নারায়ণগঞ্জ ০৪:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রুপগঞ্জে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ২৬ মামলার পলাতক আসামী বিদেশি পিস্তল ও ৭ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেফতার লংমার্চ সফল করার আহ্বান খেলাফত মজলিস নেতা মুফতী দেলোয়ার আল হুসাইনের বদলিজনিত বিদায়ে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সিকে জার্নালিস্ট ইউনিটির পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক প্রদান সৌদিতে পাসপোর্ট জটিলতা নিরসনে সমন্বিতভাবে কাজ করছে দূতাবাস: রাষ্ট্রদূত সোনারগাঁয়ে নবাগত উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা যোগদান শিক্ষার্থীদের মাঝে সরকারি কার্যক্রম তুলে ধরতে সদর ইউএনও অফিসে অবহিতকরণ সভা ভূমি সেবায় ‘জিরো টলারেন্স’নীতি ঘোষণা ও বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ সহ অনিয়মে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ডিসির সোনারগাঁয়ে ৩২ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার শিশু, কিশোর-কিশোরী ও নারী উন্নয়ন সচেতনতায় উঠান বৈঠক ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনী নারায়ণগঞ্জে রাত ৮টার পর দোকান-শপিংমল বন্ধের নির্দেশনা, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে কঠোর হওয়ার আহ্বান ডিসির

সিদ্ধিরগঞ্জের এসও এলাকায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে উভয় পক্ষের আহত ১১

