নারায়ণগঞ্জ ০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিদ্ধিরগঞ্জে নূর হাবিবের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ট ব্যবসায়ীরা পোশাক রপ্তানিতে ভিয়েতনামকে ছাড়াল বাংলাদেশ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ট্রেন চলাচল বন্ধ ৪ ডিসেম্বর থেকে হিন্দি সিনেমায় জয়া আহসান, নায়ক পঙ্কজ ত্রিপাঠি গ্রুপ সেরা আর্জেন্টিনা, শেষ ষোলয় প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া সিদ্ধিরগঞ্জে জয়নাল বাহিনীর ৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় স্কুলে অনৈতিক আর্থিক সুবিধায় ক্ষমতার চেয়ারে শিক্ষিকা দিলরুবা রূপগঞ্জে ভুল চিকিৎসায় ৭ বছরের মাদ্রাসা পরুয়া শিশুর মৃত্যু ফতুল্লা ওসি’র কন্যা রাইসা জিপিএ ফাইভ পেয়েছেন সোনারগাঁয়ে টেক্সটাইল মিলে ও মিষ্টি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ড

ম্যাজিস্ট্রেট দেখে পালিয়েছে অবৈধ মেলার সর্দার মানিক

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জে জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া অবৈধ মেলা ভেঙ্গে দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কোহিনুর আক্তারের আদলাত বুধবার (১৮ মে) বিকেল ৫ টায় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও থানা পুলিশের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে মেলাটি ভেঙ্গে দেন। এসময় ম্যাজিস্ট্রেট দেখে পালিয়ে যায় মেলার আয়োজক ও সর্দার মানিক। মেলা ভেঙ্গে দেওয়ায় জেলা প্রশাসন ও ম্যাজিস্ট্রেটকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীরা।
জানা গেছে, নাসিক ৩ নং ওয়ার্ডের রসুলবাগ আদর্শনগর এলাকায় মানিক নামে এক ব্যক্তি স্থানীয় প্রভাবশালী মহলকে হাত করে জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই মেলা বসায়। গত শনিবার থেকে শুরু হয় মেলা। সোমবার রাত ৮ টার দিকে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মেলার শেল্টার দাতা স্থানীয় সন্ত্রাসীরা ওই এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে সুজনকে (২২) মারধর ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। এঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ হলেও পুলিশ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ জানায় আহত সুজনের মা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিনোদনের নামে মেলা বসানো হলেও মূলত মাদক ও সন্ধ্যার পড়ে চালানো হত জুয়ার আসর। মাইকে উচ্চস্বরে বাজানো হত অশ্লীল গানবাজনা। কিশোরগ্যাং সদস্য ও বখাটেদের উপদ্রুপে বিব্রত অবস্থায় পড়তে হত মেলায় আগত নারীদের। মেলার বিষয়ে স্থানীয় একাধিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলেও নিরব ছিল সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ। সংবাদ প্রকাশের পর মেলার সর্দার মানিক দাম্ভিকতার সাথে বলে বেড়ায় পুলিশ ঠিক থাকলে পত্রিকায় লিখলে কিছু হয়না।
সিদ্ধিরগঞ্জের দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কোহিনুর আক্তার বলেন, জেলা প্রশাসন থেকে মেলার কোন অনুমতি দেওয়া হয়নি। অবৈধ ভাবে মেলাটি বসানো হয়েছে। অভিযানের সময় মেলার আয়োজকদের পাওয়া যায়নি। অনুমতি না থাকায় মেলা ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে। যদি আবার বসানো হয় তাহলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সিদ্ধিরগঞ্জে নূর হাবিবের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ট ব্যবসায়ীরা

ম্যাজিস্ট্রেট দেখে পালিয়েছে অবৈধ মেলার সর্দার মানিক

আপডেট সময় : ০১:৩৯:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মে ২০২২

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জে জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া অবৈধ মেলা ভেঙ্গে দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কোহিনুর আক্তারের আদলাত বুধবার (১৮ মে) বিকেল ৫ টায় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও থানা পুলিশের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে মেলাটি ভেঙ্গে দেন। এসময় ম্যাজিস্ট্রেট দেখে পালিয়ে যায় মেলার আয়োজক ও সর্দার মানিক। মেলা ভেঙ্গে দেওয়ায় জেলা প্রশাসন ও ম্যাজিস্ট্রেটকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীরা।
জানা গেছে, নাসিক ৩ নং ওয়ার্ডের রসুলবাগ আদর্শনগর এলাকায় মানিক নামে এক ব্যক্তি স্থানীয় প্রভাবশালী মহলকে হাত করে জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই মেলা বসায়। গত শনিবার থেকে শুরু হয় মেলা। সোমবার রাত ৮ টার দিকে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মেলার শেল্টার দাতা স্থানীয় সন্ত্রাসীরা ওই এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে সুজনকে (২২) মারধর ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। এঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ হলেও পুলিশ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ জানায় আহত সুজনের মা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিনোদনের নামে মেলা বসানো হলেও মূলত মাদক ও সন্ধ্যার পড়ে চালানো হত জুয়ার আসর। মাইকে উচ্চস্বরে বাজানো হত অশ্লীল গানবাজনা। কিশোরগ্যাং সদস্য ও বখাটেদের উপদ্রুপে বিব্রত অবস্থায় পড়তে হত মেলায় আগত নারীদের। মেলার বিষয়ে স্থানীয় একাধিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলেও নিরব ছিল সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ। সংবাদ প্রকাশের পর মেলার সর্দার মানিক দাম্ভিকতার সাথে বলে বেড়ায় পুলিশ ঠিক থাকলে পত্রিকায় লিখলে কিছু হয়না।
সিদ্ধিরগঞ্জের দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কোহিনুর আক্তার বলেন, জেলা প্রশাসন থেকে মেলার কোন অনুমতি দেওয়া হয়নি। অবৈধ ভাবে মেলাটি বসানো হয়েছে। অভিযানের সময় মেলার আয়োজকদের পাওয়া যায়নি। অনুমতি না থাকায় মেলা ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে। যদি আবার বসানো হয় তাহলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।