নারায়ণগঞ্জ ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সোনারগাঁওয়ে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সিদ্ধিরগঞ্জে ৪টি কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন হারামের পয়সা ব্যারামে খায় ,আমি হারাম খাই না খেতেও দেই না-সেলিম ওসমান ভূমি সম্পর্কিত সমস্যা থাকলে গণশুনানিতে আসার আহবান- না.গঞ্জে জেলা  প্রশাসক সিদ্ধিরগঞ্জে গ্যাসের দাবিতে ঢাকা-চটগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ সোনারগাঁওয়ে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪ অনুষ্ঠিত র‌্যাব পরিচয়ে ৫২ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় গ্রেফতার-৪ সিদ্ধিরগঞ্জে কাতার প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি চিকিৎসার নামে কোনো প্রকার হয়রানি মেনে নেওয়া হবে না ঃ স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাসিকের ময়লার গাড়ির ধাক্কায় গর্ভবতীর পোশাক শ্রমিক নিহত

করোনা সংকটে শিক্ষক শিক্ষিকার পরিবার মানবেতর জীবন জাপন

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৭:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২০
  • ১৫৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব সংবাদদাতা : সারাদেশের ন্যায় মহামারী করোনা ভাইরাস সংকটে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আওতাধীন পাড়া মহল্লায় গড়ে উঠা মালিকনাাধীন কিন্ডার গার্টেন স্কুল ও হাফিজিয়া নুরানী মাদ্রাসার শিক্ষক শিক্ষিকার পরিবার মানবেতর জীবন জাপন করছে বলে সূত্রে জানা যায়। দেখার কেউ নাই ।
এলাকা ঘুরে জানাযায়, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা ও ফতুল্লার পাড়া মহল্লায় গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকশত কিন্ডার গার্টেন ও হাাফিজিয়া নুরানী মাদ্রাসা । এই মালিকাধীন প্রাইভেট স্কুল ও মাদ্রাসায় চাকুরীরত শিক্ষক শিক্ষিকারা আজ অর্থ সংকটে দিনাতিপাত করছে। এই কিন্ডার গার্টেন স্কুল ও মাদ্রাসাগুলো করোনা ভাইরাসের কারণে বন্ধ থাকায় প্রাইভেট ও স্কুল মাদ্রাসায় পাঠদান বন্ধ । গত মার্চ থেকে আর্থিক সংকটে আছেণ শিক্ষক শিক্ষিকাগণ। তারা সম্মানী ভাতা দিয়ে প্রাইভেট স্কুল গুলেতো চাকুরী করে পাশাপাশি টিউশনী ও লজিং খেয়ে শিক্ষিত যুবক ও যুবতীরা বসবাস করে আসছে। আবার অনেকে পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। এই করোনা সংকটে তাদের প্রতিষ্টান ও টিউশন বন্ধ এমনকি লজিং থাকতে পারছেন না অনেক শিক্ষকরা। যে সকল শিক্ষক শিক্ষিকারা পরিবার নিয়ে এই শহরে বসবাস করে তাদের মানবেতর জীবন যাপন করছে। ঘর ভাড়া বিদ্যুৎ বিল দেয়া সহ তাদের পরিবারের ভরণ পোষণ করতে সমস্যা হচ্ছে অনেকেরই এমনটাই বলছেন ভুগতোভোগীরা। এরা লজ্জায় কারো কাছে হাত পেতে কিছু নিতে পারে না। এমন কি সরকারী ভাবে ত্রাণ সামগ্রীও পাচ্ছে না তারা। এই শিক্ষক শিক্ষিকাদের গত ফেব্রুয়ারী ও মার্চে অর্ধেক