নারায়ণগঞ্জ ০৮:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পোশাক রপ্তানিতে ভিয়েতনামকে ছাড়াল বাংলাদেশ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ ট্রেন চলাচল বন্ধ ৪ ডিসেম্বর থেকে হিন্দি সিনেমায় জয়া আহসান, নায়ক পঙ্কজ ত্রিপাঠি গ্রুপ সেরা আর্জেন্টিনা, শেষ ষোলয় প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া সিদ্ধিরগঞ্জে জয়নাল বাহিনীর ৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় স্কুলে অনৈতিক আর্থিক সুবিধায় ক্ষমতার চেয়ারে শিক্ষিকা দিলরুবা রূপগঞ্জে ভুল চিকিৎসায় ৭ বছরের মাদ্রাসা পরুয়া শিশুর মৃত্যু ফতুল্লা ওসি’র কন্যা রাইসা জিপিএ ফাইভ পেয়েছেন সোনারগাঁয়ে টেক্সটাইল মিলে ও মিষ্টি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ড ফতুল্লায় অপহরনকারী চক্রের নারী সদস্যসহ গ্রেপ্তার ৫, অপহৃত উদ্ধার

সিদ্ধিরগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা আটক ১৭ এলাকা জন শূন্য

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২০
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :সিদ্ধিরগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনায় নাসিক ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম মন্ডল ও বর্তমান কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতির সমর্থকদের মধ্যে মারামারির ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে। মামলায় ৩৮ জনের নাম উল্লেখ ও দুইশ জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে। এ মামলায় সিরাজুল ইসলাম মন্ডলের বড় ভাই ঘটনার ইন্দনদাতা মজিবুর রহমান মন্ডলসহ মোট ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে মঙ্গলবার (৪ জুলাই) ৯ জনকে আদালতে প্রেরণ করা হয়।
তারা হলো, মজিবুর রহমান মন্ডল, আলমগীর হোসেন, মাঈনুদ্দিন, খোকন, শাহআলম শুভ, রুবেল, মাজেদা, আল-আমিন ও জনি। তাদেরকে ঘটনার দিন রাতেই আটক করা হয়েছিল। মামলা দায়ের করার পর ৪ জুলাই দুপুরে এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরো ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের নাম জানা জায়নি।
পুলিশ জানায়, গত দুই জুলাই রাত সাড়ে ৭ টার দিকে নাসিক ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সুমিলপাড়ার আইলপাড়া রেললাইন এলাকায় তুচ্ছ বিষয় নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারি হয়। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পরে আরো দুই দফা মারামারি ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। মারামারিতে উভয় গ্রুপের কম পক্ষে ১৩ জন আহত হয়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে।
এ বিষয়ে কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র-২ মতিউর রহমান মতি জানান, তুচ্ছ বিষয়কে ইন্দন দিয়ে বড় করেছে ঘটনার নায়ক মাদক ব্যবসায়ী শাকিলের পিতা মোফাজ্জল হোসেন মুন্সি ও সিরাজুল ইসলাম মন্ডলের বড় ভাই মজিবুর রহমান মন্ডল।
এদিকে ৩৮ জনের নাম উল্লেখ ও দুইশ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করার পর থেকে এলাকা জনশূন্য হয়ে পড়েছে। গ্রেপ্তার এড়াতে গাঁ ঢাকা দিয়েছে তারা। ঘটনার সাথে জড়িত নয় এমন লোককেও এজাহারনামীয় আসামি করা হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। মামলা থেকে বাদ পড়েনি পুলিশের একান্ত কাছের লোক হিসেবে পরিচিত জ্বালানি তেল চোরাকারবারিদের সরদার সোর্স আশরাফ উদ্দিন। কাউন্সিলর মতির ঘনিষ্ট ৬ নং ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা খন্দকার মানিক মাষ্টারকেও আসামি করা হয়েছে। মামলায় নাম উল্লেখিত আসামিরা কাউন্সিলর মতি ও সাবেক কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম মন্ডলের কর্মী ও সমর্থক।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

পোশাক রপ্তানিতে ভিয়েতনামকে ছাড়াল বাংলাদেশ

সিদ্ধিরগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা আটক ১৭ এলাকা জন শূন্য

আপডেট সময় : ১০:৫৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২০

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :সিদ্ধিরগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনায় নাসিক ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম মন্ডল ও বর্তমান কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতির সমর্থকদের মধ্যে মারামারির ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে। মামলায় ৩৮ জনের নাম উল্লেখ ও দুইশ জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে। এ মামলায় সিরাজুল ইসলাম মন্ডলের বড় ভাই ঘটনার ইন্দনদাতা মজিবুর রহমান মন্ডলসহ মোট ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে মঙ্গলবার (৪ জুলাই) ৯ জনকে আদালতে প্রেরণ করা হয়।
তারা হলো, মজিবুর রহমান মন্ডল, আলমগীর হোসেন, মাঈনুদ্দিন, খোকন, শাহআলম শুভ, রুবেল, মাজেদা, আল-আমিন ও জনি। তাদেরকে ঘটনার দিন রাতেই আটক করা হয়েছিল। মামলা দায়ের করার পর ৪ জুলাই দুপুরে এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরো ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের নাম জানা জায়নি।
পুলিশ জানায়, গত দুই জুলাই রাত সাড়ে ৭ টার দিকে নাসিক ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সুমিলপাড়ার আইলপাড়া রেললাইন এলাকায় তুচ্ছ বিষয় নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারি হয়। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পরে আরো দুই দফা মারামারি ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। মারামারিতে উভয় গ্রুপের কম পক্ষে ১৩ জন আহত হয়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে।
এ বিষয়ে কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র-২ মতিউর রহমান মতি জানান, তুচ্ছ বিষয়কে ইন্দন দিয়ে বড় করেছে ঘটনার নায়ক মাদক ব্যবসায়ী শাকিলের পিতা মোফাজ্জল হোসেন মুন্সি ও সিরাজুল ইসলাম মন্ডলের বড় ভাই মজিবুর রহমান মন্ডল।
এদিকে ৩৮ জনের নাম উল্লেখ ও দুইশ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করার পর থেকে এলাকা জনশূন্য হয়ে পড়েছে। গ্রেপ্তার এড়াতে গাঁ ঢাকা দিয়েছে তারা। ঘটনার সাথে জড়িত নয় এমন লোককেও এজাহারনামীয় আসামি করা হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। মামলা থেকে বাদ পড়েনি পুলিশের একান্ত কাছের লোক হিসেবে পরিচিত জ্বালানি তেল চোরাকারবারিদের সরদার সোর্স আশরাফ উদ্দিন। কাউন্সিলর মতির ঘনিষ্ট ৬ নং ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা খন্দকার মানিক মাষ্টারকেও আসামি করা হয়েছে। মামলায় নাম উল্লেখিত আসামিরা কাউন্সিলর মতি ও সাবেক কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম মন্ডলের কর্মী ও সমর্থক।