নারায়ণগঞ্জ ১০:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হাজীগঞ্জ ফেরিঘাটে র্যাবের অভিযানে বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগজিনসহ যুবক গ্রেপ্তার ফতুল্লায় নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার কল্যাণ তহবিলের চেক বিতরণে -রাষ্ট্র ও প্রশাসন আপনাদের পাশে আছে : ডিসি রায়হান, কবির নারায়ণগঞ্জে রেল সেতুর পিলারের নিচের মাটি কাটা প্রকল্পেরই অংশ: রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম নারায়ণগঞ্জে এইচএসি কেন্দ্র পরিদর্শন: ‘সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্নের প্রত্যাশা’ ডিসির ফতুল্লায় ঝুটের গোডাউনে ভয়াবহ আগুন, দুই ঘন্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে নারায়ণগঞ্জে গণশুনানিতে সেবা প্রত্যাশীদের অভিযোগ শুনে তাৎক্ষণিক নিষ্পত্তির উদ্যোগ ডিসির সিদ্ধিরগঞ্জে এক ব্যক্তিকে পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ গ্রেপ্তার বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের মাঝে শিক্ষা-থেরাপি সামগ্রী বিতরণ করেন ইউএনও এস এম ফয়েজ উদ্দিন দক্ষতাই স্বাবলম্বী ও আত্মনির্ভরশীল হওয়ার মূল হাতিয়ার’: ডিসি রায়হান কবির

আড়াইহাজারে একটি পরিবারের সবাই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১২:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১
  • ২৫৭ বার পড়া হয়েছে

আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ)সংবাদদাতা
আড়াইহাজার উপজেলার ব্রাক্ষন্দী ইউনিয়নের বালিয়াপাড়া গ্রামের একটি পরিবার সকলেই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। কোন সদস্য গ্রেফতার হলে অন্য সদস্যরা এই ব্যবসার হাল ধরেন। যার কারণে বন্ধ হচ্ছেনা মাদক বিক্রি।
জানা গেছে, ওরা সবাই মাদক বিক্রেতা। গ্রেফতার হয় আবার ছাড়া পায়। ওদের পেছনে স্থানীয় প্রভাবশালী কারো হাত রয়েছে। এমন অভিযোগ ঘুরছে বালিয়াপাড়া গ্রামের প্রতিটি মানুষের মুখে মুখে। ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের একটি সুপরিচিত গ্রাম বালিয়াপাড়া। এই গ্রামের নামটি কলঙ্কিত করে ফেলেছে ওই একটি মাদক পরিবার।

তরুণ মাদক বিক্রেতা সোহেল (৩০)। সোহেলের বিরুদ্ধে রয়েছে ৮টি মামলা। এই এলাকায় আবার শোনাযায় ধরা পড়ে ঢুকেছে জেলখানায়। সোহেল জেলে ঢুকলে বের হয়ে আসে তার পিতা হিরোইঞ্চি মকবুল মিয়া (৫২)। ছেলের ঢেরার হাল ধরে। তাকে সাহায্য করে স্ত্রী সোনাবিবি অথাৎ সোহেলের মা (৪০)। সোনাবিবি ও গাঁজা, হেরোইন ও ফেন্সিডিল বিক্রির কায়দা কানুন বেশ ভাল জানে। সোনাবিবির বিরুদ্ধে ১০টি মামলা ঝুলছে। পিতা মকবুল ভুল করে ছদ্মবেশধারী পুলিশের কাছে মাদক বিক্রি করতে গিয়ে ধরা পড়লেও অসুবিধা নেই। এলাকার নেপথ্যের প্রভাবশালীর ইশারায় মাদক ব্যবসার হাল ধরে মকবুল মিয়ার দুই ছেলে সাইফুল (২৩) ও হাফিজ (২৫)। আবার ওরা ধরা পড়লেও মাদক বিক্রি থামে না। প্রভাবশালীর ইশারা ও প্রশ্রয়ে মাঠে নামে মকবুল মিয়ার মেয়ে জামাতা হাবিবুর রহমান হাবু (৩৫)। ওই পরিবারের সবার বিরুদ্ধেই ২/৩ টি করে মামলা রয়েছে। বর্তমানে তাদের মাদক ব্যবসা চলছে পুরো দমে।

