নারায়ণগঞ্জ ১১:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

সিদ্ধিরগঞ্জের অবৈধ মশার কয়েল কারখানাগুলোতে অভিযানের দাবী এলাকাবাসির

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৬:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০১৯
  • ১৮১ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় মশার কয়েল কারখানায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ চুরির মহোৎসব। অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ, বিদুৎ বিল ও শিশু শ্রমিক দিয়ে প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে অবৈধ কারখানা মালিকরা। সরকার হারাচ্ছে কোটি-কোটি টাকার রাজস্ব। এ ছারাও বিভিন্ন সময় এ অবৈধ কয়েল কারখানাগুলোতে আগুনের ঘটনা ঘটায় আতঙ্কসহ ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতিসহ বিভিন্ন বাযূ বাহীত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে আস-পাশের সাধারণ জনগন। সাইনবোর্ড বিহীন এ কয়েল কারখানা গুলো এলাকাবাসীর অকাল মৃত্যুর কারণ হয়ে দাড়িছে। অবৈধ মশার কয়েল কারখানাগুলোতে প্রশাসনের অভিযানের দাবী এলাকাবাসির ।
জানা যায়, সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক, মিজমিািজ মাদ্রাসা রোড, হাজেরা মার্কেট, মাদ্রাসা রোড থেকে পাকার মাথায় যাওয়ার পথে, মতিন সড়ক, ধনুহাজীরোড, বাতানপাড়া কবরস্থান, বাতানপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ও পাগলাবাড়ী এলাকায় অর্ধশতাধিক অবৈধ মশার কয়েল তৈরির কারখানা রয়েছে। এসকল কারখানায় রয়েছে অবৈধ গ্যাস সংযোগ, বিদ্যুৎ চুরি ও শিশু শ্রমিক। সাইনবোর্ড বিহীন এসব কারখানায় রয়েছে সিসি ক্যামরা। কারখানার প্রধান ফটকে বাইরে দিয়ে তালা ঝুলিয়ে রাখে যাতে সহজেই কেউ কারখানায় প্রবেশ করতে না পারে, আর বুজতেও না পারে এখানে কি হচ্ছে। তিতাশ গ্যাস, বিদ্যুৎ, বিএসটিআইসহ বিভিন্ন সংস্থার অভিযানের খবর পেয়ে অতিসহজেই মালিক ও শ্রমিকরা কারখানার পিছনের গেট দিয়ে নির্বিঘেœ পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। সিদ্ধিরগঞ্জে অবস্থিত কারখানা গুলো হলো একলাসের বুশরা ও চমক কয়েল, মিজমিজি হাজেরা মাকের্ট এলাকায়, প্রিন্সের, কুইন কয়েল, মাদ্রাসা রোড থেকে পাকার মাথায় যাওয়ার পথে, হারুন@ ইয়াবা হারুনের, সোনালী কয়েল, মিজমিজি মাদ্রাসা রোড, জহিরের অফিসের সাথে ও হাজেরা মাকের্ট, এলাকায় আনোয়ারের, ক্রাউন কয়েল, মাদ্রাসা রোড, এলাকায়, আসাদের, সিভিল ম্যাজিক কয়েল, মাদ্রাসা রোড থেকে পাকার মাথায় যাওয়ার পথে, জাহাঙ্গীরের, বসুন্ধরা কয়েল, মতিন সড়ক, চিশতীয়া বেকারী