অনলাইন ডেস্ক: শেষ লগ্নে কাতার বিশ্বকাপ। চুকিয়ে দেবার পালা সব হিসাব নিকাশ। আর্জেন্টিনা ভার্সেস ফ্রান্স আসল লড়াইটা লিওনেল মেসি বনাম কিলিয়ান এমবাপে। ফাইনাল ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেবে এই দুই প্লে মেকার।
একদিকে লিও মেসির প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের হাতছানি, অন্যদিকে এমবাপের ডাবল শিরোপা জয়। কার ক্যারিশমায় হবে বাজিমাত? ফুটবল দুনিয়ার দুই সুপারস্টার। বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় এপেটাইজার। গ্র্যান্ড ফিনালের মেইন ইনগ্রেডিয়েন্টস সুপার সানডেতে ব্লকবাস্টার ম্যাটিনি শো। একদিকে কিলিয়ান এমবাপে ম্যাজিক, অন্যপাড়ে ক্যামেরাবন্দী হবে মেসি মোমেন্টস।
এলএমটেন-কেএমটেন দুটি নাম, দুটি শক্ত কাঁধ। যাদের উপর ভর করে দুটি দেশ ভাসতে চায় সুখের ভেলায়। একজন লিড করছেন নেক্সট জেনারেশনের ফুটবলারদের আরেকজন বাধছেন জেনারেশন শেষের সুর। ক্লাব ফুটবলে একে অন্যের সারথি তবে আজ এমবাপের সৈন্যদল দাঁড়িয়ে মেসির নৌকোর মুখোমুখি। ঠিক যেন বাঁচার লড়াই।
দুজনের খেলার ধরণ একেবারেই ভিন্ন। এমবাপের শক্তি পাওয়ার এন্ড পেস আর মেসিতো বল পায়ে মাঠে সৃষ্টি করেন সুই-সুতোর বুনন। দুই হিরোর এই রাইভাল যেন শক্তি ভার্সেস পারফেকশন।
কাতার বিশ্বকাপে একে অন্যের উপর ফেলছে গরম নি:শ্বাস। গোল-প্রত্যাশিত গোলের হিসেবে লিও মেসি আপার হ্যান্ড। লিওনেল মেসি যেন একাই একশো। এমবাপের পাঁচ গোল গ্রিজম্যানের তিন অ্যাসিস্ট। দুজনের পারফরম্যান্স এলএমটেনের বাঁ পায়ের খেল।
প্রতিপক্ষের ডেরায় চান্স ক্রিয়েট, অন টার্গেট শট, ড্রিবলিং,অ্যাটাকিং থার্ডে পাস ৩৫ বছরের মেসির কাছে ২৩ বছরে এমবাপে এখনো ঢের পিছিয়ে।
শেষ বিশ্বকাপে মেসির সামনে প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের ইশারা। এক যুগ ছোট কিলিয়ান এমবাপে আছেন টানা দুই বিশ্বকাপ জিতে এলিট গ্রুপে জায়গা করার অপেক্ষায়। এ লড়াই সেই সে লড়াই, সকল লড়াই ঘুচিয়ে দেবার, এ লড়াই বহু দিনের বাকির হিসেব চুকিয়ে দেবার।
প্রতিনিধির নাম 




















