আসন্ন ইউপি নির্বাচনে আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন সম্ভাব্য মেম্বার পদ প্রার্থী মোঃকাশেম আলী।
জনসেবার কারণে সাধারণ মানুষের কাছে তিনি আস্থাভাজন ব্যক্তি হিসেবে ব্যাপক সু-পরিচিতি লাভ করেছেন এবং একজন ব্যবসায়িক ও সমাজসেবক হিসেবেও প্রশংসায় ভাসছেন।বর্তমানে তিনি কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন উচ্চবিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য পদে ও ১ং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জনপ্রতিনিধি না হয়েও দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন সাধারণ মানুষের সেবায়। ইতিমধ্যে তার নিজস্ব অর্থায়নে জনসাধারণ চলাচলের বেহাল বহু রাস্তাঘাট মেরামত করেন ও সাধ্য অনুযায়ী সাহায্য করছেন সাধারণ মানুষদের। করোনার এই মহা দুর্যোগে তিনি শুরু থেকে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন ধরনের সাহায্য সহযোগিতা করে আসছেন।
তিনি নিজেকে মানুষের সেবায় উৎসর্গ করে দিতে চান।স্থানীয় সাধারণ জনগণ বলেন, তিনি তাদের সকল বিপদে আপদে এগিয়ে আসছেন। রাত-দিন যখনই চাই আমরা তাকে পাশে পাই।আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কালাপাহাড়িয়ার অবহেলিত ১ নং ওয়ার্ডের উন্নয়নের স্বার্থে সমাজ সেবক মোঃ কাশেম আলী’কে মেম্বার হিসেবে দেখতে চাই।
দল-মত নির্বিশেষে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ তার আচার-ব্যবহারে মুগ্ধ। তাছাড়া তিনি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিবেদিত প্রান।তিনি বিভিন্ন ভাবে মানুষের সেবা ও ব্যক্তিগতভাবে এলাকার অসহায়-গরীবদের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী কাশেম আলী বলেন, আমাকে যদি জনগণ সুযোগ দেয় তাহলে আমি নির্বাচিত হয়ে প্রথমে কালাপাহাড়িয়া ইউপির অবহেলিত ১নং ওয়ার্ডের সকল রাস্তাঘাট নির্মাণ করবো এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাবো। মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূল করব। দেশসেরা মডেল ওয়ার্ড উপহার দেওয়ার চেষ্টা করব। সরকারি যেকোন সেবা বিনামূল্যে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করব। মূলত আমি জনপ্রতিনিধি নয়, বরং জনবান্ধব প্রতিনিধি হওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে। ওয়ার্ডের যেকোন সমস্যা সমাধানে সাবেক জনপ্রতিনিধি ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে জনগণের ন্যায্য অধিকারকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করব। বিচার শালিসে দালালি প্রবণতা দূরীকরণে সার্বক্ষণিক চেষ্টা থাকবে ইন শা আল্লাহ্।
সরেজমিনে দেখা যায় তার নির্বাচনী মতবিনিময় সভা থেকে নিয়ে সাধারণ উঠান বৈঠকেও সাধারণ মানুষের ঢল নেমে আসছে প্রতিনিয়ত।ভোটারদের স্বত:স্পূর্ত অংশগ্রহণে প্রতিটি উঠান বৈঠক সমাবেশে পরিণত হচ্ছে।তার নির্বাচনী প্রচার প্রচারনায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ভাবিয়ে তুলছে।
স্থানীয় লোকজন মেম্বার পদপ্রার্থী কাশেম আলী’কে ছাড়া আর কাউকে ভোট দেবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। ওয়ার্ডের প্রতিটি প্রান্তে কাশেম আলী ছাড়া অন্য কারো নাম শুনাও যাচ্ছে না।অনেকের দাবী, সুস্থ নির্বাচন হলে ৮০% ভোট পেয়ে কাশেম আলী নির্বাচিত হতে পারেন।
প্রতিনিধির নাম 