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০৮:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২০
  • ৪০৯ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সিদ্ধিরগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ এবং ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় উভয় পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। এসময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে দুই রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছুড়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকাল ৪টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের নাসিক ৬নং ওয়ার্ডের গোদনাইল এসও রোড মেঘনা ডিপো এলাকায় তেল ব্যবসায়ী আশরাফ উদ্দিন ও সাবেক কাউন্সিলরের ভায়রা তেল ব্যবসায়ী মিলন গ্রæপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় আশরাফ গ্রুপের ৩ জন এবং মিলন গ্রæপের ৬ জন গুলিবিদ্ধ ও ২ জন জখম সহ ১১ জন আহত হয়েছেন।
আহতরা হলেন, আশরাফ গ্রæপের মুন্না, নাঈম এবং অজ্ঞাত একজনের নাম জানা যায়নি। এদিকে মিলন গ্রুপের আহতরা হলেন ফারুক হোসেন বাক্কু, আলাউদ্দিন, নুর হোসেন, মুন্না, নোমান, তারেক, সালাম, সুমন। এদের মধ্যে আশরাফ গ্রæপের দুইজন এবং মিলন গ্রæপের ৬ জন নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে (ভিক্টরিয়া) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বৃহস্পতিবার বিকালে সাবেক কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম মন্ডলের লোকজন এসও রোড মেঘনা ডিপো সংলগ্ন এলাকায় অসহায় মানুষদের মাঝে ত্রান বিতরণ করছিল। এসময় আশরাফ গ্রæপের সদস্য মুন্নাসহ কয়েকজন তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করে এবং সিরাজ মন্ডলের নাম ধরে গালমন্দ করে। এতে নোমান ও সালামরা বাধা দেয়। এ নিয়ে উভয়ে মধ্যে কথাকাটি হয়। একপর্যায়ে সিরাজ মন্ডলের লোকজনকে মারধর করে আশরাফ গ্রæপের লোকজন। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে সিরাজ মন্ডলের লোকজন এগিয়ে আসলে আশরাফ গ্রæপ চলে যায় কিন্তু পরক্ষনে দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে সিরাজ মন্ডলের লোকজনের উপর দ্বিতীয় দফায় হামলা করে। এ সময় সিরাজ মন্ডলের লোকজন প্রতিরোধ করতে গেলে উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে তাদের মধ্যে। এ সময় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়। খবর পেয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ ও র‌্যাব-১১ এর একটি টিম ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ শর্টগানের দুই রাউন্ড গুলি ছুড়ে এবং উভয় পক্ষ ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পুলিশের এ্যাকশনে সিরাজ মন্ডলের ৬ জন গুলি বিদ্ধ হয়।
আশরাফ উদ্দিন জানান, আমাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে অফিসে এবং বাড়িতে হামলা করা হয়েছে। এসময় দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে আমার অফিসের দরজায় হামলা করে ভিতরে প্রবেশ করে তারা আমাকে না পেয়ে আমার ড্রয়ারে থাকা তেল বিক্রির ২৭ লাখ ৩’শ ৩৬ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে। কিছুদিন আগেও তারা আমার একজন স্টাফের উপর হামলা চালিয়ে নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছিল। ঐ ঘটনায় সিরাজ মন্ডলসহ তার কয়েকজন সহযোগীর বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। সেই ঘটনার পর থেকেই সিরাজ মন্ডল আমাকে মারার জন্য নানান পরিকল্পনা শুরু করে। সেই ঘটনার সূত্র ধরে ওই মামলার বাদীকে আজ বেধরক পিটিয়েছে এবং আরো দুইজনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে। তারা এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে থানায় ফোন দিলে তাৎক্ষনিক পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ঘটনায় সাবেক কাউন্সিলর সিরাজ মন্ডল জানান, আমার ভায়রা মিলনসহ কয়েকজন লোক ত্রাণ দিচ্ছিলো। সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ দেয়া হয়। বিকালে এসও রোড মেঘনা ডিপো এলাকায় ত্রাণ দেয়ার সময় বিনা কারণে আমার ছেলেদের উপর আশরাফ উদ্দিনের লোকজন হামলা করে। পরে বাধা দিলে তারা দ্বিতীয় দফায় হামলা করে। আমি মনে করি এটা তাদের পরিকল্পিত হামলা। পরে পুলিশ এসে কিছু না বুঝার আগেই আমার লোকজনের উপর শর্টগান দিয়ে দুই রাউন্ড গুলি ছুড়ে। এতে আমার ৬জন লোক গুলিবিদ্ধ হয়। বর্তমানে তারা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আমি আশরাফসহ হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
এ ব্যাপারে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ফারুক জানান, ত্রান দেয়ার সময় একটি পক্ষ দুর্ব্যবহার করে। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। পরে খবর পেয়ে তাৎক্ষনি ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করতে দুই রাউন্ড শর্টগানের গুলি নিক্ষেপ করা হয়। বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। তবে এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ দিলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

রুপগঞ্জে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ২৬ মামলার পলাতক আসামী বিদেশি পিস্তল ও ৭ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেফতার

সিদ্ধিরগঞ্জের এসও এলাকায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে উভয় পক্ষের আহত ১১