টিশন ফি ঠিক মতো পরিশোধ করতে পারেনি অনেক অভিভাবকরা। তারাও করোনা সংকট দেখিয়ে কেটে পরে। বিপাকে আছে কিন্ডার গার্টেনের শিক্ষক শিক্ষিকারা। তাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে বলে জানান বেশ কয়েকজন শিক্ষকরা। ফতুল্লার লালপুর কানন প্রি ক্যাডেট এন্ড হাইস্কুল , টাচ স্টোন এডুকেশন হোম ,রেড রোজ ইন্টার ন্যাশনাল স্কুল ,হাবিবুর রহমান কিন্ডার গার্টেন, প্রগ্রেসিভ স্কুল, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, অক্সফোর্ড স্কুল ,শাহ ফতেউল্লাহ কিন্ডার গার্টেন,ডে সান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলসহ এ রকম মফ¯ø এলাকায় স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকাগণের অবস্থা বেহাল দশা। তাদের অনেকের পরিবারের মাঝে অর্থণেতিক সংকটে পড়েছে। তাদের বুকে চাপা কষ্ট নিয়ে দিনাতিপাত করছে। অনেক স্কুলের বিদ্যুৎ বিল গ্যাস বিলসহ নানা সংকটে আছে স্কুল মালিকরা। তবে সচেতন মহল জানান মালিকদের চেয়ে ফ্রিন্যান্স এই শিক্ষক শিক্ষিকারা অনেক কষ্টে তাদের সংসার চলছে।
অপরদিকে, প্রাইভেট মালিকানাধীন হাফিজিয়া,নুরানী মাদ্রাসার শিক্ষক শিক্ষিকারা জানান, তাদের এই মহামারী করোনা সংকটে গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল ভাড়াসহ নানা সমস্যায় আছেন । প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও শিক্ষিক শিক্ষিকারা আরো জানান তাদের এই সংকটে পড়াশুনার যেমন ক্ষতি হচ্ছে তেমনি ক্ষতি হচ্ছে ভাড়া গুণতে হচ্ছে মোটা অঙ্কের। তারা এই প্রতিষ্ঠানের ভাড়া গ্রাম থেকে জমি বিক্রি করে দিতে হবে। কারণ হিসেবে অনেকেই জানান তাদের মাসিক ঘর ভাড়া ২০ হাজার থেকে ২৫ হাজার আবার বিদ্যুৎ বিলসহ অনেক টাকা গুণতে হচ্ছে। আগামী ৬ আষ্ট পযর্ন্ত ৪ মাস প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলে বিশাল কষ্ট হবে। মাদ্রাসার কর্মরত শিক্ষিক শিক্ষিকাগণ প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলে বেকার হয়ে পড়েন। তাদের পরিবার নিয়ে চলতে ভীষণ সমস্যা হচ্ছে । তারাও সরকারীভাবে তেমন কোন প্রকার ত্রাণ বা অনুদান পায়নি। তাদের পরিবার মানবেতর জীবন যাপন করছে। অনেকে বাসা ছেড়ে গ্রামে গিয়েও আর্থিক সংকটে আছে।
সচেতন মহল জানান, যারা সরকারী স্কুল ও মাদ্রাসায় চাকুরী করে আসছেন তাদের প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও বেতনভাতা পাচ্ছেন এবং ছুটি ভোগ করছেন। তাদের অর্থনৈতিক সংকট নাই। যারা কিন্ডার গার্টেন ও প্রাইভেট মাদ্রাসায় চাকুরী করেন তারা ভীষণ আর্থিক সংর্কটে আছেন। আবার যারা পরিপূর্ণ চাকচিক্যময় ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল তাদের তেমন সমস্যা নেই। তারাও তাদের বাৎসরিক আয় ব্যয় দিয়ে এই সংকট কেটে উঠতে পারবেন।
