নারায়ণগঞ্জ ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১৯ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাইক্রোসফট ইনোভেটিভ এডুকেটর এক্সপার্ট বাংলাদেশ কমিউনিটি মিটআপ ২০২৩ অনুষ্ঠিত আদমজী ইপিজেডকে অশান্ত করছে জনপ্রতিনিধিরা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা সিদ্ধিরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের কর্মকর্তাদের সাথে মহিলা লীগ নেত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় না’গঞ্জ কারাগারে হাজতীর মৃত্যু ফতুল্লায় চোরাইকৃত ট্যাংকলড়ী উদ্ধার আড়াইহাজারের মিথিলা টেক্সটাইল ঘুরে গেলেন ৮ দেশের রাষ্ট্রদূতসহ ১৮ দেশের প্রতিনিধি সিদ্ধিরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের কর্মকর্তাদের সাথে কাউন্সিলর ইকবাল হোসেনের মতবিনিময় ফতুল্লা ব্লাড ডোনার্সের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ শিক্ষা সিলেবাস বাতিলের দাবিতে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ মিছিল সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শহরে নারী সমাবেশ ও মিছিল

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি ছাত্রীকে দুর্বৃত্তের ধাক্কা, ট্রেনে কাটা পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৪:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মে ২০২২
  • ৯৩ বার পড়া হয়েছে

মোঃ জিয়াউর রহমান: নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে বাংলাদেশী হান্টার কলেজের ছাত্রী জিনাত হোসেন (২৪) সাবওয়ে ট্রেন লাইনে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয় দুর্বৃত্তরা। ট্রেনের চাকায় কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সময় বুধবার আনুমানিক রাত ৯ টায় এ ঘটনা ঘটে। কলেজ থেকে বাসায় ফেরার পথে ট্রেন স্টেশনে মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ব্রুকলিনে নিউইয়র্ক পুলিশের সাথে বাংলাদেশী কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের মরদেহ হস্তান্তরের বৈঠক চলছে। নিহত কলেজ ছাত্রী নিউইয়র্কে বৃহত্তর কুমিল্লা সমিতির সভাপতি ডাঃ এনামুল হকের শালিকার মেয়ে বলে জানা গেছে। নিহত জিনাত বাবামাসহ নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে 8th এভিনিউতে বসবাস করতেন। তার বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দির জগতপুর গ্রামে। তার বাবার নাম আমির হোসেন।

নিহত জিনাত হোসেনের খালু বৃহত্তর কুমিল্লা সমিতির সভাপতি ডাঃ এনামুল হক জানান, নিহত জিনাত ২০১৫ সালে বাবা মা’র সাথে নিউইয়র্কে আসে।তার বাবা আমির হোসেনের ঢাকার ঠাটারি বাজারে ঔষধ ব্যবসা ছিলো। আমির হোসেনের এক ছেলে এক মেয়ে। ছেলে ঢাকা বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্ট গ্র‍্যাজুয়েশন করছে। একমাত্র মেয়েকে হারিয়ে শোকে মুহ্যমান জিনাতের বাবা আমির হোসেন ও মা জেসমিন হোসেন হিরা। শোক ও বিক্ষোব্ধ নিউইয়র্কে বাংলাদেশী কমিউনিটি। পুলিশ বলছে ট্রেন স্টেশনে ছিনতাইকারীরা তার ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়ার সময় ছিটকে পড়ে ট্রেনে লাইনে কাটা পড়ে মৃত্যু হয়।

তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে লাশ হস্তান্তর ও বিস্তারিত জানা যাবে। ডাঃ এনামুল হক বলেন, পুলিশ বলছে ব্রুকলিনের ইউটিকা স্টেশন থেকে জিনাতের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু কেন কিভাবে ইউটিকা ম্যানহাটন থেকে ইউটিকা স্টেশনে গেলো তা বুঝা যাচ্ছে না।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাইক্রোসফট ইনোভেটিভ এডুকেটর এক্সপার্ট বাংলাদেশ কমিউনিটি মিটআপ ২০২৩ অনুষ্ঠিত

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি ছাত্রীকে দুর্বৃত্তের ধাক্কা, ট্রেনে কাটা পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৭:১৪:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মে ২০২২

মোঃ জিয়াউর রহমান: নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে বাংলাদেশী হান্টার কলেজের ছাত্রী জিনাত হোসেন (২৪) সাবওয়ে ট্রেন লাইনে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয় দুর্বৃত্তরা। ট্রেনের চাকায় কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সময় বুধবার আনুমানিক রাত ৯ টায় এ ঘটনা ঘটে। কলেজ থেকে বাসায় ফেরার পথে ট্রেন স্টেশনে মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ব্রুকলিনে নিউইয়র্ক পুলিশের সাথে বাংলাদেশী কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের মরদেহ হস্তান্তরের বৈঠক চলছে। নিহত কলেজ ছাত্রী নিউইয়র্কে বৃহত্তর কুমিল্লা সমিতির সভাপতি ডাঃ এনামুল হকের শালিকার মেয়ে বলে জানা গেছে। নিহত জিনাত বাবামাসহ নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে 8th এভিনিউতে বসবাস করতেন। তার বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দির জগতপুর গ্রামে। তার বাবার নাম আমির হোসেন।

নিহত জিনাত হোসেনের খালু বৃহত্তর কুমিল্লা সমিতির সভাপতি ডাঃ এনামুল হক জানান, নিহত জিনাত ২০১৫ সালে বাবা মা’র সাথে নিউইয়র্কে আসে।তার বাবা আমির হোসেনের ঢাকার ঠাটারি বাজারে ঔষধ ব্যবসা ছিলো। আমির হোসেনের এক ছেলে এক মেয়ে। ছেলে ঢাকা বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্ট গ্র‍্যাজুয়েশন করছে। একমাত্র মেয়েকে হারিয়ে শোকে মুহ্যমান জিনাতের বাবা আমির হোসেন ও মা জেসমিন হোসেন হিরা। শোক ও বিক্ষোব্ধ নিউইয়র্কে বাংলাদেশী কমিউনিটি। পুলিশ বলছে ট্রেন স্টেশনে ছিনতাইকারীরা তার ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়ার সময় ছিটকে পড়ে ট্রেনে লাইনে কাটা পড়ে মৃত্যু হয়।

তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে লাশ হস্তান্তর ও বিস্তারিত জানা যাবে। ডাঃ এনামুল হক বলেন, পুলিশ বলছে ব্রুকলিনের ইউটিকা স্টেশন থেকে জিনাতের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু কেন কিভাবে ইউটিকা ম্যানহাটন থেকে ইউটিকা স্টেশনে গেলো তা বুঝা যাচ্ছে না।