নারায়ণগঞ্জ ০৪:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হিন্দি সিনেমায় জয়া আহসান, নায়ক পঙ্কজ ত্রিপাঠি গ্রুপ সেরা আর্জেন্টিনা, শেষ ষোলয় প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া সিদ্ধিরগঞ্জে জয়নাল বাহিনীর ৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় স্কুলে অনৈতিক আর্থিক সুবিধায় ক্ষমতার চেয়ারে শিক্ষিকা দিলরুবা রূপগঞ্জে ভুল চিকিৎসায় ৭ বছরের মাদ্রাসা পরুয়া শিশুর মৃত্যু ফতুল্লা ওসি’র কন্যা রাইসা জিপিএ ফাইভ পেয়েছেন সোনারগাঁয়ে টেক্সটাইল মিলে ও মিষ্টি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ড ফতুল্লায় অপহরনকারী চক্রের নারী সদস্যসহ গ্রেপ্তার ৫, অপহৃত উদ্ধার ১৩৯ জন শহীদদের স্মরণে বক্তাবলী ইউনিয়ন ছাত্রদলের শ্রদ্ধাঞ্জলি আড়াইহাজারে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে মাটি বিক্রি, নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ

শান্তিরক্ষীরা বাংলাদেশের অহঙ্কার ও গৌরব : বাংলাদেশ ন্যাপ

বিশেষ প্রতিনিধি :

বাংলাদেশ বর্তমানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ মন্তব্য করে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, শান্তিরক্ষীরা বাংলাদেশের অহঙ্কার ও গৌরব।

শনিবার (২৯ মে) আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।

তারা শান্তিরক্ষীরাদের সীমাহীন আত্মত্যাগকে স্মরণ করে ও গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, গত তিন দশকের বেশি সময় ধরে জাতিসংঘের শান্তি মিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ উৎসাহব্যঞ্জক। শান্তিরক্ষা মিশনে সেনা মোতায়েনের সংখ্যার বিচারেও অনেক দিন ধরে শীর্ষ স্থান দখল করে আছে আমাদের দেশ। এই ধারা অব্যাহত রাখা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সমুন্নতি বিধানের জন্য সশস্ত্র বাহিনীর বিশ্ব শান্তি স্থাপনের ভূমিকাকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে মূল্যায়ন করা দরকার।

নেতৃদ্বয় বলেন, বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনীর বড় অংশ এবং পুলিশ ও অন্যান্য সদস্যরা জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছেন। নিজেদের জীবন বিপন্ন করে বিভিন্ন দেশের জাতিগত সংঘাত মোকাবেলা এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত বিচিত্র দেশের রাস্তাঘাট, অবকাঠামো নির্মাণ ও চিকিৎসা সেবায় আমাদের শান্তিরক্ষীরা অনুকরণীয় দায়িত্ব পালন করায় বিশ্বব্যাপী প্রসংশিত হচ্ছেন। বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রশংসা অর্জন দেশবাসীর জন্য সত্যিকার অর্থেই অহঙ্কারের ও গৌরবের।

তারা বলেন, শান্তিপ্রিয় জাতি হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি হচ্ছে, ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কার সাথে বৈরিতা নয়।’ বিশ্বের বিরোধপূর্ণ স্থানে জাতিসংঘের ডাকে শান্তি স্থাপন করা- এজন্য আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর জরুরি দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে। আবার প্রতিবেশি দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হচ্ছে। জাতিসংঘকে শান্তি স্থাপনে সহায়তা দেয়া এবং পাশাপাশি স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য আমাদের সুশিক্ষিত ও পেশাদার সশস্ত্র বাহিনী জাতির অহঙ্কার হিসাবেই টিকে থাকবে।

নেতৃদ্বয় বলেন, ৩৩তম বর্ষপূর্তিতে শান্তিরক্ষীদের অশেষ অবদানকে বিনম্র চিত্তে স্মরণ করছি। শান্তি মিশনের সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। কারণ শান্তিরক্ষীরাই বাংলাদেশের সক্ষমতাকে বিশ্ববাসীর কাছে গৌরবের সঙ্গে তুলে ধরছেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

হিন্দি সিনেমায় জয়া আহসান, নায়ক পঙ্কজ ত্রিপাঠি

শান্তিরক্ষীরা বাংলাদেশের অহঙ্কার ও গৌরব : বাংলাদেশ ন্যাপ

আপডেট সময় : ০৩:১০:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মে ২০২১

বিশেষ প্রতিনিধি :

বাংলাদেশ বর্তমানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ মন্তব্য করে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, শান্তিরক্ষীরা বাংলাদেশের অহঙ্কার ও গৌরব।

শনিবার (২৯ মে) আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।

তারা শান্তিরক্ষীরাদের সীমাহীন আত্মত্যাগকে স্মরণ করে ও গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, গত তিন দশকের বেশি সময় ধরে জাতিসংঘের শান্তি মিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ উৎসাহব্যঞ্জক। শান্তিরক্ষা মিশনে সেনা মোতায়েনের সংখ্যার বিচারেও অনেক দিন ধরে শীর্ষ স্থান দখল করে আছে আমাদের দেশ। এই ধারা অব্যাহত রাখা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সমুন্নতি বিধানের জন্য সশস্ত্র বাহিনীর বিশ্ব শান্তি স্থাপনের ভূমিকাকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে মূল্যায়ন করা দরকার।

নেতৃদ্বয় বলেন, বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনীর বড় অংশ এবং পুলিশ ও অন্যান্য সদস্যরা জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছেন। নিজেদের জীবন বিপন্ন করে বিভিন্ন দেশের জাতিগত সংঘাত মোকাবেলা এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত বিচিত্র দেশের রাস্তাঘাট, অবকাঠামো নির্মাণ ও চিকিৎসা সেবায় আমাদের শান্তিরক্ষীরা অনুকরণীয় দায়িত্ব পালন করায় বিশ্বব্যাপী প্রসংশিত হচ্ছেন। বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রশংসা অর্জন দেশবাসীর জন্য সত্যিকার অর্থেই অহঙ্কারের ও গৌরবের।

তারা বলেন, শান্তিপ্রিয় জাতি হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি হচ্ছে, ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কার সাথে বৈরিতা নয়।’ বিশ্বের বিরোধপূর্ণ স্থানে জাতিসংঘের ডাকে শান্তি স্থাপন করা- এজন্য আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর জরুরি দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে। আবার প্রতিবেশি দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হচ্ছে। জাতিসংঘকে শান্তি স্থাপনে সহায়তা দেয়া এবং পাশাপাশি স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য আমাদের সুশিক্ষিত ও পেশাদার সশস্ত্র বাহিনী জাতির অহঙ্কার হিসাবেই টিকে থাকবে।

নেতৃদ্বয় বলেন, ৩৩তম বর্ষপূর্তিতে শান্তিরক্ষীদের অশেষ অবদানকে বিনম্র চিত্তে স্মরণ করছি। শান্তি মিশনের সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। কারণ শান্তিরক্ষীরাই বাংলাদেশের সক্ষমতাকে বিশ্ববাসীর কাছে গৌরবের সঙ্গে তুলে ধরছেন।