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা ও ফতুল্লা এলাকায় অবস্থিত কিন্ডার গার্টেন স্কুল ও প্রাইভেট হাফিজিয়া নুরানী মাদ্রাসার শিক্ষক মিক্ষিকাদেরকে দাবী মমতাময়ী প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা মহোদয়ে সরকারের দায়িত্বরত শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের কর্মকর্তারা নজর দিবেন এমনটাই আশা শিক্ষক শিক্ষিকাদের।
এছাড়া স্থানীয় এমপি মহোদয়ে এবং ইউনিয়ণ পরিষদের চেয়ারম্যান মেম্বারের বিষয়টি নজরে নিলে ফ্রিল্যান্স উল্লেখিত শিক্ষক শিক্ষিকাগনের সংসারে স্বচ্চলতা ফিরে আসবে । ফুটে উঠবে ঐ কষ্টে থাকা পরিবারের মুখে হাসি।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সোনারগাঁওয়ে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

করোনা সংকটে শিক্ষক শিক্ষিকার পরিবার মানবেতর জীবন জাপন

আপডেট সময় : ০৬:২৭:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২০

নিজস্ব সংবাদদাতা : সারাদেশের ন্যায় মহামারী করোনা ভাইরাস সংকটে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আওতাধীন পাড়া মহল্লায় গড়ে উঠা মালিকনাাধীন কিন্ডার গার্টেন স্কুল ও হাফিজিয়া নুরানী মাদ্রাসার শিক্ষক শিক্ষিকার পরিবার মানবেতর জীবন জাপন করছে বলে সূত্রে জানা যায়। দেখার কেউ নাই ।
এলাকা ঘুরে জানাযায়, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা ও ফতুল্লার পাড়া মহল্লায় গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকশত কিন্ডার গার্টেন ও হাাফিজিয়া নুরানী মাদ্রাসা । এই মালিকাধীন প্রাইভেট স্কুল ও মাদ্রাসায় চাকুরীরত শিক্ষক শিক্ষিকারা আজ অর্থ সংকটে দিনাতিপাত করছে। এই কিন্ডার গার্টেন স্কুল ও মাদ্রাসাগুলো করোনা ভাইরাসের কারণে বন্ধ থাকায় প্রাইভেট ও স্কুল মাদ্রাসায় পাঠদান বন্ধ । গত মার্চ থেকে আর্থিক সংকটে আছেণ শিক্ষক শিক্ষিকাগণ। তারা সম্মানী ভাতা দিয়ে প্রাইভেট স্কুল গুলেতো চাকুরী করে পাশাপাশি টিউশনী ও লজিং খেয়ে শিক্ষিত যুবক ও যুবতীরা বসবাস করে আসছে। আবার অনেকে পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। এই করোনা সংকটে তাদের প্রতিষ্টান ও টিউশন বন্ধ এমনকি লজিং থাকতে পারছেন না অনেক শিক্ষকরা। যে সকল শিক্ষক শিক্ষিকারা পরিবার নিয়ে এই শহরে বসবাস করে তাদের মানবেতর জীবন যাপন করছে। ঘর ভাড়া বিদ্যুৎ বিল দেয়া সহ তাদের পরিবারের ভরণ পোষণ করতে সমস্যা হচ্ছে অনেকেরই এমনটাই বলছেন ভুগতোভোগীরা। এরা লজ্জায় কারো কাছে হাত পেতে কিছু নিতে পারে না। এমন কি সরকারী ভাবে ত্রাণ সামগ্রীও পাচ্ছে না তারা। এই শিক্ষক শিক্ষিকাদের গত ফেব্রুয়ারী ও মার্চে অর্ধেক টিশন ফি ঠিক মতো পরিশোধ করতে পারেনি অনেক অভিভাবকরা। তারাও করোনা সংকট দেখিয়ে কেটে পরে। বিপাকে আছে কিন্ডার গার্টেনের শিক্ষক শিক্ষিকারা। তাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে বলে জানান বেশ কয়েকজন শিক্ষকরা। ফতুল্লার লালপুর কানন প্রি ক্যাডেট এন্ড হাইস্কুল , টাচ স্টোন এডুকেশন হোম ,রেড রোজ ইন্টার ন্যাশনাল স্কুল ,হাবিবুর রহমান কিন্ডার গার্টেন, প্রগ্রেসিভ স্কুল, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, অক্সফোর্ড