নারায়ণগঞ্জ ১১:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২১ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাইক্রোসফট ইনোভেটিভ এডুকেটর এক্সপার্ট বাংলাদেশ কমিউনিটি মিটআপ ২০২৩ অনুষ্ঠিত আদমজী ইপিজেডকে অশান্ত করছে জনপ্রতিনিধিরা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা সিদ্ধিরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের কর্মকর্তাদের সাথে মহিলা লীগ নেত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় না’গঞ্জ কারাগারে হাজতীর মৃত্যু ফতুল্লায় চোরাইকৃত ট্যাংকলড়ী উদ্ধার আড়াইহাজারের মিথিলা টেক্সটাইল ঘুরে গেলেন ৮ দেশের রাষ্ট্রদূতসহ ১৮ দেশের প্রতিনিধি সিদ্ধিরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের কর্মকর্তাদের সাথে কাউন্সিলর ইকবাল হোসেনের মতবিনিময় ফতুল্লা ব্লাড ডোনার্সের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ শিক্ষা সিলেবাস বাতিলের দাবিতে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ মিছিল সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শহরে নারী সমাবেশ ও মিছিল

তাজ জুট মিলের জমি হাতিয়ে নিতে মিথ্যা মামলা দিয়ে যুবলীগ নেতা নজরুলকে ফাঁসিয়েছে মডার্ণ গ্রুপ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৫:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৯
  • ১৩৯ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার : বন্ধকৃত তাজ জুট মিলের কোটি কোটি টাকা মূল্যের জমি হাতিয়ে নিতেই সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মো: নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মডার্ণ গ্রুপ সাজানো মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেছে বলে অভিযোগ জানিয়েছেন নজরুল ইসলামের পরিবার।
এ মামলায় জেলা গোয়েন্দ পুলিশ নজরুলকে গ্রেফতার করেছে। মামলায় নজরুল ছাড়াও বিদেশে অবস্থানরত তার আপন ছোট ভাই থানা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা হাজী জহিরুল ইসলাম ও খালেক নামে অপর একজনকে আসামী করা হয়েছে।

অভিযোগ জানা গেছে, যে জমি মডার্ণ গ্রুপ তাদের নিজেদের দাবী করে মামলা দায়ের করেছে সেই তাজ জুট মিলে তাদের কোন অস্তিত্ব নেই। সেখানে বিজেএমসির নিয়োজিত প্রতিদিন ৩ শিফটে ৩ জন করে ৯ জন নিরাপত্তা কর্মী দায়িত্ব পালন করে আসছে গত ১ বছর ধরে। অথচ মডার্ণ গ্রুপ তাজ জুট মিলের জমিকে নিজের দাবি করে নজরুল ইসলামকে প্রধান করে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে ২২ এপ্রিল সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেছে। মডার্ণ গ্রুপের মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে নজরুল ইসলাম করাগারে রয়েছেন। তাকে কারগারে রেখে একটি কু-চক্রী মহল হীন স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্র করে তার পরিবারে আন্যদেরকেও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন বলেও দাবি করছেন নজরুলের স্বজনরা।

যুগলীগ নেতা নজরুল ইসলামের ভাই সিদ্ধিরগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো: নাজমুল হত খোকা জানান, মিলটি ক্রয় করার জন্য তাজ জুট বেকিং কোম্পানী লিমিটেড ও মডার্ণ গ্রুপ অব কোম্পানীর মধ্যে একটি চুক্তি হয়ে ছিল। কিন্তু চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করায় আদালতের রায়ের মাধ্যমে ওই চুক্তিটি বাতিল করা হয়।

তাজ জুট ব্যাকিং কোম্পানী লিমিটেডের তাজ/প্রশা/০১/২০০৫ সূত্র স্মারকে মিল কর্তৃপক্ষ বিগত ০১/০১/২০০৫ইং হইতে অত্র মিলের সামগ্রীক দেখাশুনা, রক্ষণাবেক্ষণ, অফিস ব্যবহার, মিলের নির্ধারিত সীমানা তদারকি মিল অভ্যন্তরে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও কোন অনৈতিক কর্মকান্ড রহিত করা ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ করা ইত্যাদি বিবিধ কার্য পরিচালনার জন্য শিমরাইল এলাকার মৃত ধনু মেম্বারের ছেলে নজরুল ইসলামকে দায়িত্ব দেয়া হয়।

