নারায়ণগঞ্জ ১০:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রূপগঞ্জে ঢাকা বাইপাস সড়কের আন্ডারপাস ও জেব্রা ক্রসিংয়ের দাবিতে মানববন্ধন ও অবরোধ শ্রমিক অসন্তোষ নিরসন সহ শিল্পাঞ্চলে স্বস্তি ফেরাতে মাঠে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন যখন যে দল ক্ষমতায় আসে সে দলে মিশে যায় বহুরূপী বাচ্চু নাসিক ৩ নং ওয়ার্ডে বেপরোয়া ভূমিখেকো বাচ্চু শান্তিপূর্ণ দুর্গোৎসব উদযাপনে এসপি হাবিবুর রহমানকে পূজা উদযাপন পরিষদের শুভেচ্ছা ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় একযোগে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান যুবলীগ, না যুবদল—রূপগঞ্জে আজিজুল মালুমকে ঘিরে রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন অসহায় নারীকে স্বাবলম্বী করতে সেলাই মেশিন দিয়ে পাশে দাঁড়ালেন নারায়ণগঞ্জ ডিসি ওয়াজ থেকে ফেরার পথে ডাকাতির মুখে ইসলামি বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১২

সিদ্ধিরগঞ্জে ভূয়া সনদে সরকারি স্কুলের সভাপতি হওয়ার অভিযোগ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৩:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ জুলাই ২০২২
  • ৩৮৮ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :সিদ্ধিরগঞ্জে একটি সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নিজের কব্জায় রেখে দুর্নীতির আঁখড়া বানিয়েছে পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি জসিম উদ্দিন জসু। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে যোগ্যতা না থাকা সত্তেও সভাপতির পদ দখল করে রেখেছেন তিনি। অভিযোগ উঠেছে, স্নাতক ডিগ্রী না থাকলেও ভূয়া সার্টিফিকেট দেখিয়ে ফের সভাপতি হয়েছে জসিম উদ্দিন।
জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হওয়ার জন্য ন্যূনতম শিাগত যোগ্যতা স্নাতক ডিগ্রী প্রয়োজন। কিন্তু সরকারি নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে ভূয়া স্নাতক ডিগ্রী সার্টিফিকেট জমা দিয়ে জসিম উদ্দিন সজু দ্বিতীয় দফা মিজমিজি পশ্চিমপাড়া ১০১ নং সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হয়েছেন। অযোগ্য এই সভাপতির বিরুদ্ধে বিনা কারণে শিকদের সাথে অসদাচরণ ও বিদ্যালয়ের গাছ বিক্রি করে টাকা আতœসাতের অভিযোগ রয়েছে। স্কুলটিতে তিনি এমনভাবে আধিপত্য বিস্তার করেছেন যে, তার ভয়ে প্রধান শিকসহ কেহ প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেন না। বিগত দিনে দুই শিক্ষিকার মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করে বিশৃঙ্খলা ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করে স্কুলটির সুনাম ক্ষুন্ন করার মূল নাটেরগুরু ছিলেন এই জসিম উদ্দিন। তাছাড়া তার বিরুদ্ধে স্কুলের আয় ব্যয়ের হিসেব সঠিকভাবে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নারী শিক্ষিকাদের প্রতি তার আচরণে সালিনতা নেই বলে জানা গেছে।
অভিভাবকদের মতে,সরকারি বিধান মতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির নিতিমালা অনুযায়ী পরিচালনা পর্যদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়া উচিৎ। জাল সার্টিফিটেক স্যু করে কেউ সভাপতির দায়িত্ব পালন করা কাম্য নয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক মুজাম্মেল হোসেন বলেন, আমার জানা মতে সভাপতি স্নাতক পাসের সার্টিফিকেট অফিসে জমা দিয়েছেন। তা জালকিনা আমার জানা নেই।
এবিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের সভাপতি জসিম উদ্দিন জসু বলেন, বিষয়টি নিয়ে আপনার এত মাথা ব্যাথা কেন। স্কুলের অনিয়ম দেখার জন্য সরকারি সংশ্লিষ্ট দপ্তর রয়েছে। আপনার যা ইচ্ছে তা করেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

রূপগঞ্জে ঢাকা বাইপাস সড়কের আন্ডারপাস ও জেব্রা ক্রসিংয়ের দাবিতে মানববন্ধন ও অবরোধ

সিদ্ধিরগঞ্জে ভূয়া সনদে সরকারি স্কুলের সভাপতি হওয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:২৩:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ জুলাই ২০২২

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :সিদ্ধিরগঞ্জে একটি সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নিজের কব্জায় রেখে দুর্নীতির আঁখড়া বানিয়েছে পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি জসিম উদ্দিন জসু। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে যোগ্যতা না থাকা সত্তেও সভাপতির পদ দখল করে রেখেছেন তিনি। অভিযোগ উঠেছে, স্নাতক ডিগ্রী না থাকলেও ভূয়া সার্টিফিকেট দেখিয়ে ফের সভাপতি হয়েছে জসিম উদ্দিন।
জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হওয়ার জন্য ন্যূনতম শিাগত যোগ্যতা স্নাতক ডিগ্রী প্রয়োজন। কিন্তু সরকারি নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে ভূয়া স্নাতক ডিগ্রী সার্টিফিকেট জমা দিয়ে জসিম উদ্দিন সজু দ্বিতীয় দফা মিজমিজি পশ্চিমপাড়া ১০১ নং সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হয়েছেন। অযোগ্য এই সভাপতির বিরুদ্ধে বিনা কারণে শিকদের সাথে অসদাচরণ ও বিদ্যালয়ের গাছ বিক্রি করে টাকা আতœসাতের অভিযোগ রয়েছে। স্কুলটিতে তিনি এমনভাবে আধিপত্য বিস্তার করেছেন যে, তার ভয়ে প্রধান শিকসহ কেহ প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেন না। বিগত দিনে দুই শিক্ষিকার মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করে বিশৃঙ্খলা ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করে স্কুলটির সুনাম ক্ষুন্ন করার মূল নাটেরগুরু ছিলেন এই জসিম উদ্দিন। তাছাড়া তার বিরুদ্ধে স্কুলের আয় ব্যয়ের হিসেব সঠিকভাবে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নারী শিক্ষিকাদের প্রতি তার আচরণে সালিনতা নেই বলে জানা গেছে।
অভিভাবকদের মতে,সরকারি বিধান মতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির নিতিমালা অনুযায়ী পরিচালনা পর্যদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়া উচিৎ। জাল সার্টিফিটেক স্যু করে কেউ সভাপতির দায়িত্ব পালন করা কাম্য নয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক মুজাম্মেল হোসেন বলেন, আমার জানা মতে সভাপতি স্নাতক পাসের সার্টিফিকেট অফিসে জমা দিয়েছেন। তা জালকিনা আমার জানা নেই।
এবিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের সভাপতি জসিম উদ্দিন জসু বলেন, বিষয়টি নিয়ে আপনার এত মাথা ব্যাথা কেন। স্কুলের অনিয়ম দেখার জন্য সরকারি সংশ্লিষ্ট দপ্তর রয়েছে। আপনার যা ইচ্ছে তা করেন।