আপডেট সময় : ০৭:০৮:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২০

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি :নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সিদ্ধিরগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ এবং ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় উভয় পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। এসময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে দুই রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছুড়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকাল ৪টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের নাসিক ৬নং ওয়ার্ডের গোদনাইল এসও রোড মেঘনা ডিপো এলাকায় তেল ব্যবসায়ী আশরাফ উদ্দিন ও সাবেক কাউন্সিলরের ভায়রা তেল ব্যবসায়ী মিলন গ্রæপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় আশরাফ গ্রুপের ৩ জন এবং মিলন গ্রæপের ৬ জন গুলিবিদ্ধ ও ২ জন জখম সহ ১১ জন আহত হয়েছেন।
আহতরা হলেন, আশরাফ গ্রæপের মুন্না, নাঈম এবং অজ্ঞাত একজনের নাম জানা যায়নি। এদিকে মিলন গ্রুপের আহতরা হলেন ফারুক হোসেন বাক্কু, আলাউদ্দিন, নুর হোসেন, মুন্না, নোমান, তারেক, সালাম, সুমন। এদের মধ্যে আশরাফ গ্রæপের দুইজন এবং মিলন গ্রæপের ৬ জন নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে (ভিক্টরিয়া) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বৃহস্পতিবার বিকালে সাবেক কাউন্সিলর সিরাজুল ইসলাম মন্ডলের লোকজন এসও রোড মেঘনা ডিপো সংলগ্ন এলাকায় অসহায় মানুষদের মাঝে ত্রান বিতরণ করছিল। এসময় আশরাফ গ্রæপের সদস্য মুন্নাসহ কয়েকজন তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করে এবং সিরাজ মন্ডলের নাম ধরে গালমন্দ করে। এতে নোমান ও সালামরা বাধা দেয়। এ নিয়ে উভয়ে মধ্যে কথাকাটি হয়। একপর্যায়ে সিরাজ মন্ডলের লোকজনকে মারধর করে আশরাফ গ্রæপের লোকজন। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে সিরাজ মন্ডলের লোকজন এগিয়ে আসলে আশরাফ গ্রæপ চলে যায় কিন্তু পরক্ষনে দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে সিরাজ মন্ডলের লোকজনের উপর দ্বিতীয় দফায় হামলা করে। এ সময় সিরাজ মন্ডলের লোকজন প্রতিরোধ করতে গেলে উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে তাদের মধ্যে। এ সময় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়। খবর পেয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ ও র‌্যাব-১১ এর একটি টিম ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ শর্টগানের দুই রাউন্ড গুলি ছুড়ে এবং উভয় পক্ষ ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পুলিশের এ্যাকশনে সিরাজ মন্ডলের ৬ জন গুলি বিদ্ধ হয়।
আশরাফ উদ্দিন জানান, আমাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে অফিসে এবং বাড়িতে হামলা করা হয়েছে। এসময় দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে আমার অফিসের দরজায় হামলা করে ভিতরে প্রবেশ করে তারা আমাকে না পেয়ে আমার ড্রয়ারে থাকা তেল বিক্রির ২৭ লাখ ৩’শ ৩৬ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে। কিছুদিন আগেও তারা আমার একজন স্টাফের উপর হামলা চালিয়ে নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছিল। ঐ ঘটনায় সিরাজ মন্ডলসহ তার কয়েকজন সহযোগীর বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। সেই ঘটনার পর থেকেই সিরাজ মন্ডল আমাকে মারার জন্য নানান পরিকল্পনা শুরু করে। সেই ঘটনার সূত্র ধরে ওই মামলার বাদীকে আজ বেধরক পিটিয়েছে এবং আরো দুইজনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে। তারা এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে থানায় ফোন দিলে তাৎক্ষনিক পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ঘটনায় সাবেক কাউন্সিলর সিরাজ মন্ডল জানান, আমার ভায়রা মিলনসহ কয়েকজন লোক ত্রাণ দিচ্ছিলো। সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ দেয়া হয়। বিকালে এসও রোড মেঘনা ডিপো এলাকায় ত্রাণ দেয়ার সময় বিনা কারণে আমার ছেলেদের উপর আশরাফ উদ্দিনের লোকজন হামলা করে। পরে বাধা দিলে তারা দ্বিতীয় দফায় হামলা করে। আমি মনে করি এটা তাদের পরিকল্পিত হামলা। পরে পুলিশ এসে কিছু না বুঝার আগেই আমার লোকজনের উপর শর্টগান দিয়ে দুই রাউন্ড গুলি ছুড়ে। এতে আমার ৬জন লোক গুলিবিদ্ধ হয়। বর্তমানে তারা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আমি আশরাফসহ হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
এ ব্যাপারে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ফারুক জানান, ত্রান দেয়ার সময় একটি পক্ষ দুর্ব্যবহার করে। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। পরে খবর পেয়ে তাৎক্ষনি ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করতে দুই রাউন্ড শর্টগানের গুলি নিক্ষেপ করা হয়। বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। তবে এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ দিলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।