স্কুল ,শাহ ফতেউল্লাহ কিন্ডার গার্টেন,ডে সান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলসহ এ রকম মফ¯ø এলাকায় স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকাগণের অবস্থা বেহাল দশা। তাদের অনেকের পরিবারের মাঝে অর্থণেতিক সংকটে পড়েছে। তাদের বুকে চাপা কষ্ট নিয়ে দিনাতিপাত করছে। অনেক স্কুলের বিদ্যুৎ বিল গ্যাস বিলসহ নানা সংকটে আছে স্কুল মালিকরা। তবে সচেতন মহল জানান মালিকদের চেয়ে ফ্রিন্যান্স এই শিক্ষক শিক্ষিকারা অনেক কষ্টে তাদের সংসার চলছে।
অপরদিকে, প্রাইভেট মালিকানাধীন হাফিজিয়া,নুরানী মাদ্রাসার শিক্ষক শিক্ষিকারা জানান, তাদের এই মহামারী করোনা সংকটে গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল ভাড়াসহ নানা সমস্যায় আছেন । প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও শিক্ষিক শিক্ষিকারা আরো জানান তাদের এই সংকটে পড়াশুনার যেমন ক্ষতি হচ্ছে তেমনি ক্ষতি হচ্ছে ভাড়া গুণতে হচ্ছে মোটা অঙ্কের। তারা এই প্রতিষ্ঠানের ভাড়া গ্রাম থেকে জমি বিক্রি করে দিতে হবে। কারণ হিসেবে অনেকেই জানান তাদের মাসিক ঘর ভাড়া ২০ হাজার থেকে ২৫ হাজার আবার বিদ্যুৎ বিলসহ অনেক টাকা গুণতে হচ্ছে। আগামী ৬ আষ্ট পযর্ন্ত ৪ মাস প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলে বিশাল কষ্ট হবে। মাদ্রাসার কর্মরত শিক্ষিক শিক্ষিকাগণ প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলে বেকার হয়ে পড়েন। তাদের পরিবার নিয়ে চলতে ভীষণ সমস্যা হচ্ছে । তারাও সরকারীভাবে তেমন কোন প্রকার ত্রাণ বা অনুদান পায়নি। তাদের পরিবার মানবেতর জীবন যাপন করছে। অনেকে বাসা ছেড়ে গ্রামে গিয়েও আর্থিক সংকটে আছে।
সচেতন মহল জানান, যারা সরকারী স্কুল ও মাদ্রাসায় চাকুরী করে আসছেন তাদের প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও বেতনভাতা পাচ্ছেন এবং ছুটি ভোগ করছেন। তাদের অর্থনৈতিক সংকট নাই। যারা কিন্ডার গার্টেন ও প্রাইভেট মাদ্রাসায় চাকুরী করেন তারা ভীষণ আর্থিক সংর্কটে আছেন। আবার যারা পরিপূর্ণ চাকচিক্যময় ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল তাদের তেমন সমস্যা নেই। তারাও তাদের বাৎসরিক আয় ব্যয় দিয়ে এই সংকট কেটে উঠতে পারবেন।
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা ও ফতুল্লা এলাকায় অবস্থিত কিন্ডার গার্টেন স্কুল ও প্রাইভেট হাফিজিয়া নুরানী মাদ্রাসার শিক্ষক মিক্ষিকাদেরকে দাবী মমতাময়ী প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা মহোদয়ে সরকারের দায়িত্বরত শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের কর্মকর্তারা নজর দিবেন এমনটাই আশা শিক্ষক শিক্ষিকাদের।
এছাড়া স্থানীয় এমপি মহোদয়ে এবং ইউনিয়ণ পরিষদের চেয়ারম্যান মেম্বারের বিষয়টি নজরে নিলে ফ্রিল্যান্স উল্লেখিত শিক্ষক শিক্ষিকাগনের সংসারে স্বচ্চলতা ফিরে আসবে । ফুটে উঠবে ঐ কষ্টে থাকা পরিবারের মুখে হাসি।