নারায়ণগঞ্জ ০১:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শীঘ্রই কুতুবপুরে মাদক-সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান: এসপি মিজানুর রহমান মুন্সি যুবদল নেতার দখলে থাকা তাঁতি লীগ নেতার অফিস এখন মাদকের আখড়া! নারায়ণগঞ্জে কল্যাণী খাল দখলমুক্ত করতে জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান অভিযানে ৩ দোকানে পলিথিন ব্যাগ রাখায় জব্দসহ জরিমানা যুক্তির সমীরণে প্রাচ্যের ডান্ডি’: নারায়ণগঞ্জে ১৫ জুন শুরু হচ্ছে উপজেলা বিতর্ক উৎসব-২০২৬ জলাবদ্ধতা ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে ড্রেন পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিদর্শনে ইউএনও ফয়েজ উদ্দিন মেঘনার পানি আসছে ঢাকায়: ১০ হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্প উদ্বোধনের অপেক্ষায় বাজেটে তিনটি বিষয় গুরুত্ব না দিলে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার সম্ভব নয় : বিকেএমইএ সভাপতি জামায়াতে ইসলামী প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না- মাওলানা আবদুল জব্বার নারায়ণগঞ্জে শব্দ দূষণবিরোধী অভিযান: ৪ যানবাহনকে জরিমানা, হর্ন জব্দ

ভারতের আনুকূল্যে সরকার ক্ষমতায় আছে: মির্জা ফখরুল

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৭:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ অগাস্ট ২০২২
  • ২৪৫ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক :  পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায়ই প্রমাণ হয় যে আওয়ামী লীগ সরকার ভারতের আনুকূল্যে টিকে আছে, যে সরকার অন্যের জোরে টিকে আছে, তাদের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার (২০ আগস্ট) সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব) আয়োজিত মানববন্ধন তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, নজিরবিহীন লোডশেডিং, জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধি এবং হত্যা, গুম, দমন-পীড়নের প্রতিবাদে এ মানববন্ধন হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিজের বক্তব্যে অটল। উনি সেটার ব্যাখাও দিয়েছেন। এর মানে দাঁড়ায় ভারতের আনুকূল্যে এ সরকার ক্ষমতায় আছে। এখন সাধারণ মানুষ না খেয়ে থাকছে। দিন দিন দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। তবে ভালো আছে লুটেরা এলিট শ্রেণি। তারা সবাই আওয়ামী লীগের সঙ্গে জড়িত।

তিনি বলেন, এ সরকার লুটেরা সরকার। তাদের সঙ্গে মানুষের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা দেশের সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসই করে না। এ অবস্থায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের ব্যাখা জানতে চায় বিএনপি।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, বিচারপতি খায়রুল হক সাহেব সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে অস্থিতিশীল রাষ্ট্রে পরিণত করেছেন। এখন আর নির্বাচনের কথা নয়, বর্তমান সরকার কবে যাবে, সেটাই একমাত্র দাবি।

জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের বাংলাদেশ সফর সম্পর্কে তিনি বলেন, জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনকে বারবার দেশে আনতে চাইলেও সরকার অনুমতি দেয়নি। সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন বলে সরকার এখন অনুমতি দিয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বড় আপরাধ হলো বাংলাদেশের আত্নকে ধ্বংস করে দিয়েছে। দেশের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে। এখন আর কোনো নির্বাচনী কথা নয়, একটাই দাবি সরকার কবে যাবে। সেই সঙ্গে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। নিরপেক্ষ ইসি প্রতিষ্ঠা করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে একদিন কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। যারা বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ভূমিকাকে অস্বীকার করে, তারা বাংলাদেশকেই অস্বীকার করে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

শীঘ্রই কুতুবপুরে মাদক-সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান: এসপি মিজানুর রহমান মুন্সি

ভারতের আনুকূল্যে সরকার ক্ষমতায় আছে: মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় : ০৭:৫৭:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ অগাস্ট ২০২২

অনলাইন ডেস্ক :  পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায়ই প্রমাণ হয় যে আওয়ামী লীগ সরকার ভারতের আনুকূল্যে টিকে আছে, যে সরকার অন্যের জোরে টিকে আছে, তাদের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার (২০ আগস্ট) সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব) আয়োজিত মানববন্ধন তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, নজিরবিহীন লোডশেডিং, জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধি এবং হত্যা, গুম, দমন-পীড়নের প্রতিবাদে এ মানববন্ধন হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিজের বক্তব্যে অটল। উনি সেটার ব্যাখাও দিয়েছেন। এর মানে দাঁড়ায় ভারতের আনুকূল্যে এ সরকার ক্ষমতায় আছে। এখন সাধারণ মানুষ না খেয়ে থাকছে। দিন দিন দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। তবে ভালো আছে লুটেরা এলিট শ্রেণি। তারা সবাই আওয়ামী লীগের সঙ্গে জড়িত।

তিনি বলেন, এ সরকার লুটেরা সরকার। তাদের সঙ্গে মানুষের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা দেশের সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসই করে না। এ অবস্থায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের ব্যাখা জানতে চায় বিএনপি।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, বিচারপতি খায়রুল হক সাহেব সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে অস্থিতিশীল রাষ্ট্রে পরিণত করেছেন। এখন আর নির্বাচনের কথা নয়, বর্তমান সরকার কবে যাবে, সেটাই একমাত্র দাবি।

জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের বাংলাদেশ সফর সম্পর্কে তিনি বলেন, জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনকে বারবার দেশে আনতে চাইলেও সরকার অনুমতি দেয়নি। সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন বলে সরকার এখন অনুমতি দিয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বড় আপরাধ হলো বাংলাদেশের আত্নকে ধ্বংস করে দিয়েছে। দেশের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে। এখন আর কোনো নির্বাচনী কথা নয়, একটাই দাবি সরকার কবে যাবে। সেই সঙ্গে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। নিরপেক্ষ ইসি প্রতিষ্ঠা করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে একদিন কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। যারা বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ভূমিকাকে অস্বীকার করে, তারা বাংলাদেশকেই অস্বীকার করে।