এলাকায়, বাদসার, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কয়েল, মতিন সড়ক, চিশতীয়া বেকারী এলাকায়, আলমের, ডিকে বস কয়েল, মতিন সড়ক, চিশতীয়া বেকারী এলাকায়, মানিকের, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কয়েল, মতিন সড়ক, চিশতীয়া বেকারী এলাকায়, জামানের, হিরো কয়েল, মিজমিজী মেডিকেলের সাথে, বজলুর, হক কয়েল, ধনুহাজী রোড এলাকায়, কামালের, পাগলা কয়েল, ধনুহাজী রোড, এলাকায়, সামসুর, ভেনিস কয়েল, মিজমিজী বাতানপাড়া কবরস্থান এলাকায়, তাজুল ইসলামের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কয়েল, মিজমিজি, বাতানপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন, এলাকায় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের অবৈধ মশার কয়েলের কারখানা রয়েছে। সিদ্ধিরগঞ্জের নাসিক ১ ও ২ নং ওয়ার্ডে মৌচাক, মিজমিািজ মাদ্রাসা রোড, হাজেরা মার্কেট, মাদ্রাসা রোড থেকে পাকার মাথায় যাওয়ার পথে, মতিন সড়ক, ধনুহাজীরোড, বাতানপাড়া কবরস্থান, বাতানপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পাগলাবাড়ী এলাকায় সবচেয়ে বেশী কয়েল কারখানা গড়ে উঠেছে। স্থানীয় এলাকাবাসীরা বলেন, অবাধে কয়েল ফ্যাক্টরী গুলো গড়ে উঠার কারণে বিষাক্ত ক্যামিকেল, দুর্গন্ধ ও ময়লা পানির কারনে অনেকের হাপানি, শ্বাসকষ্টসহ নানাহ বায়ুবাহীত রোগ ছড়িয়ে পড়ছে, ফলে আমাদের বসবাস করতে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, এসব কারখানার তৈরি অবৈধ কয়েলের গুনগত মান পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা নেই। তাছাড়া বিভিন্ন নামিদামি কারখানার কয়েল অবিকল নকল করে বাজারজাত করছে এসব কারখানা মালিকরা। বিভিন্ন মোড়ক তৈরি করে অবৈধ কারখানার মালিকরা তাদের নিজেদের তৈরি কয়েল প্যাকেট করে গোপনে বাজার জাত করছে। অনুমোদিত কয়েলের চেয়ে দাম অনেক কম হওয়ায় খুচরা বিক্রেতারা অধিক মুনাফার লোভে নকল কয়েল বিক্রি করছে ক্রেতাদের কাছে। ক্রেতারা অনুমোদিত কারখানার তৈরি কয়েল মনে করে বেশী দামে অভিকল নকল কয়েল কিনে প্রতারিত হচ্ছে। এসব নকল কয়েল মানব দেহের জন্য মারতœক ক্ষতিকর। অবৈধ কারখানা মালিকরা নকল কয়েল তৈরি ও বাজারজাত করে এক দিকে ক্রেতাদের সাথে প্রতারনা করে অর্থিক ফায়দা লুটছে অপর দিকে জীবনকেও ঠেলে দিচ্ছে হুমকির মূখে। এসব কাখানায় অবৈধ ভাবে গ্যাস ও বিদ্যুৎ লাইন সংযোগের অভিযোগ রয়েছে। অপরিকল্পিত ভাবে গড়ে উঠা এসব অবৈধ অনুমোদনহীন একাধিক কারখানায় বিভিন্ন সময় আগুন লাগার ঘটনাও ঘটছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর জরুরী হস্থক্ষেপ কামনা করেছে সচেতন এলাকাবাসী। ######

