সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১। ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গত বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সোয়া বারটায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে শিমরাইল মোড় থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ম্যাগাজিন ভর্তি একটি বিদেশী পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি, চৌচল্লিশটি ককটেল, তিনটি চাপাতি, একটি হাতুড়ি ও একটি কোরাবারী উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তাররা হলো- মোঃ বাবুল হোসেন (৩২), মোঃ সেলিম (৩২), মোঃ রিপন ভূঁইয়া (২৬), মোঃ রবিউল ইসলাম (২৬), মোঃ আব্দুর রশিদ(৪৫), মোঃ রফিকুল ইসলাম (৪০) ও মোঃ জাবেদ হোসেন (২৯)।
সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজীতে র্যাব-১১ এর সদর দফতরে বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে র্যাব অধিনায়ক লে: কর্ণেল খন্দকার সাইফুল আলম পিবিজিএম এতথ্য নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রেপ্তারারা সবাই আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। এচক্রটি বড় বড় স্বর্ণের দোকান টার্গেট করে অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়ে ককটেল বিস্ফোরণ ও অস্ত্র প্রদর্শন করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে লুট পাট করে মুহুর্তের মধ্যে পালিয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে তারা দেশের বিভিন্ন এলাকায় অপরাপর সহযোগীদের নিয়ে স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি করে আসছে। সন্ধ্যা থেকে দোকান বন্ধের আগ পর্যন্ত সময়কে তারা বেছে নেয়। বিগত কয়েক বছরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় স্বর্ণের দোকানে ঘটে যাওয়া বেশ কয়েকটি চাঞ্চল্যকর ডাকাতির সঙ্গে এই সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের সদস্যরা জড়িত। তারা লক্ষীপুর জেলার সদর উপজেলার কলেজ রোড এলাকায় একটি স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়ার জন্য শিমরাইল মোড়ে অবস্থান করছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বাীকার করেছে। কয়েকদিন আগে ককটেল বানানোর সময় বিস্ফোরণে ডাকাত দলের প্রধান মোঃ বাবুল হোসেনের পা পুড়ে যায়।
তিনি আরো জানান, র্যাবের গোয়েন্দা সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রায় দুই মাস ধরে নজরদারীর মাধ্যমে এই ডাকাত দলকে সনাক্ত করে তাদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে অভিযান চালানো হয়। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
প্রতিনিধির নাম 
















