শাখাওয়াত কে ভয় দেখিয়ে নূর হোসেন মোটা অঙ্কের টাকা দাবী

মোঃ শফিকুল ইসলাম আরজু, নাঃগঞ্জ প্রতিনিধিঃ নারায়নগঞ্জের ফতুল্লা থানায় ফতুল্লা পূর্ব সিয়াবচড় এলাকার মোঃ তাজুল ইসলাম এর পুএ অসহায় সাখাওয়াত(৩৮)কে ভয় দেখিয়ে অনৈতিক ভাবে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয়ার পায়তারা করছে মোঃ নূর হোসেন(৫০)

ভুক্তভোগী সাখাওয়াত ঘটনার বিবরনে বলেন,নূর হোসেন ও সেলিম দুজনই সৌদি প্রবাসী ছিলেন।তারা বাংলাদেশে ফিতর এসে ফকিরাপুল আল বাসার ইন্টারন্যাশনাল এক ট্রাবলস এর মাধ্যমে সৌদি প্রবাসী নবীর পাঠানে ভিসায় সৌদিতে থাকা পূর্ব পরিচিত সেলিমকে দিয়ে হাজীগঞ্জ এলাকার নূর হোসেন সৌদি আরব যান ২০১৭ সালে ৬লক্ষ টাকার বিনিময়ে।

সোলিম নবীর একজন নিয়মিত বিদেশে লোক পাঠানোর এজেন্ট হিসেবে কাজ করেন। নূর হোসেন ২০১৭ সালে সৌদি গিয়ে ২ বছরের অধিক কর্মজীবন শেষ করে দেশে ফিরত আসে।নবীর সম্পকীয় আত্মীয় শাখাওয়াত ফকিরাপুলের সেই ট্রাবলসে অফিস কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন।নুর আলম দীর্ঘ বছর সৌদিতে থেকে কাজকরে বেশভালোই টাকাপয়সা উপার্জন করে দেশে এসে আর প্রবাসে যাননি। টাকা পয়সা খরচ করে শেষ হলে চতুর নূর হোসেন ফন্দি করে ফাঁদ পাতেন নবীর আত্মীয় শাখাওয়াত কে ঘায়েল করে কি করে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয়া যায়।চতুর, লোভী স্বার্থবাজ নূর হোসেন দীর্ঘ বছর অতিক্রম করে গত ৩এপ্রিল২০ তারিখে সন্ত্রাসী প্রকৃতির কতিপয় লোকজন নিয়ে শাখাওয়াতের বাড়িতে হানা দেয় এবং বলে আমি নবীর পাঠানো ভূয়া ভিসার কারনে বিদেশ থেকে ফিরত এসেছি তুই তার আত্নীয় সে কারনে তুই আমার টাকা ফেরত দিবি নয়তো তোর নিস্তার নাই।নিরিহ শাখাওয়াত কোন উপায়ন্তর না পেয়ে ঘটনার বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় ৪ এপ্রিল নূর হোসেনর বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ করেন। যার তদন্ত করে ব্যবস্হা গ্রহনের দ্বায়িত্ব অর্পন করেন পুলিশ অফিসার আশিষ কুমার দাস এর নিকট।
নূর হোসেনের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের কোন
প্রতিকার না পেয়ে এখন শাখাওয়াত কেই উল্টো হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। কৌশলবাজ নূর হোসেন সহ তার সঙ্গীয় জাহাঙ্গীর,জসিম,মান্নান সহ অজ্ঞাত কয়েকজন ফতুল্লা থানার পুলিশ অফিসার আজগর এর মাধ্যমে শাখাওয়াতকে থানায় ডেকে এনে টাকা দেবার হুমকি দেয়। শাখাওয়াত তার কাছে চাওয়া অনৈতিক টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে দারোগা স্বাক্ষী প্রমান যাচাই বাচাই না করে নূর হোসেনের পক্ষ নিয়ে শাখাওয়াতকে টাকা দিতে বলে শাখাওয়াতের কাছে নগদ টাকা না পাওয়ায় শাখাওয়াতের জমি বিক্রির রাকিবের কাছে পাওনা বাকী ২লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা রাকিবকে ফোন দিয়ে শাখাওয়াতকে দিতে বারন করেন সেই সাথে এমনটাও বলেন সে টাকা থানায় নিয়ে যেতে কেননা নূর হোসেন দিতে হবে।
অসহায় সহজ সরল শাখাওয়াত নূর হোসেন ও পুলিশের এ ধরনের মারমুখী আচরন দেখে দিশেহারা।
ন্যায় বিচারের জন্য শাখাওয়াত সংশ্লিষ্ট থানা কর্মকর্তা,জেলা পুলিশ সুপার সহ সামাজিক ন্যায় পরায়ন মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।
ঘটনার বিষয়ে পুলিশ অফিসার আজগরের সাথে কথা বললে তিনি বলেন,শাখাওয়াত ও নূর হোসেন এর বিদেশে যাওয়া নিয়ে
টাকা লেনদেনের বিষটি মিমাংসার জন্য উভয় পক্ষের লোকজনের মাধ্যমে একটি চেষ্টা চলছে। তারা সমাধানে ব্যর্থ হলে আইন অনু