নারায়ণগঞ্জ ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নারায়ণগঞ্জের ডিসিকে বাগে জান্নাত পঞ্চায়েত পরিষদের নবগঠিত কমিটির ফুলেল শুভেচ্ছা নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সীমানা বর্ধিতকরণে গণশুনানি অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে বিএসটিআইয়ের অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা ফতুল্লায় স্টেডিয়াম সংলগ্ন লিংক রোডে ট্রাকের চাপায় বৃদ্ধার মৃত্যু হরিজন জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ডিসির কাছে স্মারকলিপি দিল হরিজন ঐক্য পরিষদ নারায়ণগঞ্জ স্বাস্থ্যসম্মত কর্মপরিবেশ গড়েতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সচেতনতা র‍্যালি প্রবাসীদের সুখ-দুঃখের সাথী এনটিভি: রিয়াদে জমকালো আয়োজনে ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন নারায়ণগঞ্জে রাস্তায় ময়লা ফেললে কঠোর ব্যবস্থা : ডিসি আইবিএন নিউজ বাংলাদেশ ব্যুরোর ডেপুটি ব্যুরো চিফ হলেন এসএম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ দেশীয় অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী রাসেল গ্রেপ্তার

রক্তে ভেজা সড়ক : এর শেষ কোথায় ? : বাংলাদেশ ন্যাপ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১
  • ২৯৪ বার পড়া হয়েছে

রামপুরায় সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী মাঈনুদ্দিন নিহতের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও নিরাপদ সড়কের দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, একের পর এক ঘটনার মধ্য দিয়ে বার বার প্রমানিত হচ্ছে সড়ক পথে নৈরাজ্য চলছেই। প্রতিদিনই কারও না কারও রক্তে রঞ্জিত হচ্ছে রাজপথ। কবে বন্ধ হবে এই নৈরাজ্য।

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে তারা এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, সড়ক পথে নৈরাজ্যের কারণে অনেক সম্ভাবনাময় প্রাণ ঝরে যাচ্ছে প্রতিদিন- এর যেন কোনো শেষ নেই, বিচার নেই। সড়ক পরিবহনের নৈরাজ্য বন্ধে শুধু আইন করলেই চলবে না পাশাপাশি আইনের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। পরিবহন চালক ও শ্রমিকদের মানসিকতা পরিবর্তন করার দায়িত্ব যাদের তাদের কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। একই ধরনের ঘটনা বারবার পুনরাবৃত্তি হওয়ার জন্য এবং এর প্রতিরোধে কোনো ব্যবস্থা না নেয়ার জন্যই বারবার এই সকল হত্যাকান্ড ঘটছে। সরকার যদি এই বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে সমাধান করার চেষ্টা না করে তাহলে এই ধরনের হত্যাকান্ড কমানো যাবে না।

নেতৃদ্বয় আরো বলেন, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থীরা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। গত বছরের জুলাই ও চলতি বছরের ১৯ মার্চ দুটি সড়ক দুর্ঘটনার পর ছাত্ররা দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলায় তারাই এখন বেপরোয়া পরিবহন শ্রমিকদের আক্রমণের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন কিনা, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। পুলিশ ও বিআরটিএসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলো সারা দেশে সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস ও সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কার্যত ব্যর্থ হয়েছে। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা সত্ত্বেও সড়ক পরিবহন খাতে বিরাজমান নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা দূর করা যায়নি।

তারা বলেন, মূলত রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী কিছু পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতার কাছে প্রশাসন অসহায় হয়ে পড়েছে। এছাড়া এর পেছনে বিআরটিএ’র কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী ও এক শ্রেণীর পুলিশ সদস্যর অনিয়ম-দুর্নীতিও রয়েছে। ফলে সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত কিংবা কঠোর নির্দেশনায়ও গণপরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরছে না। এ অসহনীয় পরিস্থিতিতে সারা দেশে সড়ক পরিবহন খাতে বিরাজমান বিশৃঙ্খলা নিরসন এবং সড়ক দুর্ঘটনা ও অনাকাংখিত প্রাণহানি হ্রাসে সড়কে সেনাবাহিনী নামানো উচিত। তা না হলে সড়কে এভাবে প্রাণ ঝরতেই থাকবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জের ডিসিকে বাগে জান্নাত পঞ্চায়েত পরিষদের নবগঠিত কমিটির ফুলেল শুভেচ্ছা

রক্তে ভেজা সড়ক : এর শেষ কোথায় ? : বাংলাদেশ ন্যাপ

আপডেট সময় : ১১:০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১

রামপুরায় সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী মাঈনুদ্দিন নিহতের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও নিরাপদ সড়কের দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, একের পর এক ঘটনার মধ্য দিয়ে বার বার প্রমানিত হচ্ছে সড়ক পথে নৈরাজ্য চলছেই। প্রতিদিনই কারও না কারও রক্তে রঞ্জিত হচ্ছে রাজপথ। কবে বন্ধ হবে এই নৈরাজ্য।

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে তারা এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, সড়ক পথে নৈরাজ্যের কারণে অনেক সম্ভাবনাময় প্রাণ ঝরে যাচ্ছে প্রতিদিন- এর যেন কোনো শেষ নেই, বিচার নেই। সড়ক পরিবহনের নৈরাজ্য বন্ধে শুধু আইন করলেই চলবে না পাশাপাশি আইনের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। পরিবহন চালক ও শ্রমিকদের মানসিকতা পরিবর্তন করার দায়িত্ব যাদের তাদের কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। একই ধরনের ঘটনা বারবার পুনরাবৃত্তি হওয়ার জন্য এবং এর প্রতিরোধে কোনো ব্যবস্থা না নেয়ার জন্যই বারবার এই সকল হত্যাকান্ড ঘটছে। সরকার যদি এই বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে সমাধান করার চেষ্টা না করে তাহলে এই ধরনের হত্যাকান্ড কমানো যাবে না।

নেতৃদ্বয় আরো বলেন, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থীরা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। গত বছরের জুলাই ও চলতি বছরের ১৯ মার্চ দুটি সড়ক দুর্ঘটনার পর ছাত্ররা দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলায় তারাই এখন বেপরোয়া পরিবহন শ্রমিকদের আক্রমণের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন কিনা, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। পুলিশ ও বিআরটিএসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলো সারা দেশে সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস ও সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কার্যত ব্যর্থ হয়েছে। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা সত্ত্বেও সড়ক পরিবহন খাতে বিরাজমান নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা দূর করা যায়নি।

তারা বলেন, মূলত রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী কিছু পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতার কাছে প্রশাসন অসহায় হয়ে পড়েছে। এছাড়া এর পেছনে বিআরটিএ’র কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী ও এক শ্রেণীর পুলিশ সদস্যর অনিয়ম-দুর্নীতিও রয়েছে। ফলে সরকারের কোনো সিদ্ধান্ত কিংবা কঠোর নির্দেশনায়ও গণপরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরছে না। এ অসহনীয় পরিস্থিতিতে সারা দেশে সড়ক পরিবহন খাতে বিরাজমান বিশৃঙ্খলা নিরসন এবং সড়ক দুর্ঘটনা ও অনাকাংখিত প্রাণহানি হ্রাসে সড়কে সেনাবাহিনী নামানো উচিত। তা না হলে সড়কে এভাবে প্রাণ ঝরতেই থাকবে।