সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় এলাকার বাসিন্দা বহুরূপী মো. বাচ্চু মিয়া। যখন যে দল ক্ষমতায় আসে তখন সে দলে মিশে গিয়ে নিজের স্বার্থ হাসিল করেন সুবিধাবাদী ধুর্ত বাচ্চু। নিজের ভূমিসদ্যুতা আড়াল করতে কিছুদিন অগে সন্ত্রাস বিরোধী মামলার আসামি যুবলীগ নেতা মোস্তফাকে পাশে রেখে সাংবাদিক সম্মেলন করে এলাকায় সমালোচনা সৃস্টি করেছেন তিনি। বিগত ১৭ বছর নাসিক ৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ছাত্রলীগ নেতা শাহ জালাল বাদলের ছত্রছায়া বিতর্কিত কর্মকান্ড করে পার পেয়ে যাওয়া ওই বাচ্চু মিয়া এখন বিএনপির নাম ভাঙিয়ে ক্ষমতাসীন দলটির বদনাম করছে বলে অভিযোগ তোলেন স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় বিএনপি নেতা মাইনুল ইসলাম জানান, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার আমলে ৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর শাহ জালাল বাদল ও সাজু ডেভালপারের মালিক শাহজাহান সাজুর ছত্রছায় বাচ্চু এলাকায় নিরহী মানুষের জমি দখল করে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। আওয়ামী লীগের পতনের পর নিজেকে বিএনপির লোক পরিচয় দিয়ে এলাকায় বহাল তবিয়েতে অন্যের জমিদখল অব্যাহত রাখেন বাচ্চু। মজার বিষয় হলো, বাচ্চু মিয়া বিএনপি নেতাদের সাথে মিশে গেলেও গত মাসের ২১ তারিখে যুবলীগ নেতা মোস্তফাসহ কয়েকজনকে পাশে রেখে সাংবাদিক সম্মেলন করেন। অথচ ওই যুবলীগ নেতা মোস্তফার বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় সন্তাস বিরোধী মামলা রয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সিদ্ধিরগঞ্জের মধ্য সানারপাড় এলাকায় ওয়ারিশ সূত্রে পাওনা আতাউর রহমান সরকারগংদের জমি দখল করার ঘটনায় বাচ্চু ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে জাল দলিল তৈরির মামলা ও হামলা ভাঙচুর করায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় লিখিত একটি অভিযোগ করার পর বাচ্চু মিয়া সাংবাদিক সম্মেলন করেন। এ সম্মেলনে তিনি তার প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে দেড় কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ তুলেন। অথচ সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় করা লিখিত অভিযোগ ৩ কোটি টাকা চাঁদাদাবির কথা উল্লেখ করেন। চাঁদার পরিমানে অর্ধেক গড়মিল থাকার কারণ জানতে চাইলে বিষয়টি এড়িয়ে যান মিথ্যাবাদী বাচ্চু।
অন্যের জমি দখল ও রাজনৈতিক লেবাস বদলের বিষয়ে জানতে চাইলে মো. বাচ্চু মিয়া তা সরাসরি অস্বীকার করেন। তার সুনাম নষ্ট করতে প্রতিপক্ষমহল এসব অভিযোগ তুলছেন বলে দাবি করেন তিনি।
প্রতিনিধির নাম 













