নারায়ণগঞ্জ ০২:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সুবিধাবাদী বিএনপি নেতাদের শেল্টারে আওয়ামী দোসর মাসুম রূপগঞ্জে শিক্ষকের উপর হামলার ঘটনায় মামলা; ছাত্র গ্রেফতার সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১৯ রূপগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে যুবদল নেতা নিহত ১৪৫ বছরের সার্বজনীন লক্ষ্মী মন্দির সহ নারায়ণগঞ্জ সদরের বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন ডিসি মোঃ রায়হান কবির রূপগঞ্জের স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে পল্লী চিকিৎসকদের সহযোগিতা প্রয়োজন: তানসিভ জুবায়ের সোনারগাঁয়ে ১০১ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নারায়ণগঞ্জ ডিসি ও এসপিকে জার্নালিস্ট ইউনিটির সম্মাননা স্মারক প্রদান রূপগঞ্জে জালিয়াতি ও ভুয়া দলিলে জমি দখলের প্রতিবাদে মানবববন্ধন ও স্মারকলিপি সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২২ জন গ্রেপ্তার, ৬০ পিস ইয়াবা উদ্ধার

নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের আইকন মোবারক হোসাইন: নেতৃত্বে দেখতে চায় তৃণমূল

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটি দীর্ঘদিন ধরে বিলুপ্ত। স্থবিরতা কাটিয়ে জেলা ছাত্রদলের কার্যক্রম চাঙ্গা করতে আসছে নতুন কমিটি। কমিটির নেতৃত্বে কারা আসছেন, তা চূড়ান্ত করতে বর্তমানে নিবিড়ভাবে কাজ করছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। সংগঠনকে গতিশীল করতে যোগ্য, মেধাবী ও পরীক্ষিত নেতৃত্বের যাচাই-বাছাই চলছে জোরকদমে।

​সম্ভাব্য পদপ্রত্যাশীরা যখন নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণে ব্যস্ত, তখন তৃণমূলের সাধারণ নেতাকর্মীদের মাঝে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে এক নির্ভীক ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিকের নাম—মোবারক হোসাইন। আড়াইহাজার উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মোবারক হোসাইন তার ত্যাগ ও সততার মাধ্যমে নিজেকে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদের অন্যতম শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

বিগত ১৭ বছরের আওয়ামী স্বৈরাচারী শাসনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন মোবারক হোসাইন। অসংখ্য হামলা-মামলা আর জেল-জুলুম সহ্য করেও তিনি জাতীয়তাবাদী আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। নেতাকর্মীদের মতে, যখন অনেকে রাজনৈতিক প্রতিকূলতায় কোণঠাসা ছিলেন, তখন মোবারক হোসাইন আড়াইহাজারসহ জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ছাত্রদলকে শক্তিশালী করতে দিনরাত পরিশ্রম করেছেন। তার এই আপসহীন মনোভাবই তাকে জেলাজুড়ে ছাত্রদের মাঝে এক পরিচিত মুখ ও ‘আইকন’ হিসেবে তুলে ধরেছে।

​মোবারক হোসাইনের সবচেয়ে বড় পরিচয় তিনি একজন ‘কর্মীবান্ধব’ নেতা। কর্মীদের সুখ-দুঃখে ছায়ার মতো পাশে থাকা এবং সাধারণ মানুষের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়া তার মজ্জাগত স্বভাব। সামাজিক কর্মকাণ্ডে ব্যাপক অংশগ্রহণ এবং সাধারণ মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করার ফলে তিনি কেবল ছাত্রসমাজ নয়, বরং সাধারণ মানুষের মাঝেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।

​রাজনীতিতে স্বচ্ছতা ও সততার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত মোবারক হোসাইন। কোনো প্রকার নেতিবাচক কর্মকাণ্ড বা চাঁদাবাজিতে তার নাম জড়ায়নি কখনো। তার এই ‘ক্লিন ইমেজ’ বা পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তিই তাকে অন্যান্যদের থেকে আলাদা করেছে। সাধারণ ছাত্ররা মনে করছেন, ছাত্রদলকে একটি আধুনিক, মেধাবী ও সুশৃঙ্খল ইউনিট হিসেবে গড়তে মোবারক হোসাইনের মতো ত্যাগী নেতৃত্বের বিকল্প নেই।

​নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ কর্মীরা জানান, মোবারক হোসাইন এমন একজন নেতা যিনি তৃণমূলের স্পন্দন বোঝেন। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ও আড়াইহাজার উপজেলা ছাত্রদলের সফল অভিজ্ঞতা জেলা পর্যায়ে কাজে লাগালে ছাত্রদল আরও শক্তিশালী হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে রাজপথের আড্ডা—সবখানেই এখন ধ্বনিত হচ্ছে একটিই দাবি: রাজপথের লড়াকু সৈনিক মোবারক হোসাইনের হাতেই উঠুক জেলা ছাত্রদলের নেতৃত্বের ব্যাটন।

