নারায়ণগঞ্জ ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইসলামী ব্যাংক ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর মানববন্ধন কাশিপুর কল্যাণী খালের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ সহ খাল পুনঃখনন শুরু, তৎপর সদর উপজেলা প্রশাসন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও বিক্রি: ফতুল্লার সুন্দরবন রেস্তোরাঁর মালিক গ্রেপ্তার ডেঙ্গু ও জলাবদ্ধতা রোধে নারায়ণগঞ্জে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ডিসি মো:রায়হান কবির সিদ্ধিরগঞ্জে ২ কোটি টাকা চাঁদার দাবিতে নির্মাণ সামগ্রী লুটের অভিযোগ যুবদল নেতার ২০ হাজার ছিন্নমূল মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ ঈদুল আজহায় নারায়ণগঞ্জবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী আহত সাংবাদিককে দেখতে আর্থিক সহায়তা নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের ঈদে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়: নারায়ণগঞ্জে ৩ পরিবহনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগ: মোতায়েন ১১৪ আনসার ও স্বেচ্ছাসেবক

আড়াইহাজারে একটি পরিবারের সবাই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১২:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১
  • ২৪৪ বার পড়া হয়েছে

আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ)সংবাদদাতা
আড়াইহাজার উপজেলার ব্রাক্ষন্দী ইউনিয়নের বালিয়াপাড়া গ্রামের একটি পরিবার সকলেই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। কোন সদস্য গ্রেফতার হলে অন্য সদস্যরা এই ব্যবসার হাল ধরেন। যার কারণে বন্ধ হচ্ছেনা মাদক বিক্রি।
জানা গেছে, ওরা সবাই মাদক বিক্রেতা। গ্রেফতার হয় আবার ছাড়া পায়। ওদের পেছনে স্থানীয় প্রভাবশালী কারো হাত রয়েছে। এমন অভিযোগ ঘুরছে বালিয়াপাড়া গ্রামের প্রতিটি মানুষের মুখে মুখে। ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের একটি সুপরিচিত গ্রাম বালিয়াপাড়া। এই গ্রামের নামটি কলঙ্কিত করে ফেলেছে ওই একটি মাদক পরিবার।

তরুণ মাদক বিক্রেতা সোহেল (৩০)। সোহেলের বিরুদ্ধে রয়েছে ৮টি মামলা। এই এলাকায় আবার শোনাযায় ধরা পড়ে ঢুকেছে জেলখানায়। সোহেল জেলে ঢুকলে বের হয়ে আসে তার পিতা হিরোইঞ্চি মকবুল মিয়া (৫২)। ছেলের ঢেরার হাল ধরে। তাকে সাহায্য করে স্ত্রী সোনাবিবি অথাৎ সোহেলের মা (৪০)। সোনাবিবি ও গাঁজা, হেরোইন ও ফেন্সিডিল বিক্রির কায়দা কানুন বেশ ভাল জানে। সোনাবিবির বিরুদ্ধে ১০টি মামলা ঝুলছে। পিতা মকবুল ভুল করে ছদ্মবেশধারী পুলিশের কাছে মাদক বিক্রি করতে গিয়ে ধরা পড়লেও অসুবিধা নেই। এলাকার নেপথ্যের প্রভাবশালীর ইশারায় মাদক ব্যবসার হাল ধরে মকবুল মিয়ার দুই ছেলে সাইফুল (২৩) ও হাফিজ (২৫)। আবার ওরা ধরা পড়লেও মাদক বিক্রি থামে না। প্রভাবশালীর ইশারা ও প্রশ্রয়ে মাঠে নামে মকবুল মিয়ার মেয়ে জামাতা হাবিবুর রহমান হাবু (৩৫)। ওই পরিবারের সবার বিরুদ্ধেই ২/৩ টি করে মামলা রয়েছে। বর্তমানে তাদের মাদক ব্যবসা চলছে পুরো দমে।

আড়াইহাজার থানার ওসি আনিচুর রহমান মোল্লা জানান, আমরা এই বাড়িতে প্রতিনিয়ত অভিযান করি। যার কারণে প্রত্যেতের বিরুদ্ধেই মামলা রয়েছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ইসলামী ব্যাংক ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর মানববন্ধন

আড়াইহাজারে একটি পরিবারের সবাই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত

আপডেট সময় : ০১:১২:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১

আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ)সংবাদদাতা
আড়াইহাজার উপজেলার ব্রাক্ষন্দী ইউনিয়নের বালিয়াপাড়া গ্রামের একটি পরিবার সকলেই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। কোন সদস্য গ্রেফতার হলে অন্য সদস্যরা এই ব্যবসার হাল ধরেন। যার কারণে বন্ধ হচ্ছেনা মাদক বিক্রি।
জানা গেছে, ওরা সবাই মাদক বিক্রেতা। গ্রেফতার হয় আবার ছাড়া পায়। ওদের পেছনে স্থানীয় প্রভাবশালী কারো হাত রয়েছে। এমন অভিযোগ ঘুরছে বালিয়াপাড়া গ্রামের প্রতিটি মানুষের মুখে মুখে। ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের একটি সুপরিচিত গ্রাম বালিয়াপাড়া। এই গ্রামের নামটি কলঙ্কিত করে ফেলেছে ওই একটি মাদক পরিবার।

তরুণ মাদক বিক্রেতা সোহেল (৩০)। সোহেলের বিরুদ্ধে রয়েছে ৮টি মামলা। এই এলাকায় আবার শোনাযায় ধরা পড়ে ঢুকেছে জেলখানায়। সোহেল জেলে ঢুকলে বের হয়ে আসে তার পিতা হিরোইঞ্চি মকবুল মিয়া (৫২)। ছেলের ঢেরার হাল ধরে। তাকে সাহায্য করে স্ত্রী সোনাবিবি অথাৎ সোহেলের মা (৪০)। সোনাবিবি ও গাঁজা, হেরোইন ও ফেন্সিডিল বিক্রির কায়দা কানুন বেশ ভাল জানে। সোনাবিবির বিরুদ্ধে ১০টি মামলা ঝুলছে। পিতা মকবুল ভুল করে ছদ্মবেশধারী পুলিশের কাছে মাদক বিক্রি করতে গিয়ে ধরা পড়লেও অসুবিধা নেই। এলাকার নেপথ্যের প্রভাবশালীর ইশারায় মাদক ব্যবসার হাল ধরে মকবুল মিয়ার দুই ছেলে সাইফুল (২৩) ও হাফিজ (২৫)। আবার ওরা ধরা পড়লেও মাদক বিক্রি থামে না। প্রভাবশালীর ইশারা ও প্রশ্রয়ে মাঠে নামে মকবুল মিয়ার মেয়ে জামাতা হাবিবুর রহমান হাবু (৩৫)। ওই পরিবারের সবার বিরুদ্ধেই ২/৩ টি করে মামলা রয়েছে। বর্তমানে তাদের মাদক ব্যবসা চলছে পুরো দমে।

আড়াইহাজার থানার ওসি আনিচুর রহমান মোল্লা জানান, আমরা এই বাড়িতে প্রতিনিয়ত অভিযান করি। যার কারণে প্রত্যেতের বিরুদ্ধেই মামলা রয়েছে।