ফেসবুক স্ট্যাটাসে কাউন্সিলরে রুহুলের চাঞ্চল্যকর তথ্য

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) সিদ্ধিরগঞ্জের ৮নং ওয়ার্ডের দুইবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর রুহুল আমিন মোল্লার বিরুদ্ধে ওই ওয়ার্ডের এনায়েত নগরের বাসিন্দা ডিস ব্যবসায়ী এমরান হোসেনের থানায় দায়েরকৃত চাঁদাবাজীর অভিযোগ নিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে। এ নিয়ে স্থানীয় ওয়ার্ডবাসী ধুম্রজালের মধ্যে পরেছে। সম্প্রতি কাউন্সিলর রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজীর অভিযোগসহ তার অফিসে হামলা ও বোমা সদৃস্য বস্তু উদ্ধার কান্ড নিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন ডিশ ব্যবসায়ী এমরান হোসেন। রবিবার (১১ জুলাই) সকালে নাসিক ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রুহুল আমিন মোল্লা তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাসে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করে তার অবস্থান পরিস্কার করেছেন।
পাঠকদের সুবিধার জন্য স্ট্যাটাসটি হুবুহু তুলে ধরা হলো, ‘যাদের নজরে আসবে তাদের শেষ পর্যন্ত পড়ার অনুরোধ রহিলো। কয়েক টা সোশ্যাল মিডিয়াতে দেখতে পেলাম আমার নামে চাদা বাজির অভিযোগ করেছে এনায়েত নগর এর বাসিন্দা এমরান হৌসেন। ডিশ ব্যবসা সংক্রান্ত। প্রথমে বলবো এটা মিথ্যা অভিযোগ । কারন এই এমরান এক জন দুষ্ট প্রকৃতির লোক। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন রকমের প্রতারনা করে আসছে কাউকে কোন তোয়াক্কা না করে ও কাজ ও করে যায়। ঐ গুলো সবার সামনে আসবে আমার সাথে ওর কনো ব্যক্তি গত সমস্যা নাই সমস্যা হলো দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ও প্রতরনার ব্যবস্থা নিতে চেয়েছি কয়েক বার ইতিপূর্বে তার জন্য ঐ হয়তো। বর্তমানে যে অভিযোগ তা হলো গত ২০১৯ সালে আনোয়ার নামে একজন ডিশ ব্যবসা করতো (ফাইভ ষ্টার ) পরে আইন গত জটিলতার কারনে প্রশাসন তার বিরুদ্ধে আইন গত ব্যবস্থা গ্রহন করে তখন আনোয়ার পক্ষে ব্যবসা পরিচালনা করা সম্ভব ছিলোনা পরে স্থানীয় আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, সেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমীকলীগ, ব্যবসা করার ইচ্ছা প্রকাশ করে। এমরান তখন ছোট আকারে এনায়েত নগর ডিশ ব্যবসা করে। আনোয়ারের ব্যবসা বন্ধ হবার পর এমরান বিভিন্ন জায়গায় দৌড় যাপ শুরু করে এমন কি আমার শরানাপন্ন হয় সুপারিশের জন্য আমি ত ওকে আগে থেকে ঐ চিনি কেমন আর আমি এই ঝামেলা তে জড়াতে ও চাই না আমার কাছে পাওা না পেয়ে ১০ নং ওয়ার্ড কাউন্সির ইফতেকার আলম খোকন কে ধরে আমাকে বলার জন্য পরে ১০ নং ওয়ার্ড কাউন্সির জানায় সিদ্দিগজ্ঞ থানার প্রতিনিধি জাতীয় যুগান্ত পত্রিকার সাংবাদিক শিপলু ও বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার সাংবাদিক মোঃ শাহিন, কাউন্সিলর ইফতেকার আলম খোকন কে অনুরোধ করে বলে ব্যবসা আপনাদের ঐ ইমরান শুধু লাইসেন্স ব্যবহার করবে সাথে সাংবাদিক লুৎফর রহমান কাকন, ইমরান আলী সজীব কে ও