নারায়ণগঞ্জ ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রচণ্ড রৌদ্রের প্রখরতায় পথচারী, শ্রমজীবী ও ট্রাফিকদের জন্য ডিসি ও এসপির মানবিক উদ্যোগ সর্ব মহলে প্রশংসিত শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ১৩৬ তম তিরোধান উৎসব উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত ব্রিফিং ইসলামী ব্যাংক ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর মানববন্ধন কাশিপুর কল্যাণী খালের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ সহ খাল পুনঃখনন শুরু, তৎপর সদর উপজেলা প্রশাসন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও বিক্রি: ফতুল্লার সুন্দরবন রেস্তোরাঁর মালিক গ্রেপ্তার ডেঙ্গু ও জলাবদ্ধতা রোধে নারায়ণগঞ্জে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ডিসি মো:রায়হান কবির সিদ্ধিরগঞ্জে ২ কোটি টাকা চাঁদার দাবিতে নির্মাণ সামগ্রী লুটের অভিযোগ যুবদল নেতার ২০ হাজার ছিন্নমূল মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ ঈদুল আজহায় নারায়ণগঞ্জবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী আহত সাংবাদিককে দেখতে আর্থিক সহায়তা নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের

সিদ্ধিরগঞ্জে ভূয়া সনদে সরকারি স্কুলের সভাপতি হওয়ার অভিযোগ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৩:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ জুলাই ২০২২
  • ৩৩৬ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :সিদ্ধিরগঞ্জে একটি সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নিজের কব্জায় রেখে দুর্নীতির আঁখড়া বানিয়েছে পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি জসিম উদ্দিন জসু। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে যোগ্যতা না থাকা সত্তেও সভাপতির পদ দখল করে রেখেছেন তিনি। অভিযোগ উঠেছে, স্নাতক ডিগ্রী না থাকলেও ভূয়া সার্টিফিকেট দেখিয়ে ফের সভাপতি হয়েছে জসিম উদ্দিন।
জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হওয়ার জন্য ন্যূনতম শিাগত যোগ্যতা স্নাতক ডিগ্রী প্রয়োজন। কিন্তু সরকারি নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে ভূয়া স্নাতক ডিগ্রী সার্টিফিকেট জমা দিয়ে জসিম উদ্দিন সজু দ্বিতীয় দফা মিজমিজি পশ্চিমপাড়া ১০১ নং সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হয়েছেন। অযোগ্য এই সভাপতির বিরুদ্ধে বিনা কারণে শিকদের সাথে অসদাচরণ ও বিদ্যালয়ের গাছ বিক্রি করে টাকা আতœসাতের অভিযোগ রয়েছে। স্কুলটিতে তিনি এমনভাবে আধিপত্য বিস্তার করেছেন যে, তার ভয়ে প্রধান শিকসহ কেহ প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেন না। বিগত দিনে দুই শিক্ষিকার মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করে বিশৃঙ্খলা ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করে স্কুলটির সুনাম ক্ষুন্ন করার মূল নাটেরগুরু ছিলেন এই জসিম উদ্দিন। তাছাড়া তার বিরুদ্ধে স্কুলের আয় ব্যয়ের হিসেব সঠিকভাবে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নারী শিক্ষিকাদের প্রতি তার আচরণে সালিনতা নেই বলে জানা গেছে।
অভিভাবকদের মতে,সরকারি বিধান মতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির নিতিমালা অনুযায়ী পরিচালনা পর্যদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়া উচিৎ। জাল সার্টিফিটেক স্যু করে কেউ সভাপতির দায়িত্ব পালন করা কাম্য নয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক মুজাম্মেল হোসেন বলেন, আমার জানা মতে সভাপতি স্নাতক পাসের সার্টিফিকেট অফিসে জমা দিয়েছেন। তা জালকিনা আমার জানা নেই।
এবিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের সভাপতি জসিম উদ্দিন জসু বলেন, বিষয়টি নিয়ে আপনার এত মাথা ব্যাথা কেন। স্কুলের অনিয়ম দেখার জন্য সরকারি সংশ্লিষ্ট দপ্তর রয়েছে। আপনার যা ইচ্ছে তা করেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রচণ্ড রৌদ্রের প্রখরতায় পথচারী, শ্রমজীবী ও ট্রাফিকদের জন্য ডিসি ও এসপির মানবিক উদ্যোগ সর্ব মহলে প্রশংসিত

সিদ্ধিরগঞ্জে ভূয়া সনদে সরকারি স্কুলের সভাপতি হওয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:২৩:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ জুলাই ২০২২

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :সিদ্ধিরগঞ্জে একটি সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নিজের কব্জায় রেখে দুর্নীতির আঁখড়া বানিয়েছে পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি জসিম উদ্দিন জসু। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে যোগ্যতা না থাকা সত্তেও সভাপতির পদ দখল করে রেখেছেন তিনি। অভিযোগ উঠেছে, স্নাতক ডিগ্রী না থাকলেও ভূয়া সার্টিফিকেট দেখিয়ে ফের সভাপতি হয়েছে জসিম উদ্দিন।
জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হওয়ার জন্য ন্যূনতম শিাগত যোগ্যতা স্নাতক ডিগ্রী প্রয়োজন। কিন্তু সরকারি নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে ভূয়া স্নাতক ডিগ্রী সার্টিফিকেট জমা দিয়ে জসিম উদ্দিন সজু দ্বিতীয় দফা মিজমিজি পশ্চিমপাড়া ১০১ নং সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হয়েছেন। অযোগ্য এই সভাপতির বিরুদ্ধে বিনা কারণে শিকদের সাথে অসদাচরণ ও বিদ্যালয়ের গাছ বিক্রি করে টাকা আতœসাতের অভিযোগ রয়েছে। স্কুলটিতে তিনি এমনভাবে আধিপত্য বিস্তার করেছেন যে, তার ভয়ে প্রধান শিকসহ কেহ প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেন না। বিগত দিনে দুই শিক্ষিকার মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করে বিশৃঙ্খলা ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করে স্কুলটির সুনাম ক্ষুন্ন করার মূল নাটেরগুরু ছিলেন এই জসিম উদ্দিন। তাছাড়া তার বিরুদ্ধে স্কুলের আয় ব্যয়ের হিসেব সঠিকভাবে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নারী শিক্ষিকাদের প্রতি তার আচরণে সালিনতা নেই বলে জানা গেছে।
অভিভাবকদের মতে,সরকারি বিধান মতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির নিতিমালা অনুযায়ী পরিচালনা পর্যদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়া উচিৎ। জাল সার্টিফিটেক স্যু করে কেউ সভাপতির দায়িত্ব পালন করা কাম্য নয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক মুজাম্মেল হোসেন বলেন, আমার জানা মতে সভাপতি স্নাতক পাসের সার্টিফিকেট অফিসে জমা দিয়েছেন। তা জালকিনা আমার জানা নেই।
এবিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের সভাপতি জসিম উদ্দিন জসু বলেন, বিষয়টি নিয়ে আপনার এত মাথা ব্যাথা কেন। স্কুলের অনিয়ম দেখার জন্য সরকারি সংশ্লিষ্ট দপ্তর রয়েছে। আপনার যা ইচ্ছে তা করেন।