নারায়ণগঞ্জ ০১:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফতুল্লায় নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার কল্যাণ তহবিলের চেক বিতরণে -রাষ্ট্র ও প্রশাসন আপনাদের পাশে আছে : ডিসি রায়হান, কবির নারায়ণগঞ্জে রেল সেতুর পিলারের নিচের মাটি কাটা প্রকল্পেরই অংশ: রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম নারায়ণগঞ্জে এইচএসি কেন্দ্র পরিদর্শন: ‘সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্নের প্রত্যাশা’ ডিসির ফতুল্লায় ঝুটের গোডাউনে ভয়াবহ আগুন, দুই ঘন্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে নারায়ণগঞ্জে গণশুনানিতে সেবা প্রত্যাশীদের অভিযোগ শুনে তাৎক্ষণিক নিষ্পত্তির উদ্যোগ ডিসির সিদ্ধিরগঞ্জে এক ব্যক্তিকে পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ গ্রেপ্তার বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের মাঝে শিক্ষা-থেরাপি সামগ্রী বিতরণ করেন ইউএনও এস এম ফয়েজ উদ্দিন দক্ষতাই স্বাবলম্বী ও আত্মনির্ভরশীল হওয়ার মূল হাতিয়ার’: ডিসি রায়হান কবির ফতুল্লায় ঘুমন্ত স্বামীকে জবাই করে হত্যার অভিযোগ স্ত্রীর বিরুদ্ধে

বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতির সূর্য সন্তানদের স্মরণ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০১:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২১৫ বার পড়া হয়েছে

মহান বিজয় দিবসে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে নেমেছে সর্বস্তরের জনতার ঢল। ফুলেল শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করা হচ্ছে দেশের জন্য আত্মদানকারী বীর শহীদদের।

আজ সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ভোর ৬টা ৩৪ মিনিটে জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এ সময় সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করে।

এর আগে ভোরে ঢাকায় ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে বিজয় দিবসের কর্মসূচির সূচনা হয়। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর রাষ্ট্রপতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে। পরে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

তারও আগে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছালে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সর্বাধিনায়ক হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে তিন বাহিনীর প্রধানরা স্বাগত জানান। সেখানে আহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্য, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা, বিদেশি কূটনীতিক, আমন্ত্রিত অতিথি এবং উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাষ্ট্রপতি আহত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এরপর ভোর ৬টা ৫৬ মিনিটে জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধান উপদেষ্টা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

এ সময় সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদর্শন করে। বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে। পরে প্রধান উপদেষ্টা স্মৃতিসৌধে সংরক্ষিত দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন। এ সময় প্রধান বিচারপতি, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা, তিন বাহিনীর প্রধান, মুক্তিযোদ্ধা, কূটনীতিকসহ পদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদনের পর স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিভিন্ন সংগঠন ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সদস্যরা স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে ভিড় করছে। তারা হাতে ফুল, ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে আসছেন শহীদ বীর সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে। এতে ফুলে ফুলে ভরে উঠেছে বীর শহীদদের বেদী।

শিশুদের মাথায় জাতীয় পতাকা আর গালে আঁকা আল্পনা বাড়িয়ে দিয়েছে বিজয়ের আমেজ। সবার কণ্ঠে ছিল অসাম্প্রদায়িক এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার। সেই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন অনেকে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ফতুল্লায় নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতির সূর্য সন্তানদের স্মরণ

আপডেট সময় : ০২:০১:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

মহান বিজয় দিবসে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে নেমেছে সর্বস্তরের জনতার ঢল। ফুলেল শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করা হচ্ছে দেশের জন্য আত্মদানকারী বীর শহীদদের।

আজ সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ভোর ৬টা ৩৪ মিনিটে জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এ সময় সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করে।

এর আগে ভোরে ঢাকায় ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে বিজয় দিবসের কর্মসূচির সূচনা হয়। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর রাষ্ট্রপতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে। পরে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

তারও আগে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছালে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সর্বাধিনায়ক হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে তিন বাহিনীর প্রধানরা স্বাগত জানান। সেখানে আহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্য, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা, বিদেশি কূটনীতিক, আমন্ত্রিত অতিথি এবং উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাষ্ট্রপতি আহত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এরপর ভোর ৬টা ৫৬ মিনিটে জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধান উপদেষ্টা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

এ সময় সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদর্শন করে। বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে। পরে প্রধান উপদেষ্টা স্মৃতিসৌধে সংরক্ষিত দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন। এ সময় প্রধান বিচারপতি, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা, তিন বাহিনীর প্রধান, মুক্তিযোদ্ধা, কূটনীতিকসহ পদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদনের পর স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিভিন্ন সংগঠন ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সদস্যরা স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে ভিড় করছে। তারা হাতে ফুল, ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে আসছেন শহীদ বীর সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে। এতে ফুলে ফুলে ভরে উঠেছে বীর শহীদদের বেদী।

শিশুদের মাথায় জাতীয় পতাকা আর গালে আঁকা আল্পনা বাড়িয়ে দিয়েছে বিজয়ের আমেজ। সবার কণ্ঠে ছিল অসাম্প্রদায়িক এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার। সেই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন অনেকে।