নারায়ণগঞ্জ ০২:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

চাঁদা দাবির অভিযোগে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার দুই ওসির বিরুদ্ধে মানববন্ধন

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২৩:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • ১১৪ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ফারুক ও ওসি (অপারেশন) রুবেল হাওলাদারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন। অপেশাধারী আচরণ ও চাঁদা দাবিসহ নানা অপকর্মের প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা জাতীয় প্রেসকাব প্রাঙ্গনে সিদ্ধিরগঞ্জের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও চুনা শিল্পপতি হাজি চাঁনমিয়া সমর্থকবৃন্দ এ মানববন্ধন করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে যোগদান করার পর থেকে চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্ম শুরু করে কামরুল ফারুক। একই পথ অবলম্বন করেন ওসি (অপারেশন) রুবেল হালাদার। তাছাড়া এই দুই পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের সঙ্গে অপেশাধারী আচরণ করার বহু অভিযোগ রয়েছে।ওসি কামরুল ফারুক থানায় যোগদান করেই সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকার চুনা কারখানা মালিকদের কাছে মাসে ১ লাখ টাকা করে চাঁদা দাবি করেন। চুনা শিল্পপতি হাজি চাঁনমিয়া চাঁদা দিতে আপত্তি জানালে ওসি নানা ভাবে চাঁনমিয়াকে হয়রানী শুরু করে। এমনকি ওসি (অপারেশন) রুবেল হাওলাদারের মাধ্যমে থানায় ডেকে নিয়ে ওসি কামরুল ফারুক চাঁনমিয়ার সঙ্গে অসদাচরণ ও মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করার হুমকি দেয়। এর পর ওসি কামরুল ফারুক ও রুবেল হাওলাদারের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন বিভিন্ন মহলে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন চাঁনমিয়া। যা বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। তার পরও রহস্যজনক কারণে এই দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করেননি প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দপ্তর। এমনকি অভিযোগের তদন্ত পর্যন্ত করা হয়নি বলে চাঁনমিয়ার অভিযোগ। তাই পুলিশের সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুন্নকারি ওসি কামরুল ফারুক এবং ওসি (অপারেশন) রুবেল হাওলাদারের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন মানববন্ধনকারিরা।
এদিকে সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক দলের নেতাসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষ ওসি কামরুল ফারুকের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে পড়েছে বলে ব্যপক অভিযোগ রয়েছে। প্রতিপক্ষের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে নিরীহ নিরপরাধ লোকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার ও অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ওসি ফামরুল ফারুকের বিরুদ্ধে। তাছাড়া দায়িত্ব পালনের অবহেলার অভিযোগও রয়েছে এই ওসির বিরুদ্ধে। জিডি বা অভিযোগ করতে কনো টাকা লাগেনা টিউটি অফিসারের কক্ষে এমন লিখা ঝুলিয়ে রাখা হলেও বাস্তবে টাকা ছাড়া কোনটাই হয়না বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। নিজের অপকর্ম আড়াল করতে কিছু বিশেষ পেশার দালাল পোষছেন ওসি কামরুল ফারুক। এসব দালালরা তার গুনকির্তন গাইতে সর্বদায় ব্যস্ত থাকে। বিনিময়ে কিছু অর্থিক পায়দাও পাচ্ছে দালালরা। যা সকলে অবগত। তাছাড়া বিশেষ পেশার কিছু সোর্সরা হয়ে পড়েছে ওসির ঘনিষ্টজন। তাদের কথায় ওসি দিনকে রাত আর রাতকে দিন বানাতেও ধিদা করেনা বলে জনশ্রুতি রয়েছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদা দাবির অভিযোগে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার দুই ওসির বিরুদ্ধে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ১২:২৩:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২০

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ফারুক ও ওসি (অপারেশন) রুবেল হাওলাদারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন। অপেশাধারী আচরণ ও চাঁদা দাবিসহ নানা অপকর্মের প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা জাতীয় প্রেসকাব প্রাঙ্গনে সিদ্ধিরগঞ্জের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও চুনা শিল্পপতি হাজি চাঁনমিয়া সমর্থকবৃন্দ এ মানববন্ধন করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে যোগদান করার পর থেকে চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্ম শুরু করে কামরুল ফারুক। একই পথ অবলম্বন করেন ওসি (অপারেশন) রুবেল হালাদার। তাছাড়া এই দুই পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের সঙ্গে অপেশাধারী আচরণ করার বহু অভিযোগ রয়েছে।ওসি কামরুল ফারুক থানায় যোগদান করেই সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকার চুনা কারখানা মালিকদের কাছে মাসে ১ লাখ টাকা করে চাঁদা দাবি করেন। চুনা শিল্পপতি হাজি চাঁনমিয়া চাঁদা দিতে আপত্তি জানালে ওসি নানা ভাবে চাঁনমিয়াকে হয়রানী শুরু করে। এমনকি ওসি (অপারেশন) রুবেল হাওলাদারের মাধ্যমে থানায় ডেকে নিয়ে ওসি কামরুল ফারুক চাঁনমিয়ার সঙ্গে অসদাচরণ ও মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করার হুমকি দেয়। এর পর ওসি কামরুল ফারুক ও রুবেল হাওলাদারের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন বিভিন্ন মহলে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন চাঁনমিয়া। যা বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। তার পরও রহস্যজনক কারণে এই দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করেননি প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দপ্তর। এমনকি অভিযোগের তদন্ত পর্যন্ত করা হয়নি বলে চাঁনমিয়ার অভিযোগ। তাই পুলিশের সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুন্নকারি ওসি কামরুল ফারুক এবং ওসি (অপারেশন) রুবেল হাওলাদারের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন মানববন্ধনকারিরা।
এদিকে সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক দলের নেতাসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষ ওসি কামরুল ফারুকের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে পড়েছে বলে ব্যপক অভিযোগ রয়েছে। প্রতিপক্ষের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে নিরীহ নিরপরাধ লোকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার ও অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ওসি ফামরুল ফারুকের বিরুদ্ধে। তাছাড়া দায়িত্ব পালনের অবহেলার অভিযোগও রয়েছে এই ওসির বিরুদ্ধে। জিডি বা অভিযোগ করতে কনো টাকা লাগেনা টিউটি অফিসারের কক্ষে এমন লিখা ঝুলিয়ে রাখা হলেও বাস্তবে টাকা ছাড়া কোনটাই হয়না বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। নিজের অপকর্ম আড়াল করতে কিছু বিশেষ পেশার দালাল পোষছেন ওসি কামরুল ফারুক। এসব দালালরা তার গুনকির্তন গাইতে সর্বদায় ব্যস্ত থাকে। বিনিময়ে কিছু অর্থিক পায়দাও পাচ্ছে দালালরা। যা সকলে অবগত। তাছাড়া বিশেষ পেশার কিছু সোর্সরা হয়ে পড়েছে ওসির ঘনিষ্টজন। তাদের কথায় ওসি দিনকে রাত আর রাতকে দিন বানাতেও ধিদা করেনা বলে জনশ্রুতি রয়েছে।