অথচ মডার্ণ গ্রুপ অব কোম্পানীর মামলায় উল্লেখ করা হয়, তাদের ক্রয়কৃত জমি তাজ জুট মিলে কাজ করতে গেলে তাদের কাছে নজরুল, তার ছোট ভাই জহির ও তাদের সহযোগী খালেক ওরফে জামাই খালেক ১ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে। যেহেতু মডার্ণ গ্রুপের এখানে কোনো মালিকানা নেই তাই কাজ করা আর চাঁদা দাবি করা ভিত্তিহীন। পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র করে নজরুলকে মিথ্যে মামলা দিয়ে ফাঁসিয়েছে বলে মনে করছে নাজমুল হক খোকা।

তিনি আরো জানান, উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড, লোকাল অফিস ঢাকার একটি চিঠিতে স্পষ্ট উল্লেখ করা আছে, আগ্রহী ক্রেতা হিসেবে রায় দেনাদার কোম্পানীর পক্ষে বাকি নিষ্পত্তিকৃত ১৮ কোটি টাকা পরিশোধ করতে আপনার (মডার্ণ গ্রুপ অব কোম্পানী) বার বার প্রতিশ্রুতি থাকা সত্ত্বেও আপনি নানা কৌশল অবলম্বন করে বাকি টাকা পরিশোধ করেননি। অত:পর রায় দেনাদার কোম্পানীর গত ০৪/০৯/১১ইং তারিখের আবেদনের প্রেক্ষিতে ব্যাংক শর্তসহ ২৪ কোটি টাকা মাত্র এর পরিবর্তে কেবল ২৬ কোটি টাকায় নিষ্পত্তি করেন, বাকি ২০ কোটি টাকা রায় দেনাদার কোম্পানী অথবা আগ্রহী ক্রেতাকে ১ মাসের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।

রায় দেনাদার কোম্পানী এবং / অথবা আপনি আগ্রহী ক্রেতা হিসেবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তিকৃত অর্থ পরিশোধ করেন নি। অত:পর রায় দেনাদার কোম্পানীর ২২/০৭/১২ইং তারিখের পত্রমূলে অনুরোধে সাড়ায়, ব্যাংক গত ০৫/০৮/১২ইং তারিখে ইউবিএল/এলও/এসডি/জিজে/২০১২/৯৫নং সূত্র মূলে উহার পত্রমূলে জনাব হেদায়েত উল্লাহ ব্যবস্থাপনা পরিচালক রায় দেনাদার কোম্পানীসহ আপনার কাছে কপি প্রদান করেন। এবং উক্ত পত্র প্রাপ্তির ১৫ দিনের মধ্যে বাকি নিষ্পত্তিকৃত ২০ কোটি টাকা পরিশোধ করতে অনুরোধ ও তাগাদা দেন, রায় দেনাদার কোম্পানী/ দায় শান্তিপূর্ন নিষ্পত্তির জন্য আপনি আগ্রহী ক্রেতা হিসেবে ব্যর্থ হওয়ায় অবিলম্ভে বাতিল হয়ে যাবে এবং ব্যাংক সম্পত্তি বিক্রি করতে তা প্রক্রিয়াধীনে রাখবে।

অত:পর রায় দেনাদার কোম্পানী আপনার মাধ্যমে ২০ কোটির কাতে গত ০৮/১০/১৩ইং তারিখে কেবল মাত্র ১ কোটি টাকা জমা করেন কিন্তু বাকি নিষ্পত্তিকৃত টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হন। কোম্পানী এবং / অথবা আপনি আগ্রহী ক্রেতা হিসেবে নিষ্পত্তিকৃত টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ার কারণে উক্ত শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা ব্যাংকের ০৫/০৮/১২ইং তারিখের পত্র মূলে বাতিল হয়ে যায়।

