নারায়ণগঞ্জ ০৬:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদুল আজহায় নারায়ণগঞ্জবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী আহত সাংবাদিককে দেখতে আর্থিক সহায়তা নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের ঈদে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়: নারায়ণগঞ্জে ৩ পরিবহনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগ: মোতায়েন ১১৪ আনসার ও স্বেচ্ছাসেবক ঈদের শুভেচ্ছা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ,কালাপাহাড়িয়ায় জনতার মুখে মুখে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোবারক হোসাইন ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানালেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সালাউদ্দিন চৌধুরী অপপ্রচারের প্রতিবাদে ‎রূপগঞ্জে যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলন নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন পশুর হাট পরিদর্শনে ডিসি মো. রায়হান কবির সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো প্রতিটি মুমিনের দায়িত্ব- আবদুল জব্বার ঈদকে সামনে রেখে হাট-বাজার ও বসতবাড়ির নিরাপত্তায় থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী: ডিসি রায়হান কবির

মোহমুক্ত হয়ে সঠিক ইতিহাস চর্চা করতে হবে : ন্যাপ মহাসচিব

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৫:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ ২০২১
  • ৩০৪ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি :  রাজনৈতিক সংকীর্ণতার উর্ধ্বে উঠে এবং মোহমুক্ত হয়ে সঠিক ইতিহাস রচনা ও চর্চা করতে হবে বলে মন্তব্য করে বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পেছনে যার যতটুকু অবদান আছে তাকে তার প্রাপ্য মর্যাদা দেয়া উচিত। তাদের প্রতি জাতি হিসাবে আমাদের কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। মনে রাখতে হবে অকৃতজ্ঞ জাতি কখনো এগিয়ে যেতে পারেনা, তবে কৃতজ্ঞতাবোধ একটি জাতিকে বহুদূর নিয়ে যেতে পারে।

মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) নয়াপল্টনের যাদু মিয়া মিলনায়তনে ২৩ মার্চ ন্যাপ ঘোষিত ‘স্বাধীন পূর্ববঙ্গ দিবস’ স্মরণে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসাবে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম আর মুক্তিযুদ্ধ হুট করে শুরু হয়নি। বাংলার জনগনকে মুক্তির স্বপ্ন দেখিয়ে মুক্তিযুদ্ধের দিকে ধাবিত করেছিলেন মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বক্তব্যকে সমর্থন জানিয়ে স্বাধীনতার চূড়ান্ত ডাক দেয়ার আহ্বান জানান মওলানা ভাসানী। সেই সময় ২৩ মার্চ পাকিস্তান দিবসে পল্টনে মওলানা ভাসানীর আহ্বানে ন্যাপ ‘স্বাধীন পূর্ব বাংলা দিবস’ পালন করে। সেখান থেকেই ন্যাপ’র তৎকালীন ন্যাপ সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান যাদু মিয়া পল্টন ময়দানে দলের পক্ষ থেকে স্বাধীনতার দাবী তুলে ধরেন এবং পাকিস্তানের পতাকা নামিয়ে ফেলেন। সে সমাবেশে যাদু মিয়া বলেন, ‘ন্যাপ স্বাধীনতার প্রশ্নে আপসনামা-সমঝোতায় বিশ্বাস করে না।’ আজ ইতিহাস থেকে সেই ঘটনা সহ অনেক ঘটনাই মুছে মুছে ফেলা হয়েছে। যা কখনোই শুভ লঙ্খন নয়।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসকে বিশেষ ব্যক্তি, গোষ্টি বা দলের একক অবদান দাবী করে প্রকারান্তরে যারা ইতহাসকে বিকৃতি করছে তাদের ইতিহাস ক্ষমা করবে না। জাতি হিসাবে আমাদের শ্রেষ্ঠ অর্জন হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা। আর শ্রেষ্ঠ অর্জনকে অর্জন যে মওলানা ভাসানীসহ যারাই জাতিকে স্বপ্ন দেখিয়েছেন, তৈরী করেছেন তাদের সকলকে যথাযথভাবে সম্মান প্রদর্শন জাতি হিসাবে আমাদের কর্তব্য। তাদের যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হলে বাংলাদেশের সঠিক ইতিহাস নির্মান করতে হবে নির্মোহভাবে।

