নারায়ণগঞ্জ ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রেখে পাঁচটি বড় উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় সর্বমহলে প্রশংসিত পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান মুন্সী ৩৩ সদস্য বিশিষ্ট সৌদি আরব বাংলাদেশ প্রবাসী সাংবাদিক ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটির নাম ঘোষণা সিদ্ধিরগঞ্জে তিতাসের নাটকীয় অভিযান হাজীগঞ্জ আইটি স্কুল হইতে খানপুর হাসপাতাল পর্যন্ত সড়কের সংস্কার কাজের শুভ উদ্বোধন সিদ্ধিরগঞ্জের ভূমিপল্লী ও হাউজিংয়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগ,তিতাসের দ্রুত অভিযানের দাবি এলাকাবাসীর সিদ্ধিরগঞ্জে যুবলীগ নেতার সহযোগী মানিক এখন বিএনপির বড় নেতা নারায়ণগঞ্জ “শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক ও রাষ্ট্রের ভূমিকা” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ,আলী হোসেনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সাথে ইউনাইটেড প্রেস ক্লাবের চেয়ারম্যান দিপুর আলোচনা সভা নারায়ণগঞ্জে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান

সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে ২ মানব পাচারকারী গ্রেফতার

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৩:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৯
  • ২২৬ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জের আটি ভূমিপল্লী আবাসিক এলাকার একটি ভবনের ফাট বাসা থেকে শেফালী বেগম(৫০) নামে এক মানব পাচারকারী ও মক্ষীরানিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কদমতলী এলাকা থেকে সহযোগী মামুনকে(৩৫) গ্রেফতার করা হয়। ধৃত শেফালীর জিম্মা থেকে ২২ বছরের এক যুবতীকে উদ্ধার করে র‌্যাব।
গোপনসূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ৯ ফেব্রুয়ারি(শনিবার) রাতে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল তাদের গ্রেফতার করে। রোববার (১০ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে আদমজীতে অবস্থিত র‌্যাব-১১ এর সি.পি.এস.সি ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: জসিম উদ্দিন চৌধুরী(পিপিএম) স্বাক্ষরীত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

র‌্যাব জানায়, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, শেফালী বেগম দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় ফ্যাট বাসা ভাড়া নিয়ে ফ্যামিলি বসবাসের ছদ¥বেশে পতিতাবৃত্তির ব্যবসা করে আসছে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে একটি সংঘবদ্ধ মানব পাচারকারী চক্রের মাধ্যমে যুবতী মেয়েদের অধিক বেতনে চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে তার বাসায় এনে জিম্মি করে জোরপূর্বক তাদের দিয়ে অসামাজিক (পতিতাবৃত্তি) কাজ করতো। তাছাড়া তার অধীনে অনেক যৌনকর্মী ও খদ্দের রয়েছে। গ্রেফতারকৃত মামুন তার একজন নিয়মিত খদ্দের। পরিচয়ের সূত্রে মামুন উদ্ধারকৃত ভিকটিমকে অধিক বেতনে চাকুরির প্রলোভন দেখিয়ে ঢাকায় নিয়ে আসে। প্রথমে ভিকটিমকে ঢাকার কমলাপুর এলাকায় একটি আবাসিক হোটেলে রাখে। মামুন হোটেল কে জোরপূর্বক ভিকটিমের সাথে দৈহিক মিলনের চেষ্টা করে। পরে চাকুরী দেয়ার নামে ভিকডিমকে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে মক্ষীরানি শেফালি বেগমের হাতে তুলে দেয়। শেফালি বেগম ভিকটিমকে তার বাসায় জিম্মি ও মারধর করে নিয়মিত খদ্দেরদের সাথে অসামাজিক কাজে লিপ্ত হতে বাধ্য করতো।
ধৃত শেফালি বেগম ও মামুনের বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মানব পাচার আইনে মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন বলে র‌্যাব জানায়।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রেখে পাঁচটি বড় উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় সর্বমহলে প্রশংসিত পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান মুন্সী

সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে ২ মানব পাচারকারী গ্রেফতার

আপডেট সময় : ১১:৫৩:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জের আটি ভূমিপল্লী আবাসিক এলাকার একটি ভবনের ফাট বাসা থেকে শেফালী বেগম(৫০) নামে এক মানব পাচারকারী ও মক্ষীরানিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কদমতলী এলাকা থেকে সহযোগী মামুনকে(৩৫) গ্রেফতার করা হয়। ধৃত শেফালীর জিম্মা থেকে ২২ বছরের এক যুবতীকে উদ্ধার করে র‌্যাব।
গোপনসূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ৯ ফেব্রুয়ারি(শনিবার) রাতে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল তাদের গ্রেফতার করে। রোববার (১০ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে আদমজীতে অবস্থিত র‌্যাব-১১ এর সি.পি.এস.সি ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: জসিম উদ্দিন চৌধুরী(পিপিএম) স্বাক্ষরীত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

র‌্যাব জানায়, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, শেফালী বেগম দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় ফ্যাট বাসা ভাড়া নিয়ে ফ্যামিলি বসবাসের ছদ¥বেশে পতিতাবৃত্তির ব্যবসা করে আসছে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে একটি সংঘবদ্ধ মানব পাচারকারী চক্রের মাধ্যমে যুবতী মেয়েদের অধিক বেতনে চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে তার বাসায় এনে জিম্মি করে জোরপূর্বক তাদের দিয়ে অসামাজিক (পতিতাবৃত্তি) কাজ করতো। তাছাড়া তার অধীনে অনেক যৌনকর্মী ও খদ্দের রয়েছে। গ্রেফতারকৃত মামুন তার একজন নিয়মিত খদ্দের। পরিচয়ের সূত্রে মামুন উদ্ধারকৃত ভিকটিমকে অধিক বেতনে চাকুরির প্রলোভন দেখিয়ে ঢাকায় নিয়ে আসে। প্রথমে ভিকটিমকে ঢাকার কমলাপুর এলাকায় একটি আবাসিক হোটেলে রাখে। মামুন হোটেল কে জোরপূর্বক ভিকটিমের সাথে দৈহিক মিলনের চেষ্টা করে। পরে চাকুরী দেয়ার নামে ভিকডিমকে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে মক্ষীরানি শেফালি বেগমের হাতে তুলে দেয়। শেফালি বেগম ভিকটিমকে তার বাসায় জিম্মি ও মারধর করে নিয়মিত খদ্দেরদের সাথে অসামাজিক কাজে লিপ্ত হতে বাধ্য করতো।
ধৃত শেফালি বেগম ও মামুনের বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মানব পাচার আইনে মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন বলে র‌্যাব জানায়।