সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জে ভূমি পল্লী আবাসন এলাকায় ফ্যাসিবাদের দোসররা বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজিসহ আধিপত্য বিস্তার করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিকে পুঁজি করে ভূমি মন্ত্রণালয় কর্মকর্তা ও কর্মচারী বহুমুখী সমবায় সমিতির কর্মকর্তাদের জিম্মি করে নিজেদের অপরাধ অন্যের উপর চাপিয়ে ফায়তা হাসিলের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, আওয়ামী লীগের দোসর ভূমি পল্লীর কয়েকজন বাড়ি মালিক বহিরাগত লোকজন নিয়ে গত ৩১ জানুয়ারি ভূমি পল্লী সমিতির অফিস ঘেরাও করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করার জন্য সমিতির নিয়োগপ্রাপ্ত মোহাম্মদ জিয়াউল হক ভূঁইয়াকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিতে বাধ্য করেন। তাদের এমন ফ্যাসিবাদী কর্মকা- নিয়ে জাতীয় ও স্থানীয় বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর অপকর্মকারীরা নিজেদের দায় আড়াল করতে ভূক্তভোগী জিয়াউল হকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও মামলা-বাণিজ্যের মিথ্যা অভিযোগ তুলে অনলাইন পোর্টালে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন জিয়াউল হক।
জিয়াউল হক বলেন, ভূমি পল্লীতে সমিতির সিদ্ধান্তের বাইরে কেউ ব্যক্তিগত উদ্যোগে কিছু করার সুযোগ নেই। কারণ সমস্ত পল্লীর সবকিছু নিয়ন্ত্রণ হয় সমিতির সিদ্ধান্তে। ভূমি পল্লীর ভেতরের স্থায়ী ও অস্থায়ী দোকানের ভাড়ার টাকা আদায় করা হয় সমিতি রশিদের মাধ্যমে। আমি দায়িত্বে থাকা কালে সমিতির রশিদের মাধ্যমে ভাড়া আদায় করে সমিতির তহবিলে জমা দিয়েছি। তাই আওয়ামী লীগের দোসরদের অভিযোগ আমলে নেয়নি সমিতি কর্তপক্ষ। আমাকে অন্যায়ভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে ফ্যাসিবাদের দোসরদের ষড়যন্ত্রের কারণে। তারা সুবিধাবাদী বহিরাগত লোক নিয়ে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে সমিতির কর্মকর্তাদের তোপের মুখে ফেলে আমাকে অব্যাহতি দিতে বাধ্য করে। যা সমতির সাধারণ সম্পাদক মো. জামাল উদ্দিন খান গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে স্বীকার করেছেন যে, কোন অভিযোগে নয়, জিয়াউল হককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে পল্লীর কিছু বাড়ির মালিকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে।
জিয়াউল হক আরো বলেন, ভূমি পল্লী জামে মসজিদের কথিত খতিব মোনাজাত বন্ধ করাতে একজন ধর্ম প্রাণ মুসলমান হিসেবে আমি প্রতিবাদ করায় আমার উপর হামলা ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলা করে। যার নং- ২০/২০২০। তাদের এ জুলম অত্যাচারের প্রতিবাদে আমি ২০২০ সালে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করি।
জিয়াউল হক বলেন, প্রকৃত সত্য হলো-১ নং সড়কের বাড়ির মালিক সোলায়মান ও ৪ নং সড়কের ওমর ফারুক সোহেল সমিতির সার্ভিস চার্জ দেয়নি। ফলে সোহেলের কাছে প্রায় ২৬ হাজার ও সোলায়মানের কাছে ১৩ হাজার টাকা বকেয়া জমে যায়। বকেয়া পরিশোধের জন্য তাগিদ দেওয়াতে তারা সিণ্ডিকেট করে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে পল্লীতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার অপচেষ্টা ও অপপ্রচার চালাচ্ছে।
প্রতিনিধির নাম 