অতএব, পরিষ্কার হয় যে, ব্যাংকের ১৭/০৭/২০০৫ ইং তারিখে উপরোক্ত পত্রে, কয়েকটি শান্তিপূর্ণ ব্যবস্থা ছিল অর্থাৎ ০৩/১০/২০১০ইং তারিখে ২৪ কোটি টাকা মাত্র এবং অত:এব ১২/০৯/১১ইং তারিখে ২৬ কোটি টাকা মাত্র এবং রায় দেনাদার কোম্পানী এবং আপনি আগ্রহী বায়ার হিসেবে তা গ্রহণ করেন, এবং কয়েকটি উপলক্ষে ব্যবস্থা মতে নিষ্পত্তিকৃত বকেয়া পরিশোধ করতে প্রতিশ্রুতি দেন, নিষ্পত্তিকৃত বকেয়া পরিশোধের জন্য সময় আবেদন করেন তবে পরিশেষে তা পরিশোধে ব্যর্থ হন।

অতএব, ১১ বছর পর বকেয়া পরিশোধের ব্যাপারে ব্যাংকের ১৩/০৭/০৫ ইং তারিখে আপনার পত্রের সূত্রে কিছুই নাই তবে ব্যাংকের বকেয়া পরিশোধ করা ছাড়াই আগ্রহী বায়ার হিসেবে রায় দেনাদার কোম্পানীর সম্পত্তি ভোগ করার কৌশল মাত্র।

১২/০৯/১১ইং তারিখের ২৭৭ নং ব্যাংকের স্মারক অনুসারে নিষ্পত্তিকৃত অর্থ পরিশোধ করেন নি কাজেই শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি ব্যবস্থাটি ০৫/০৮/১২ইং তারিখের উক্ত পত্রের তারিখ থেকে ১৫ দিন উত্তীর্ণ হওয়ার পর তাৎক্ষণিক বাতিল হয়ে যায় ও রায় দেনাদার কোম্পানী এবং / অথবা উক্ত কোম্পানীর দায়বদ্ধতার জন্য ব্যাংক কোন ভাবে দায়ী নয়।

এসব প্রমাণাধির সূত্র ধরে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও আইনশৃংখলা বাহিনী বিষয়টি তদন্ত করলেই মর্ডাণ গ্রুপ স্বার্থ হাসিলের জন্য পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র করে চাঁদাবাজির মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে মর্মে প্রমাণ পাওয়া যাবে বলে দাবি করছেন নজরুলের পরিবার। তাই এ বিষয়ে তারা নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার হারুন আর রশিদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাইক্রোসফট ইনোভেটিভ এডুকেটর এক্সপার্ট বাংলাদেশ কমিউনিটি মিটআপ ২০২৩ অনুষ্ঠিত

তাজ জুট মিলের জমি হাতিয়ে নিতে মিথ্যা মামলা দিয়ে যুবলীগ নেতা নজরুলকে ফাঁসিয়েছে মডার্ণ গ্রুপ

আপডেট সময় : ০৬:১৫:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৯

স্টাফ রিপোর্টার : বন্ধকৃত তাজ জুট মিলের কোটি কোটি টাকা মূল্যের জমি হাতিয়ে নিতেই সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মো: নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মডার্ণ গ্রুপ সাজানো মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেছে বলে অভিযোগ জানিয়েছেন নজরুল ইসলামের পরিবার।
এ মামলায় জেলা গোয়েন্দ পুলিশ নজরুলকে গ্রেফতার করেছে। মামলায় নজরুল ছাড়াও বিদেশে অবস্থানরত তার আপন ছোট ভাই থানা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা হাজী জহিরুল ইসলাম ও খালেক নামে অপর একজনকে আসামী করা হয়েছে।

