সংবাদ শিরোনাম ::
Vibra con los casinos que marcan tendencia en entretenimiento আড়াইহাজার উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে এমপি নজরুল ইসলাম আজাদের মতবিনিময় বিএনপি নেতা মামুনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ মাদকের আখড়ায় পরিণত সিদ্ধিরগঞ্জের বাঘমারা সাংবাদিক কাজী মোদাচ্ছের হোসেন সুলতান এর ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ সিদ্ধিরগঞ্জে দাবিকৃত চাঁদা না দেয়ায় হামলা, মারধর : নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট আড়াইহাজা‌রে দলীয় পরিচয়ে অন্যায় করলে ছাড় নয়: রাকিবুল ইসলাম রাকিব পদ্মা অয়েল পিএলসি এর মহাব্যবস্থাপক আসিফ মালিক’কে বিদায় সংবর্ধনা বাংলা ৫২ নিউজ ডটকমের ১০ম বর্ষে পদার্পণ আড়াইহাজারে জামায়াতের নেতাকর্মীরা ইর্ষান্বিত হয়েই আজাদের বিরু’দ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে : উপজেলা বিএনপি

বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতির সূর্য সন্তানদের স্মরণ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০১:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৪৫ বার পড়া হয়েছে

মহান বিজয় দিবসে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে নেমেছে সর্বস্তরের জনতার ঢল। ফুলেল শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করা হচ্ছে দেশের জন্য আত্মদানকারী বীর শহীদদের।

আজ সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ভোর ৬টা ৩৪ মিনিটে জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এ সময় সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করে।

এর আগে ভোরে ঢাকায় ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে বিজয় দিবসের কর্মসূচির সূচনা হয়। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর রাষ্ট্রপতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে। পরে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

তারও আগে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছালে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সর্বাধিনায়ক হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে তিন বাহিনীর প্রধানরা স্বাগত জানান। সেখানে আহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্য, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা, বিদেশি কূটনীতিক, আমন্ত্রিত অতিথি এবং উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাষ্ট্রপতি আহত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এরপর ভোর ৬টা ৫৬ মিনিটে জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধান উপদেষ্টা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

এ সময় সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদর্শন করে। বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে। পরে প্রধান উপদেষ্টা স্মৃতিসৌধে সংরক্ষিত দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন। এ সময় প্রধান বিচারপতি, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা, তিন বাহিনীর প্রধান, মুক্তিযোদ্ধা, কূটনীতিকসহ পদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদনের পর স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিভিন্ন সংগঠন ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সদস্যরা স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে ভিড় করছে। তারা হাতে ফুল, ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে আসছেন শহীদ বীর সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে। এতে ফুলে ফুলে ভরে উঠেছে বীর শহীদদের বেদী।

শিশুদের মাথায় জাতীয় পতাকা আর গালে আঁকা আল্পনা বাড়িয়ে দিয়েছে বিজয়ের আমেজ। সবার কণ্ঠে ছিল অসাম্প্রদায়িক এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার। সেই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন অনেকে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Vibra con los casinos que marcan tendencia en entretenimiento

বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতির সূর্য সন্তানদের স্মরণ

আপডেট সময় : ০২:০১:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

মহান বিজয় দিবসে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে নেমেছে সর্বস্তরের জনতার ঢল। ফুলেল শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করা হচ্ছে দেশের জন্য আত্মদানকারী বীর শহীদদের।

আজ সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ভোর ৬টা ৩৪ মিনিটে জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এ সময় সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করে।

এর আগে ভোরে ঢাকায় ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে বিজয় দিবসের কর্মসূচির সূচনা হয়। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর রাষ্ট্রপতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে। পরে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

তারও আগে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছালে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সর্বাধিনায়ক হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে তিন বাহিনীর প্রধানরা স্বাগত জানান। সেখানে আহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্য, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা, বিদেশি কূটনীতিক, আমন্ত্রিত অতিথি এবং উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাষ্ট্রপতি আহত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এরপর ভোর ৬টা ৫৬ মিনিটে জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধান উপদেষ্টা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

এ সময় সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদর্শন করে। বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে। পরে প্রধান উপদেষ্টা স্মৃতিসৌধে সংরক্ষিত দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন। এ সময় প্রধান বিচারপতি, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা, তিন বাহিনীর প্রধান, মুক্তিযোদ্ধা, কূটনীতিকসহ পদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদনের পর স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিভিন্ন সংগঠন ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সদস্যরা স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে ভিড় করছে। তারা হাতে ফুল, ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে আসছেন শহীদ বীর সন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে। এতে ফুলে ফুলে ভরে উঠেছে বীর শহীদদের বেদী।

শিশুদের মাথায় জাতীয় পতাকা আর গালে আঁকা আল্পনা বাড়িয়ে দিয়েছে বিজয়ের আমেজ। সবার কণ্ঠে ছিল অসাম্প্রদায়িক এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার। সেই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন অনেকে।