নারায়ণগঞ্জ ০৬:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০৯:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০১৯
  • ৬৪ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে নিহত গার্মেন্টস কর্মী মিতুর মা রিপনা বেগম পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছে। গত ২৩’এপ্রিল নিহত মিতুর মা বাদী হয়ে এ অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৩০’জানুয়ারী ২০১৯ ইং তারিখ রাত ৮’টায় গার্মেন্টস কর্মী মিতু আক্তার মালা সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হয়। এ ঘটনায় নিহত মিতুর মা বাদী হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। নিহত মিতুর মা বিনা ময়না তদন্তে লাশ হস্থান্তরের জন্য থানা কর্তৃপক্ষের নিকট একটি আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষীতে থানা পুলিশ বিনা ময়না তদন্তে লাশ হস্থান্তর করেন। এ আবেদনের কপিটি উপ-পরিদর্শক সহিদুল আলমের কাছে বাববার চাইলেও সে দিতে রাজি হচ্ছে না। মিতু কৃষ্ণচূড়া ডিজাইন গার্মেন্টসে চাকরী করা কালীন সময় গার্মেন্টস ছুটি শেষে বাসায় ফিরার পথে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হয়। শ্রম আইন অনুযায়ী প্রত্যেক গার্মেন্টস শ্রমিকের নামে একটি করে ইন্স্যুরেন্স থাকে। কোন কারনে শ্রমিক মারা গেলে শ্রমিকের নমিনীকে বিকেএমইএ থেকে কিছু অনুদান দিয়ে থাকে। অনুদান আনতে মৃত শ্রমিকের প্রয়োজনীয় কিছু কাগজ বিকেএমইএতে জমা দিতে হয়। তারি পরিপ্রেক্ষিতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক সহিদুল আলমের নিকট গত ৩’মাস যাবৎ মামলার কাগজ পত্র চাইলে সে দিতে তালবাহানা করে আসছে। গত কয়েক দিন আগে মামলার সকল কাগজ পত্র দিলেও উপ-পরিদর্শক সহিদুল আলম আমাকে বিনা ময়না তদন্তে লাশ হস্থান্তরের কাগজ দিতে পারবেনা। কাগজ চাইতে গেলে উপ-পরিদর্শক সহিদুল আলম আমার কাছে টাকা চায়। টাকা না দিলে সে আমাকে কাগজ দিবেনা বলে দেয়। আরো বলে টাকা আমাকে দিতেই হবে। আমি মামলায় আপনার মেয়ের বয়স(১৪) লিখে দিয়েছি। আমার মেয়ের বয়স জন্মসনদ অনুযায়ী ২১’বছর। এ কাগজের ব্যপারে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা ওসি(অপারেশন) জসিম উদ্দিনের কাছে গেলে সে উপ-পরিদর্শক সহিদুল আলমকে কাগজ গুলো দিয়ে দিতে বলে। তার পরেও সে অনেক দিন পরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিকট লিখিত আবেদন করতে বলে। আবেদন করার পর উপ-পরিদর্শক সহিদুল মামলার কাগজ দিলেও আমাকে বিনা ময়না তদন্তে লাশ হস্থান্তরের আবেদনের কপিটি দেয় নি। আমি পরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীর শাহিন শাহ্ পারভেজের কাছে গিয়ে আবেদনের কপিটির কথা বললে তিনি একদিন পর যেতে বলে। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে আমি জানিয়ে ছিলাম আমাদের হাতে মাত্র ৭’দিন সময় আছে। পরের দিন আমি মীর শাহিন শাহ্ পারভেজের কাছে গেলে সে আমাকে বলে উপ-পরিদর্শক সহিদুল আলম আবেদনের কপিটি হারিয়ে ফেলেছে। পাইলে পরে কোন দিন দিয়ে দিবে। আমি আর কোন উপায় না পেয়ে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ করি। আমি মামলার বাদী আমাকে কেন নিহত মিতুর মামলার কাগজ দিতে উপ-পরিদর্শক সহিদুলের এত তালবাহানা।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের

আপডেট সময় : ০৩:০৯:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০১৯

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে নিহত গার্মেন্টস কর্মী মিতুর মা রিপনা বেগম পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছে। গত ২৩’এপ্রিল নিহত মিতুর মা বাদী হয়ে এ অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৩০’জানুয়ারী ২০১৯ ইং তারিখ রাত ৮’টায় গার্মেন্টস কর্মী মিতু আক্তার মালা সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হয়। এ ঘটনায় নিহত মিতুর মা বাদী হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। নিহত মিতুর মা বিনা ময়না তদন্তে লাশ হস্থান্তরের জন্য থানা কর্তৃপক্ষের নিকট একটি আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষীতে থানা পুলিশ বিনা ময়না তদন্তে লাশ হস্থান্তর করেন। এ আবেদনের কপিটি উপ-পরিদর্শক সহিদুল আলমের কাছে বাববার চাইলেও সে দিতে রাজি হচ্ছে না। মিতু কৃষ্ণচূড়া ডিজাইন গার্মেন্টসে চাকরী করা কালীন সময় গার্মেন্টস ছুটি শেষে বাসায় ফিরার পথে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হয়। শ্রম আইন অনুযায়ী প্রত্যেক গার্মেন্টস শ্রমিকের নামে একটি করে ইন্স্যুরেন্স থাকে। কোন কারনে শ্রমিক মারা গেলে শ্রমিকের নমিনীকে বিকেএমইএ থেকে কিছু অনুদান দিয়ে থাকে। অনুদান আনতে মৃত শ্রমিকের প্রয়োজনীয় কিছু কাগজ বিকেএমইএতে জমা দিতে হয়। তারি পরিপ্রেক্ষিতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক সহিদুল আলমের নিকট গত ৩’মাস যাবৎ মামলার কাগজ পত্র চাইলে সে দিতে তালবাহানা করে আসছে। গত কয়েক দিন আগে মামলার সকল কাগজ পত্র দিলেও উপ-পরিদর্শক সহিদুল আলম আমাকে বিনা ময়না তদন্তে লাশ হস্থান্তরের কাগজ দিতে পারবেনা। কাগজ চাইতে গেলে উপ-পরিদর্শক সহিদুল আলম আমার কাছে টাকা চায়। টাকা না দিলে সে আমাকে কাগজ দিবেনা বলে দেয়। আরো বলে টাকা আমাকে দিতেই হবে। আমি মামলায় আপনার মেয়ের বয়স(১৪) লিখে দিয়েছি। আমার মেয়ের বয়স জন্মসনদ অনুযায়ী ২১’বছর। এ কাগজের ব্যপারে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা ওসি(অপারেশন) জসিম উদ্দিনের কাছে গেলে সে উপ-পরিদর্শক সহিদুল আলমকে কাগজ গুলো দিয়ে দিতে বলে। তার পরেও সে অনেক দিন পরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিকট লিখিত আবেদন করতে বলে। আবেদন করার পর উপ-পরিদর্শক সহিদুল মামলার কাগজ দিলেও আমাকে বিনা ময়না তদন্তে লাশ হস্থান্তরের আবেদনের কপিটি দেয় নি। আমি পরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীর শাহিন শাহ্ পারভেজের কাছে গিয়ে আবেদনের কপিটির কথা বললে তিনি একদিন পর যেতে বলে। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে আমি জানিয়ে ছিলাম আমাদের হাতে মাত্র ৭’দিন সময় আছে। পরের দিন আমি মীর শাহিন শাহ্ পারভেজের কাছে গেলে সে আমাকে বলে উপ-পরিদর্শক সহিদুল আলম আবেদনের কপিটি হারিয়ে ফেলেছে। পাইলে পরে কোন দিন দিয়ে দিবে। আমি আর কোন উপায় না পেয়ে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ করি। আমি মামলার বাদী আমাকে কেন নিহত মিতুর মামলার কাগজ দিতে উপ-পরিদর্শক সহিদুলের এত তালবাহানা।