অভিযোগ জানা গেছে, যে জমি মডার্ণ গ্রুপ তাদের নিজেদের দাবী করে মামলা দায়ের করেছে সেই তাজ জুট মিলে তাদের কোন অস্তিত্ব নেই। সেখানে বিজেএমসির নিয়োজিত প্রতিদিন ৩ শিফটে ৩ জন করে ৯ জন নিরাপত্তা কর্মী দায়িত্ব পালন করে আসছে গত ১ বছর ধরে। অথচ মডার্ণ গ্রুপ তাজ জুট মিলের জমিকে নিজের দাবি করে নজরুল ইসলামকে প্রধান করে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে ২২ এপ্রিল সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেছে। মডার্ণ গ্রুপের মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে নজরুল ইসলাম করাগারে রয়েছেন। তাকে কারগারে রেখে একটি কু-চক্রী মহল হীন স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্র করে তার পরিবারে আন্যদেরকেও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন বলেও দাবি করছেন নজরুলের স্বজনরা।

যুগলীগ নেতা নজরুল ইসলামের ভাই সিদ্ধিরগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো: নাজমুল হত খোকা জানান, মিলটি ক্রয় করার জন্য তাজ জুট বেকিং কোম্পানী লিমিটেড ও মডার্ণ গ্রুপ অব কোম্পানীর মধ্যে একটি চুক্তি হয়ে ছিল। কিন্তু চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করায় আদালতের রায়ের মাধ্যমে ওই চুক্তিটি বাতিল করা হয়।

তাজ জুট ব্যাকিং কোম্পানী লিমিটেডের তাজ/প্রশা/০১/২০০৫ সূত্র স্মারকে মিল কর্তৃপক্ষ বিগত ০১/০১/২০০৫ইং হইতে অত্র মিলের সামগ্রীক দেখাশুনা, রক্ষণাবেক্ষণ, অফিস ব্যবহার, মিলের নির্ধারিত সীমানা তদারকি মিল অভ্যন্তরে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও কোন অনৈতিক কর্মকান্ড রহিত করা ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ করা ইত্যাদি বিবিধ কার্য পরিচালনার জন্য শিমরাইল এলাকার মৃত ধনু মেম্বারের ছেলে নজরুল ইসলামকে দায়িত্ব দেয়া হয়।

অথচ মডার্ণ গ্রুপ অব কোম্পানীর মামলায় উল্লেখ করা হয়, তাদের ক্রয়কৃত জমি তাজ জুট মিলে কাজ করতে গেলে তাদের কাছে নজরুল, তার ছোট ভাই জহির ও তাদের সহযোগী খালেক ওরফে জামাই খালেক ১ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে। যেহেতু মডার্ণ গ্রুপের এখানে কোনো মালিকানা নেই তাই কাজ করা আর চাঁদা দাবি করা ভিত্তিহীন। পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র করে নজরুলকে মিথ্যে মামলা দিয়ে ফাঁসিয়েছে বলে মনে করছে নাজমুল হক খোকা।

তিনি আরো জানান, উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড, লোকাল অফিস ঢাকার একটি চিঠিতে স্পষ্ট উল্লেখ করা আছে, আগ্রহী ক্রেতা হিসেবে রায় দেনাদার কোম্পানীর পক্ষে বাকি নিষ্পত্তিকৃত ১৮ কোটি টাকা পরিশোধ করতে আপনার (মডার্ণ গ্রুপ অব কোম্পানী) বার বার প্রতিশ্রুতি থাকা সত্ত্বেও আপনি নানা কৌশল অবলম্বন করে বাকি টাকা পরিশোধ করেননি। অত:পর রায় দেনাদার কোম্পানীর গত ০৪/০৯/১১ইং তারিখের আবেদনের প্রেক্ষিতে ব্যাংক শর্তসহ ২৪ কোটি টাকা মাত্র এর পরিবর্তে কেবল ২৬ কোটি টাকায় নিষ্পত্তি করেন, বাকি ২০ কোটি টাকা রায় দেনাদার কোম্পানী অথবা আগ্রহী ক্রেতাকে ১ মাসের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে।