 

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সিদ্ধিরগঞ্জের অবৈধ মশার কয়েল কারখানাগুলোতে অভিযানের দাবী এলাকাবাসির

আপডেট সময় : ০৪:৪৬:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০১৯

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় মশার কয়েল কারখানায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ চুরির মহোৎসব। অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ, বিদুৎ বিল ও শিশু শ্রমিক দিয়ে প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে অবৈধ কারখানা মালিকরা। সরকার হারাচ্ছে কোটি-কোটি টাকার রাজস্ব। এ ছারাও বিভিন্ন সময় এ অবৈধ কয়েল কারখানাগুলোতে আগুনের ঘটনা ঘটায় আতঙ্কসহ ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতিসহ বিভিন্ন বাযূ বাহীত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে আস-পাশের সাধারণ জনগন। সাইনবোর্ড বিহীন এ কয়েল কারখানা গুলো এলাকাবাসীর অকাল মৃত্যুর কারণ হয়ে দাড়িছে। অবৈধ মশার কয়েল কারখানাগুলোতে প্রশাসনের অভিযানের দাবী এলাকাবাসির ।
জানা যায়, সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক, মিজমিািজ মাদ্রাসা রোড, হাজেরা মার্কেট, মাদ্রাসা রোড থেকে পাকার মাথায় যাওয়ার পথে, মতিন সড়ক, ধনুহাজীরোড, বাতানপাড়া কবরস্থান, বাতানপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ও পাগলাবাড়ী এলাকায় অর্ধশতাধিক অবৈধ মশার কয়েল তৈরির কারখানা রয়েছে। এসকল কারখানায় রয়েছে অবৈধ গ্যাস সংযোগ, বিদ্যুৎ চুরি ও শিশু শ্রমিক। সাইনবোর্ড বিহীন এসব কারখানায় রয়েছে সিসি ক্যামরা। কারখানার প্রধান ফটকে বাইরে দিয়ে তালা ঝুলিয়ে রাখে যাতে সহজেই কেউ কারখানায় প্রবেশ করতে না পারে, আর বুজতেও না পারে এখানে কি হচ্ছে। তিতাশ গ্যাস, বিদ্যুৎ, বিএসটিআইসহ বিভিন্ন সংস্থার অভিযানের খবর পেয়ে অতিসহজেই মালিক ও শ্রমিকরা কারখানার পিছনের গেট দিয়ে নির্বিঘেœ পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। সিদ্ধিরগঞ্জে অবস্থিত কারখানা গুলো হলো একলাসের বুশরা ও চমক কয়েল, মিজমিজি হাজেরা মাকের্ট এলাকায়, প্রিন্সের, কুইন কয়েল, মাদ্রাসা রোড থেকে পাকার মাথায় যাওয়ার পথে, হারুন@ ইয়াবা হারুনের, সোনালী কয়েল, মিজমিজি মাদ্রাসা রোড, জহিরের অফিসের সাথে ও হাজেরা মাকের্ট, এলাকায় আনোয়ারের, ক্রাউন কয়েল, মাদ্রাসা রোড, এলাকায়, আসাদের, সিভিল ম্যাজিক কয়েল, মাদ্রাসা রোড থেকে পাকার মাথায় যাওয়ার পথে, জাহাঙ্গীরের, বসুন্ধরা কয়েল, মতিন সড়ক, চিশতীয়া বেকারী এলাকায়, বাদসার, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কয়েল, মতিন সড়ক, চিশতীয়া বেকারী এলাকায়, আলমের, ডিকে বস কয়েল, মতিন সড়ক, চিশতীয়া বেকারী এলাকায়, মানিকের, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কয়েল, মতিন সড়ক, চিশতীয়া বেকারী এলাকায়, জামানের, হিরো কয়েল, মিজমিজী মেডিকেলের সাথে, বজলুর, হক কয়েল, ধনুহাজী রোড এলাকায়, কামালের, পাগলা কয়েল, ধনুহাজী রোড, এলাকায়, সামসুর, ভেনিস কয়েল, মিজমিজী বাতানপাড়া কবরস্থান এলাকায়, তাজুল ইসলামের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কয়েল, মিজমিজি, বাতানপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন, এলাকায় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের অবৈধ মশার কয়েলের কারখানা রয়েছে। সিদ্ধিরগঞ্জের নাসিক ১ ও ২ নং ওয়ার্ডে মৌচাক, মিজমিািজ মাদ্রাসা রোড, হাজেরা মার্কেট, মাদ্রাসা রোড থেকে পাকার মাথায় যাওয়ার পথে, মতিন সড়ক, ধনুহাজীরোড, বাতানপাড়া কবরস্থান, বাতানপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পাগলাবাড়ী এলাকায় সবচেয়ে বেশী কয়েল কারখানা গড়ে উঠেছে। স্থানীয় এলাকাবাসীরা বলেন, অবাধে কয়েল ফ্যাক্টরী গুলো গড়ে উঠার কারণে বিষাক্ত ক্যামিকেল, দুর্গন্ধ ও ময়লা পানির কারনে অনেকের হাপানি, শ্বাসকষ্টসহ নানাহ বায়ুবাহীত রোগ ছড়িয়ে পড়ছে, ফলে আমাদের বসবাস করতে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, এসব কারখানার তৈরি অবৈধ কয়েলের গুনগত মান পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা নেই। তাছাড়া বিভিন্ন নামিদামি কারখানার কয়েল অবিকল নকল করে বাজারজাত করছে এসব কারখানা মালিকরা। বিভিন্ন মোড়ক তৈরি করে অবৈধ কারখানার মালিকরা তাদের নিজেদের তৈরি কয়েল প্যাকেট করে গোপনে বাজার জাত করছে। অনুমোদিত কয়েলের চেয়ে দাম অনেক কম হওয়ায় খুচরা বিক্রেতারা অধিক মুনাফার লোভে নকল কয়েল বিক্রি করছে ক্রেতাদের কাছে। ক্রেতারা অনুমোদিত কারখানার তৈরি কয়েল মনে করে বেশী দামে অভিকল নকল কয়েল কিনে প্রতারিত হচ্ছে। এসব নকল কয়েল মানব দেহের জন্য মারতœক ক্ষতিকর। অবৈধ কারখানা মালিকরা নকল কয়েল তৈরি ও বাজারজাত করে এক দিকে ক্রেতাদের সাথে প্রতারনা করে অর্থিক ফায়দা লুটছে অপর দিকে জীবনকেও ঠেলে দিচ্ছে হুমকির মূখে। এসব কাখানায় অবৈধ ভাবে গ্যাস ও বিদ্যুৎ লাইন সংযোগের অভিযোগ রয়েছে। অপরিকল্পিত ভাবে গড়ে উঠা এসব অবৈধ অনুমোদনহীন একাধিক কারখানায় বিভিন্ন সময় আগুন লাগার ঘটনাও ঘটছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর জরুরী হস্থক্ষেপ কামনা করেছে সচেতন এলাকাবাসী। ######