নারায়ণগঞ্জ ০৯:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২১ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাইক্রোসফট ইনোভেটিভ এডুকেটর এক্সপার্ট বাংলাদেশ কমিউনিটি মিটআপ ২০২৩ অনুষ্ঠিত আদমজী ইপিজেডকে অশান্ত করছে জনপ্রতিনিধিরা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা সিদ্ধিরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের কর্মকর্তাদের সাথে মহিলা লীগ নেত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় না’গঞ্জ কারাগারে হাজতীর মৃত্যু ফতুল্লায় চোরাইকৃত ট্যাংকলড়ী উদ্ধার আড়াইহাজারের মিথিলা টেক্সটাইল ঘুরে গেলেন ৮ দেশের রাষ্ট্রদূতসহ ১৮ দেশের প্রতিনিধি সিদ্ধিরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের কর্মকর্তাদের সাথে কাউন্সিলর ইকবাল হোসেনের মতবিনিময় ফতুল্লা ব্লাড ডোনার্সের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ শিক্ষা সিলেবাস বাতিলের দাবিতে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ মিছিল সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শহরে নারী সমাবেশ ও মিছিল

কাগমারী সম্মেলনের ৬৫তম বার্ষিকী পালন করুন : বাংলাদেশ ন্যাপ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৭:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • ৪২ বার পড়া হয়েছে

৬-১০ স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলনের ৬৫তম বার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ।

রবিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে পার্টির চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এ আহ্বান জানান।

তারা বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে অসংখ্য রাজনৈতিক কর্মসূচীর আয়োজন করেছিলেন, এর মধ্যে তাঁর অবিস্মরণীয় কীর্তি এবং উপ-মহাদেশের তথা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান আজকের বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক ঘটনা হচ্ছে ১৯৫৭ সালের ‘কাগমারী সম্মেলন’। উপ-মহাদেশ ও পূর্ব বাংলা তথা আজকের বাংলাদেশের রাজনীতিতে এর তাৎপর্য অনাগত কালের গবেষকদের কাছে স্বীকৃত।

নেতৃদ্বয় বলেন, কাগমারী সম্মেলন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জাতীয় রাজনীতির ক্ষেত্রে একটি মাইল ফলক-বাংলাদেশের স্বাধীকার আন্দোলনের ইতিহাসে এক স্বরণীয় ঘটনা। কাগমারী সম্মেলনে মওলানা ভাসানীর কঠোর ভাষন এবং তাঁর ‘আসসালামু আলাইকুম’ই দেশের জনগনকে একটি স্বাধীন-স্বার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় স্বপ্ন দেখিয়েছিল।

তারা বলেন, ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলনের মাধ্যমেই তৎকারীন পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্ব শাসন ও স্বাধীকার আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল। সাম্রাজ্যবাদী-আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে এ অঞ্চলের জনগনকে ঐক্যবদ্ধ ও সচেতন করতে এই সম্মেলন গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করেছিল। কাগমারী সম্মেলনে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী যে গুরুত্বপূর্ণ ও জ্বালাময়ী বক্তব্য রেখেছিলেন তা আজো আমাদের দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, পতাকা-মানচিত্র রক্ষার সংগ্রামে এবং সাম্রাজ্যবাদ-আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রামে ও লড়াইয়ে অনুপ্রেরনা যোগায়।

কর্মসূচী : ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলন দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ দুই দিনের কর্মসুচী গ্রহন করেছে। কর্মসূচীগুলো হলো : ৮ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় নয়াপল্টনস্থ যাদু মিয়া মিলনায়তনে উদ্যোগে আলোচনা সভা ও মজলুম জননেতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, এবং ৯ ফেব্রুয়ারি বুধবার সকাল ১১টায় টাঙ্গাইলের সন্তোষে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর মাজার জিয়ারত।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাইক্রোসফট ইনোভেটিভ এডুকেটর এক্সপার্ট বাংলাদেশ কমিউনিটি মিটআপ ২০২৩ অনুষ্ঠিত

কাগমারী সম্মেলনের ৬৫তম বার্ষিকী পালন করুন : বাংলাদেশ ন্যাপ

আপডেট সময় : ০৭:৪৭:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২

৬-১০ স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলনের ৬৫তম বার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ।

রবিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে পার্টির চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এ আহ্বান জানান।

তারা বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে অসংখ্য রাজনৈতিক কর্মসূচীর আয়োজন করেছিলেন, এর মধ্যে তাঁর অবিস্মরণীয় কীর্তি এবং উপ-মহাদেশের তথা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান আজকের বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক ঘটনা হচ্ছে ১৯৫৭ সালের ‘কাগমারী সম্মেলন’। উপ-মহাদেশ ও পূর্ব বাংলা তথা আজকের বাংলাদেশের রাজনীতিতে এর তাৎপর্য অনাগত কালের গবেষকদের কাছে স্বীকৃত।

নেতৃদ্বয় বলেন, কাগমারী সম্মেলন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জাতীয় রাজনীতির ক্ষেত্রে একটি মাইল ফলক-বাংলাদেশের স্বাধীকার আন্দোলনের ইতিহাসে এক স্বরণীয় ঘটনা। কাগমারী সম্মেলনে মওলানা ভাসানীর কঠোর ভাষন এবং তাঁর ‘আসসালামু আলাইকুম’ই দেশের জনগনকে একটি স্বাধীন-স্বার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় স্বপ্ন দেখিয়েছিল।

তারা বলেন, ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলনের মাধ্যমেই তৎকারীন পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্ব শাসন ও স্বাধীকার আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল। সাম্রাজ্যবাদী-আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে এ অঞ্চলের জনগনকে ঐক্যবদ্ধ ও সচেতন করতে এই সম্মেলন গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করেছিল। কাগমারী সম্মেলনে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী যে গুরুত্বপূর্ণ ও জ্বালাময়ী বক্তব্য রেখেছিলেন তা আজো আমাদের দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, পতাকা-মানচিত্র রক্ষার সংগ্রামে এবং সাম্রাজ্যবাদ-আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রামে ও লড়াইয়ে অনুপ্রেরনা যোগায়।

কর্মসূচী : ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলন দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ দুই দিনের কর্মসুচী গ্রহন করেছে। কর্মসূচীগুলো হলো : ৮ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় নয়াপল্টনস্থ যাদু মিয়া মিলনায়তনে উদ্যোগে আলোচনা সভা ও মজলুম জননেতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, এবং ৯ ফেব্রুয়ারি বুধবার সকাল ১১টায় টাঙ্গাইলের সন্তোষে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর মাজার জিয়ারত।