয়ারকে প্রধান আসামী করে ডিবি পুলিশের এস.আই আলমগীর ও এ.এস.আই জাহাঙ্গীকে আসামী করা হয়েছে।মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মামলার বাদী ইকবাল চৌধুরী ফতুল্লা বালুর ঘাট এলাকায় চৌধুরী এন্টারপ্রাইজ নামে লাইসেন্সকৃত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তেলের ব্যবসা করে আসছে। ১০ মার্চ (রোববার) বিকেল ৫টার দিকে ডিবি পুলিশের এস.আই আলমগীর ও এ.এস আই জাহাঙ্গীর একটি হাইয়েস গাড়ী নিয়ে ইকবাল চৌধুরীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আসে। এসময় তাদের সাথে সোর্স আনোয়ার ছিলো। প্রতিষ্ঠানে ইকবাল চৌধুরী না থাকায় তার ভাই রুবেল চৌধুরীর কাছে ইকবাল চৌধুরীর খোঁজ চায় তারা। একপর্যায়ে তাদের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় এস.আই আলমগীর, এ.এস.আই জাহাঙ্গীর ও সোর্স আনোয়ার ওই প্রতিষ্ঠানের গোডাউনের তালা ভেঙ্গে সেখান থেকে ৭২ বেরেল তেল বের করে ৩টি ট্রাকে উঠিয়ে নিয়ে যায়।ব্যবসায়ী ইকবাল চৌধুরীর দাবি, তিনি অনুমোদন নিয়েই তেল মজুদ করে ছিলেন এবং বৈধ ভাবে তেলের ব্যবসা পরিচালনা করছেন।অন্যদিকে, অভিযানে ৫৭ ড্রাম চোরাই জ্বালানি তেল জব্দ করা হয় বলে দাবী করছে ডিবি। উক্ত ৫৭ ড্রামের মধ্যে ৭ হাজার ৬’শ লিটার ডিজেল, ৩ হাজার ৬০ লিটার অকটেন ও ৩’শ ৬০ লিটার পেট্রোল মজুদ আছে বলে জানায় পুলিশ। চোরাই তেল উদ্ধারের ঘটনায় ডিবির এসআই আব্দুল জলিল মাতুব্বর বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় গোডাউনের মালিক ইকবাল হোসেন চৌধুরী সহ রুবেল, কামাল হোসেন, লোকমান হোসেন রাসেল, ইব্রাহিম সহ ১৫/১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।