আড়াইহাজার থানার ওসি আনিচুর রহমান মোল্লা জানান, আমরা এই বাড়িতে প্রতিনিয়ত অভিযান করি। যার কারণে প্রত্যেতের বিরুদ্ধেই মামলা রয়েছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

হাজীগঞ্জ ফেরিঘাটে র্যাবের অভিযানে বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগজিনসহ যুবক গ্রেপ্তার

আড়াইহাজারে একটি পরিবারের সবাই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত

আপডেট সময় : ০১:১২:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১

আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ)সংবাদদাতা
আড়াইহাজার উপজেলার ব্রাক্ষন্দী ইউনিয়নের বালিয়াপাড়া গ্রামের একটি পরিবার সকলেই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। কোন সদস্য গ্রেফতার হলে অন্য সদস্যরা এই ব্যবসার হাল ধরেন। যার কারণে বন্ধ হচ্ছেনা মাদক বিক্রি।
জানা গেছে, ওরা সবাই মাদক বিক্রেতা। গ্রেফতার হয় আবার ছাড়া পায়। ওদের পেছনে স্থানীয় প্রভাবশালী কারো হাত রয়েছে। এমন অভিযোগ ঘুরছে বালিয়াপাড়া গ্রামের প্রতিটি মানুষের মুখে মুখে। ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের একটি সুপরিচিত গ্রাম বালিয়াপাড়া। এই গ্রামের নামটি কলঙ্কিত করে ফেলেছে ওই একটি মাদক পরিবার।

তরুণ মাদক বিক্রেতা সোহেল (৩০)। সোহেলের বিরুদ্ধে রয়েছে ৮টি মামলা। এই এলাকায় আবার শোনাযায় ধরা পড়ে ঢুকেছে জেলখানায়। সোহেল জেলে ঢুকলে বের হয়ে আসে তার পিতা হিরোইঞ্চি মকবুল মিয়া (৫২)। ছেলের ঢেরার হাল ধরে। তাকে সাহায্য করে স্ত্রী সোনাবিবি অথাৎ সোহেলের মা (৪০)। সোনাবিবি ও গাঁজা, হেরোইন ও ফেন্সিডিল বিক্রির কায়দা কানুন বেশ ভাল জানে। সোনাবিবির বিরুদ্ধে ১০টি মামলা ঝুলছে। পিতা মকবুল ভুল করে ছদ্মবেশধারী পুলিশের কাছে মাদক বিক্রি করতে গিয়ে ধরা পড়লেও অসুবিধা নেই। এলাকার নেপথ্যের প্রভাবশালীর ইশারায় মাদক ব্যবসার হাল ধরে মকবুল মিয়ার দুই ছেলে সাইফুল (২৩) ও হাফিজ (২৫)। আবার ওরা ধরা পড়লেও মাদক বিক্রি থামে না। প্রভাবশালীর ইশারা ও প্রশ্রয়ে মাঠে নামে মকবুল মিয়ার মেয়ে জামাতা হাবিবুর রহমান হাবু (৩৫)। ওই পরিবারের সবার বিরুদ্ধেই ২/৩ টি করে মামলা রয়েছে। বর্তমানে তাদের মাদক ব্যবসা চলছে পুরো দমে।

আড়াইহাজার থানার ওসি আনিচুর রহমান মোল্লা জানান, আমরা এই বাড়িতে প্রতিনিয়ত অভিযান করি। যার কারণে প্রত্যেতের বিরুদ্ধেই মামলা রয়েছে।