ধরে এবং ওদের নিয়ে আমার বাসায় আসে অনুরোধ করে এমরানের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনার জন্য তখন তাদের সম্মুখে বলি ও ত পরে পল্টি দিবে কারন ওর কাজ হয়ে গেলে আর কাউকে চিনে না তখন আমি বলেদেই এই ঝামেলায় নাই তার পর সাংবাদিক লুৎফর লহমান কাকন ও সাংবাদিক ইমরান আলী সজীব বলে ভাই আপনি একটু সহযোগিতা করলে আমাদের কিছু উপকার হবে তা ছাড়া অনেক গুলো নেতা কর্মিদের কিছু সুবিধা পাবে, পরে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ জনাব হাবীব মোল্লা, এইচ এম মাহাবুব আলম, কাজী অহিদ আলম সবাই একই কথা বলে এই নিয়ে স্থানীয় নেত্রবৃন্দের মাঝে ঝগড়া বিবাদের পরিস্থিতি হলে ১০ নং ওয়ার্ড কাউন্সির সহ সকলে অনুরোধ করায় বলেছি ঠিক আছে আমার কোন সহযোগিতা লাগিলে আমি করিবো তখন সিদ্দান্ত হয় এমরানের ব্যাসায়িক পতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাবসা পরিচালিত হবে এর জন্য এমরান কে সব খরচের পর লাবের ৬০℅ আর অংগ সংগঠনের নেতবৃন্দের জন্য ৪০℅ যদিও সকলের কথা ছিলো ৫০% করে সমান ভাবে নিবে পরে আমি বলেছি এমরান কিছু বেশি পরিশ্রম করবে ওকে ১০% বেশি এমরান বলে ও সাংবাদিক লুওফর রহমান কিকন ও সজীব আছে ওর সাথে ঠিক সেই অুনপাতে সিদ্দান্ত হয় স্থানীয় নেতৃবৃন্দ চার জন জনাব হাবীব মোল্লা, এইচ এম মাহাবুব আলম, কাজী অহিদ আলম, পুষন এই চার জনের সথে এমরানের ব্যাবসায়িক চুক্তির কথা এতে এমরান আমার কাছে আপওি করে বলে ওদের নামে করলে ওরা নাকি অনেক ডিষ্টাব করবে বলে ভাই আপনার এক হাতে থাকলে শান্তি পূর্ণ ভাবে চলবে তখন আমি বলি না ও অনেক অনুরোধ শান্তি শৃংখলার বজায় রাখার জন্য বলি ঠিক আছে আমার সচিব সাইফুলের নামে করেনে তার পর এমরান ঐ ষ্টাম্প কিনে ডিটের বিস্তারিত লিখে আমার অফিসে আমার সামনে সই করে। আমার কাছে ষ্টাম্প জামারেখে জায় তার পরথেকে কোন হিসাব ছাড়াই প্রতি মাসে থুমকা কখনো ৮০ হাজার কখনো ১ লাখ কখনো ১ লাখ বিশ হাজার করে দিত তার পুরাটা এইচ এম মাহাবুবের মাধ্যমে বন্টন করে নিত সবাই এই খানে ১ টাকাও আমার নিজের জন্য নয়। এই ভাবে চলার দের বছর পর জানতে পারি কাজী কেবলের মালিক ঐ এমরান না মালিক হলো ওর ছোট ভাই আমজাদ যখন বুঝতে পারে ও প্রতরনা করেছে তখন সবাই সিদ্দান্ত ডিট বিতিল করার এবং নেতৃবৃন্দ নিজেরাই ব্যবসা পরিচালনা করবে আমার ও খুব রাগ হয় আমার সাথে ও প্রতরনা এমন দুর্দান্ত সাহস পায় কোথায়। এমন কর্মকান্ডের জন্য একদিন রাতে আমার বাসায় আসে আমি গালি গালাজ করে বের করে দেই বলে দেই বাটপারের কোন জায়গা আমার এইখানে নাই। পরে আরেক দিন রাতে ১০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর, হাবীব মোল্লা, এইচ এম মাহাবুব আমার বাসায় আসে আর পরে এমরান ও হাজীর হয় এমরান তার বাটপারীর জন্য মাফ চায় এক বারের জন্য সুযোগ চায় ভবিষ্যতে এমন হবে না হাবীব মোল্লা দায়িত্ব নেয় ডিট ঠিক করে দিবে পরে হাবীব মোল্লাকে অনেক বার বলার পর ও আর পারে নাই কারন চোরে না শুনে ধর্মের কাহানী। এই ভাবে চলছে কয়েক মাস এর মধ্যে এমরান নিজেদের মধ্য থেকে দু-এক জন নেশায় অব্যস্ত তাদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে কারন তাদের ত নেশার টাকা প্রয়োজন যখন তখন। এমরান তাকে টাকা দিয়ে নিজেদের মধ্যে বিবেদ সৃষ্টির পায়তারা করে আর গত চার মাস যাবত অংশীদার দেও কোন হিসাব দিচ্ছে না তাই নিয়ে স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় আমার পক্ষ থেকে এমরান কে বলা হয় বিষয়টি সমাধানের জন্য কিন্ত ও আমলে নিচ্ছে না তখন নেতৃবৃন্দ বাধ্য হয়ে নিজে অংশ নিজেরাই বুঝে নেওয়ার সিদ্দান্ত নেয়। এই নিয়ে প্রস্তুতী চলাকালে ঐ পুলীশ আসলে নেতৃবৃন্দ পুলিশ কে অবগত করে পুলিশ বলে কোন পক্ষ কোন ধরনের কাজ করবে না ওসি সাহেবের সাথে যোগাযোগের জন্য বলা হয়। তার কিছুক্ষন পর আমি দক্ষিন এনায়েত নগর, আইল পাড়া, এনায়েত নগর বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক ভিজিট করে বাসায় ফিরছিলাম তাতখানা মসজিদের সামনে পৌছতে দেখি অনেক লোকের সমাগম দেখে গাড়ি থেকে নামি বিষয় জানার জন্য পরে জানতে পারি যে গোপনে এমরানের কাছ থেকে টাকা আনে সে নাকি সকল কে গালা গালি করছে তা নিয়ে ঝগড়ার সৃষ্টি হলে আমি সকলে কে বাসায় পাঠিয়ে বাসায় চলে আসি আর বলি যে হেতু থানা বলেছে যোগাযোগ করতে বিষয় টি ওসি সাহেবের সাথে আলোচনা করে ঐ সমাধান হবে। দুই দিন পর ওসি সাহেব কে অবগত করা হয় ওনি বিস্তারিত বলেছে দ্রæত সময় ডিট অনুযায়ী সমাধান হবে। আগে শুধু এমরানের কাথে শুনেছে এত কিছু অবগত ছিলো না। আমরা ও শান্তি পূর্ন সমাধান ঐ চেয়েছি তার কাছে। এটাই মল ঘটনা এখন আপনারা বেভে দেখেন এই খানে চাদা বাজির কি আছে। এক হিসাব দেয় না আড়াই বছর ধরে থুমকা টাকা দিয়ে চলে এসেছে নেতৃবৃন্দের অভিযোগ ছিলো আমরা হিসাব দেখে লাভ নিবো লস হলে তা ও দিবো কিন্তু এমরান লভ্যাংশ বেশি নিয়েছে বলে কখনো হিসাব দেয় নাই। এখন বলে জোর করে নাকি ডিট করা হয়েছে যদি তাই হতো তা হলে আড়াই বছরে কেন অভিযোগ করে নাই। আসলে প্রতারকের প্রতারনা তারা সাময়ীক সময়ের জন্য ভালো মানুষ সাজে ও কাজ শেষ হবার পর ও আর সাংবাদিক লুৎফর রহমান কাকন ও ইমরান আলী সজীব কে আর চিনে নাই বলেছে তারা নাকি ওর কোন কাজে সহযোগিতা করে নাই। যাই হউক আমরা এখন ওসি সাহেবের সিদ্দান্তের অপেক্ষা আছি। আর যাযা নিউজ করেছে তাদের প্রতি আমার কোন অভিযোগ নাই যেহেতু অভিযোগ হয়েছে আপনারা লিখতে ঐ পারেন তবে আমার প্রশ্ন আগের দিন যখন আমরা ওসি সাহেব কে সমস্ত বিষয় অবগত করেছি ওনি বলেছেন দু-তিন দিনের মধ্যে বসবেন সমাধানের জন্য তার পরের দিন একজন সন্মানিত কাউন্সিলের বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ নিয়ে পত্রিকায় প্রকাশের সুযোক করে দেওয়া কতটুকু যুক্তিগত আমার বোধগম্য নয় তার পর ও আইনের প্রতি প্রদ্ধাশীল। আইনগত না হলে নেতৃবৃন্দ নিজেদের হিসাব নিজেরাই বুজে নিবে। এক জামাত শীবির প্রতারকের কাছে আওয়ামীলীগের তৃনমুলের কর্মিরা হার মানবে না। আসলে সামনে নির্বাচন তাই প্রতিপক্ষ ওতপেতে আছে সত্যকে মিথ্যা আর মিথ্যাকে সত্য বানিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে সম্মান নষ্ট করার জন্য। আমি কেমন এটা সবাই জানে। ধন্যবাদ।’