বাংলাদেশ ন্যাপ ভাইস চেয়ারম্যান বাবু স্বপন কুমার সাহা’র সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশগ্রহন করেন এনডিপি মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, সমাজতান্ত্রিক মজদুর পার্টি সাধারন সম্পাদক ডা. শামসুল আলম, ন্যাপ যুগ্ম মহাসচিব এহসানুল হক জসীম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামাল ভুইয়া, নগর সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে বাবু স্বপন কুমার সাহা বলেন, ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ প্রেসিডেন্ট ভবন ও সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর ছাড়া বাংলাদেশের কোথাও পাকিস্তানের পতাকা ওড়েনি। স্বাধীন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বানে সে দিন ‘প্রতিরোধ দিবস’ পালিত হয়। আর মওলানা ভাসানীর আহ্বানে ন্যাপ ‘পূর্ব বাংলা দিবস’ পালন করে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদুল আজহায় নারায়ণগঞ্জবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী

মোহমুক্ত হয়ে সঠিক ইতিহাস চর্চা করতে হবে : ন্যাপ মহাসচিব

আপডেট সময় : ০৭:৪৫:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ ২০২১

বিশেষ প্রতিনিধি :  রাজনৈতিক সংকীর্ণতার উর্ধ্বে উঠে এবং মোহমুক্ত হয়ে সঠিক ইতিহাস রচনা ও চর্চা করতে হবে বলে মন্তব্য করে বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পেছনে যার যতটুকু অবদান আছে তাকে তার প্রাপ্য মর্যাদা দেয়া উচিত। তাদের প্রতি জাতি হিসাবে আমাদের কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। মনে রাখতে হবে অকৃতজ্ঞ জাতি কখনো এগিয়ে যেতে পারেনা, তবে কৃতজ্ঞতাবোধ একটি জাতিকে বহুদূর নিয়ে যেতে পারে।

মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) নয়াপল্টনের যাদু মিয়া মিলনায়তনে ২৩ মার্চ ন্যাপ ঘোষিত ‘স্বাধীন পূর্ববঙ্গ দিবস’ স্মরণে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসাবে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম আর মুক্তিযুদ্ধ হুট করে শুরু হয়নি। বাংলার জনগনকে মুক্তির স্বপ্ন দেখিয়ে মুক্তিযুদ্ধের দিকে ধাবিত করেছিলেন মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বক্তব্যকে সমর্থন জানিয়ে স্বাধীনতার চূড়ান্ত ডাক দেয়ার আহ্বান জানান মওলানা ভাসানী। সেই সময় ২৩ মার্চ পাকিস্তান দিবসে পল্টনে মওলানা ভাসানীর আহ্বানে ন্যাপ ‘স্বাধীন পূর্ব বাংলা দিবস’ পালন করে। সেখান থেকেই ন্যাপ’র তৎকালীন ন্যাপ সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান যাদু মিয়া পল্টন ময়দানে দলের পক্ষ থেকে স্বাধীনতার দাবী তুলে ধরেন এবং পাকিস্তানের পতাকা নামিয়ে ফেলেন। সে সমাবেশে যাদু মিয়া বলেন, ‘ন্যাপ স্বাধীনতার প্রশ্নে আপসনামা-সমঝোতায় বিশ্বাস করে না।’ আজ ইতিহাস থেকে সেই ঘটনা সহ অনেক ঘটনাই মুছে মুছে ফেলা হয়েছে। যা কখনোই শুভ লঙ্খন নয়।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসকে বিশেষ ব্যক্তি, গোষ্টি বা দলের একক অবদান দাবী করে প্রকারান্তরে যারা ইতহাসকে বিকৃতি করছে তাদের ইতিহাস ক্ষমা করবে না। জাতি হিসাবে আমাদের শ্রেষ্ঠ অর্জন হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা। আর শ্রেষ্ঠ অর্জনকে অর্জন যে মওলানা ভাসানীসহ যারাই জাতিকে স্বপ্ন দেখিয়েছেন, তৈরী করেছেন তাদের সকলকে যথাযথভাবে সম্মান প্রদর্শন জাতি হিসাবে আমাদের কর্তব্য। তাদের যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হলে বাংলাদেশের সঠিক ইতিহাস নির্মান করতে হবে নির্মোহভাবে।

বাংলাদেশ ন্যাপ ভাইস চেয়ারম্যান বাবু স্বপন কুমার সাহা’র সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশগ্রহন করেন এনডিপি মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, সমাজতান্ত্রিক মজদুর পার্টি সাধারন সম্পাদক ডা. শামসুল আলম, ন্যাপ যুগ্ম মহাসচিব এহসানুল হক জসীম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামাল ভুইয়া, নগর সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে বাবু স্বপন কুমার সাহা বলেন, ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ প্রেসিডেন্ট ভবন ও সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর ছাড়া বাংলাদেশের কোথাও পাকিস্তানের পতাকা ওড়েনি। স্বাধীন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বানে সে দিন ‘প্রতিরোধ দিবস’ পালিত হয়। আর মওলানা ভাসানীর আহ্বানে ন্যাপ ‘পূর্ব বাংলা দিবস’ পালন করে।