রায় দেনাদার কোম্পানী এবং / অথবা আপনি আগ্রহী ক্রেতা হিসেবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তিকৃত অর্থ পরিশোধ করেন নি। অত:পর রায় দেনাদার কোম্পানীর ২২/০৭/১২ইং তারিখের পত্রমূলে অনুরোধে সাড়ায়, ব্যাংক গত ০৫/০৮/১২ইং তারিখে ইউবিএল/এলও/এসডি/জিজে/২০১২/৯৫নং সূত্র মূলে উহার পত্রমূলে জনাব হেদায়েত উল্লাহ ব্যবস্থাপনা পরিচালক রায় দেনাদার কোম্পানীসহ আপনার কাছে কপি প্রদান করেন। এবং উক্ত পত্র প্রাপ্তির ১৫ দিনের মধ্যে বাকি নিষ্পত্তিকৃত ২০ কোটি টাকা পরিশোধ করতে অনুরোধ ও তাগাদা দেন, রায় দেনাদার কোম্পানী/ দায় শান্তিপূর্ন নিষ্পত্তির জন্য আপনি আগ্রহী ক্রেতা হিসেবে ব্যর্থ হওয়ায় অবিলম্ভে বাতিল হয়ে যাবে এবং ব্যাংক সম্পত্তি বিক্রি করতে তা প্রক্রিয়াধীনে রাখবে।

অত:পর রায় দেনাদার কোম্পানী আপনার মাধ্যমে ২০ কোটির কাতে গত ০৮/১০/১৩ইং তারিখে কেবল মাত্র ১ কোটি টাকা জমা করেন কিন্তু বাকি নিষ্পত্তিকৃত টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হন। কোম্পানী এবং / অথবা আপনি আগ্রহী ক্রেতা হিসেবে নিষ্পত্তিকৃত টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ার কারণে উক্ত শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা ব্যাংকের ০৫/০৮/১২ইং তারিখের পত্র মূলে বাতিল হয়ে যায়।

অতএব, পরিষ্কার হয় যে, ব্যাংকের ১৭/০৭/২০০৫ ইং তারিখে উপরোক্ত পত্রে, কয়েকটি শান্তিপূর্ণ ব্যবস্থা ছিল অর্থাৎ ০৩/১০/২০১০ইং তারিখে ২৪ কোটি টাকা মাত্র এবং অত:এব ১২/০৯/১১ইং তারিখে ২৬ কোটি টাকা মাত্র এবং রায় দেনাদার কোম্পানী এবং আপনি আগ্রহী বায়ার হিসেবে তা গ্রহণ করেন, এবং কয়েকটি উপলক্ষে ব্যবস্থা মতে নিষ্পত্তিকৃত বকেয়া পরিশোধ করতে প্রতিশ্রুতি দেন, নিষ্পত্তিকৃত বকেয়া পরিশোধের জন্য সময় আবেদন করেন তবে পরিশেষে তা পরিশোধে ব্যর্থ হন।

অতএব, ১১ বছর পর বকেয়া পরিশোধের ব্যাপারে ব্যাংকের ১৩/০৭/০৫ ইং তারিখে আপনার পত্রের সূত্রে কিছুই নাই তবে ব্যাংকের বকেয়া পরিশোধ করা ছাড়াই আগ্রহী বায়ার হিসেবে রায় দেনাদার কোম্পানীর সম্পত্তি ভোগ করার কৌশল মাত্র।

১২/০৯/১১ইং তারিখের ২৭৭ নং ব্যাংকের স্মারক অনুসারে নিষ্পত্তিকৃত অর্থ পরিশোধ করেন নি কাজেই শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি ব্যবস্থাটি ০৫/০৮/১২ইং তারিখের উক্ত পত্রের তারিখ থেকে ১৫ দিন উত্তীর্ণ হওয়ার পর তাৎক্ষণিক বাতিল হয়ে যায় ও রায় দেনাদার কোম্পানী এবং / অথবা উক্ত কোম্পানীর দায়বদ্ধতার জন্য ব্যাংক কোন ভাবে দায়ী নয়।

এসব প্রমাণাধির সূত্র ধরে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও আইনশৃংখলা বাহিনী বিষয়টি তদন্ত করলেই মর্ডাণ গ্রুপ স্বার্থ হাসিলের জন্য পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র করে চাঁদাবাজির মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে মর্মে প্রমাণ পাওয়া যাবে বলে দাবি করছেন নজরুলের পরিবার। তাই এ বিষয়ে তারা নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার হারুন আর রশিদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।