​ নিজের প্রার্থিতা ও আলোচনা প্রসঙ্গে মোবারক হোসাইন বলেন, আমরা অনেকেই পদপ্রত্যাশী। তবে ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক দেশনায়ক তারেক রহমান ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার জন্য যে সিদ্ধান্ত নেবেন, আমরা কর্মীরা সেটাই শিরোধার্য মনে করবো। সংগঠনের ঐক্য রক্ষা এবং দেশের মানুষের ভোটাধিকার ও মৌলিক অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে আমরা সর্বদা প্রস্তুত।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সুবিধাবাদী বিএনপি নেতাদের শেল্টারে আওয়ামী দোসর মাসুম

নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের আইকন মোবারক হোসাইন: নেতৃত্বে দেখতে চায় তৃণমূল

আপডেট সময় : ০৫:৩৮:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটি দীর্ঘদিন ধরে বিলুপ্ত। স্থবিরতা কাটিয়ে জেলা ছাত্রদলের কার্যক্রম চাঙ্গা করতে আসছে নতুন কমিটি। কমিটির নেতৃত্বে কারা আসছেন, তা চূড়ান্ত করতে বর্তমানে নিবিড়ভাবে কাজ করছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। সংগঠনকে গতিশীল করতে যোগ্য, মেধাবী ও পরীক্ষিত নেতৃত্বের যাচাই-বাছাই চলছে জোরকদমে।

​সম্ভাব্য পদপ্রত্যাশীরা যখন নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণে ব্যস্ত, তখন তৃণমূলের সাধারণ নেতাকর্মীদের মাঝে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে এক নির্ভীক ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিকের নাম—মোবারক হোসাইন। আড়াইহাজার উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মোবারক হোসাইন তার ত্যাগ ও সততার মাধ্যমে নিজেকে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদের অন্যতম শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

বিগত ১৭ বছরের আওয়ামী স্বৈরাচারী শাসনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন মোবারক হোসাইন। অসংখ্য হামলা-মামলা আর জেল-জুলুম সহ্য করেও তিনি জাতীয়তাবাদী আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। নেতাকর্মীদের মতে, যখন অনেকে রাজনৈতিক প্রতিকূলতায় কোণঠাসা ছিলেন, তখন মোবারক হোসাইন আড়াইহাজারসহ জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ছাত্রদলকে শক্তিশালী করতে দিনরাত পরিশ্রম করেছেন। তার এই আপসহীন মনোভাবই তাকে জেলাজুড়ে ছাত্রদের মাঝে এক পরিচিত মুখ ও ‘আইকন’ হিসেবে তুলে ধরেছে।

​মোবারক হোসাইনের সবচেয়ে বড় পরিচয় তিনি একজন ‘কর্মীবান্ধব’ নেতা। কর্মীদের সুখ-দুঃখে ছায়ার মতো পাশে থাকা এবং সাধারণ মানুষের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়া তার মজ্জাগত স্বভাব। সামাজিক কর্মকাণ্ডে ব্যাপক অংশগ্রহণ এবং সাধারণ মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করার ফলে তিনি কেবল ছাত্রসমাজ নয়, বরং সাধারণ মানুষের মাঝেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।

​রাজনীতিতে স্বচ্ছতা ও সততার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত মোবারক হোসাইন। কোনো প্রকার নেতিবাচক কর্মকাণ্ড বা চাঁদাবাজিতে তার নাম জড়ায়নি কখনো। তার এই ‘ক্লিন ইমেজ’ বা পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তিই তাকে অন্যান্যদের থেকে আলাদা করেছে। সাধারণ ছাত্ররা মনে করছেন, ছাত্রদলকে একটি আধুনিক, মেধাবী ও সুশৃঙ্খল ইউনিট হিসেবে গড়তে মোবারক হোসাইনের মতো ত্যাগী নেতৃত্বের বিকল্প নেই।

​নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ কর্মীরা জানান, মোবারক হোসাইন এমন একজন নেতা যিনি তৃণমূলের স্পন্দন বোঝেন। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ও আড়াইহাজার উপজেলা ছাত্রদলের সফল অভিজ্ঞতা জেলা পর্যায়ে কাজে লাগালে ছাত্রদল আরও শক্তিশালী হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে রাজপথের আড্ডা—সবখানেই এখন ধ্বনিত হচ্ছে একটিই দাবি: রাজপথের লড়াকু সৈনিক মোবারক হোসাইনের হাতেই উঠুক জেলা ছাত্রদলের নেতৃত্বের ব্যাটন।

​ নিজের প্রার্থিতা ও আলোচনা প্রসঙ্গে মোবারক হোসাইন বলেন, আমরা অনেকেই পদপ্রত্যাশী। তবে ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক দেশনায়ক তারেক রহমান ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার জন্য যে সিদ্ধান্ত নেবেন, আমরা কর্মীরা সেটাই শিরোধার্য মনে করবো। সংগঠনের ঐক্য রক্ষা এবং দেশের মানুষের ভোটাধিকার ও মৌলিক অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে আমরা সর্বদা প্রস্তুত।