নারায়ণগঞ্জ ০৫:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিদ্ধিরগঞ্জে ৩২ লাখ টাকা ও ১৩ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে ব্যাবসায়ীর স্ত্রী উধাও! ভিশন ২০৩০-এর সুযোগে সৌদিতে সফল বাংলাদেশি উদ্যোক্তা, দেশে বিনিয়োগের আহ্বান নারায়ণগঞ্জে প্রথমবারের মত নৌযান শুমারি ২০২৬ অবহিতকরণ সভায় অনুষ্ঠিত সরকারি তোলারাম কলেজে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণ: সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান অধ্যক্ষের নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি অন্য জেলার জন্য উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: ডিসি মো :রায়হান কবির নারায়ণগঞ্জে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিনব্যাপী জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে শ্রদ্ধা,দোয়া, স্মরণ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান নারায়ণগঞ্জে শিবির-ছাত্রদল সংঘর্ষ, আহত ৫ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে জেলা তথ্য অফিসের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের শ্রদ্ধাঞ্জলি জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও পুষ্পার্পণে নারায়ণগঞ্জে জেলা প্রশাসন

সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে ২ মানব পাচারকারী গ্রেফতার

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৩:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৯
  • ২৫৭ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জের আটি ভূমিপল্লী আবাসিক এলাকার একটি ভবনের ফাট বাসা থেকে শেফালী বেগম(৫০) নামে এক মানব পাচারকারী ও মক্ষীরানিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কদমতলী এলাকা থেকে সহযোগী মামুনকে(৩৫) গ্রেফতার করা হয়। ধৃত শেফালীর জিম্মা থেকে ২২ বছরের এক যুবতীকে উদ্ধার করে র‌্যাব।
গোপনসূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ৯ ফেব্রুয়ারি(শনিবার) রাতে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল তাদের গ্রেফতার করে। রোববার (১০ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে আদমজীতে অবস্থিত র‌্যাব-১১ এর সি.পি.এস.সি ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: জসিম উদ্দিন চৌধুরী(পিপিএম) স্বাক্ষরীত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

র‌্যাব জানায়, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, শেফালী বেগম দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় ফ্যাট বাসা ভাড়া নিয়ে ফ্যামিলি বসবাসের ছদ¥বেশে পতিতাবৃত্তির ব্যবসা করে আসছে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে একটি সংঘবদ্ধ মানব পাচারকারী চক্রের মাধ্যমে যুবতী মেয়েদের অধিক বেতনে চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে তার বাসায় এনে জিম্মি করে জোরপূর্বক তাদের দিয়ে অসামাজিক (পতিতাবৃত্তি) কাজ করতো। তাছাড়া তার অধীনে অনেক যৌনকর্মী ও খদ্দের রয়েছে। গ্রেফতারকৃত মামুন তার একজন নিয়মিত খদ্দের। পরিচয়ের সূত্রে মামুন উদ্ধারকৃত ভিকটিমকে অধিক বেতনে চাকুরির প্রলোভন দেখিয়ে ঢাকায় নিয়ে আসে। প্রথমে ভিকটিমকে ঢাকার কমলাপুর এলাকায় একটি আবাসিক হোটেলে রাখে। মামুন হোটেল কে জোরপূর্বক ভিকটিমের সাথে দৈহিক মিলনের চেষ্টা করে। পরে চাকুরী দেয়ার নামে ভিকডিমকে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে মক্ষীরানি শেফালি বেগমের হাতে তুলে দেয়। শেফালি বেগম ভিকটিমকে তার বাসায় জিম্মি ও মারধর করে নিয়মিত খদ্দেরদের সাথে অসামাজিক কাজে লিপ্ত হতে বাধ্য করতো।
ধৃত শেফালি বেগম ও মামুনের বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মানব পাচার আইনে মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন বলে র‌্যাব জানায়।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সিদ্ধিরগঞ্জে ৩২ লাখ টাকা ও ১৩ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে ব্যাবসায়ীর স্ত্রী উধাও!

সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে ২ মানব পাচারকারী গ্রেফতার

আপডেট সময় : ১১:৫৩:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জের আটি ভূমিপল্লী আবাসিক এলাকার একটি ভবনের ফাট বাসা থেকে শেফালী বেগম(৫০) নামে এক মানব পাচারকারী ও মক্ষীরানিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কদমতলী এলাকা থেকে সহযোগী মামুনকে(৩৫) গ্রেফতার করা হয়। ধৃত শেফালীর জিম্মা থেকে ২২ বছরের এক যুবতীকে উদ্ধার করে র‌্যাব।
গোপনসূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ৯ ফেব্রুয়ারি(শনিবার) রাতে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল তাদের গ্রেফতার করে। রোববার (১০ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে আদমজীতে অবস্থিত র‌্যাব-১১ এর সি.পি.এস.সি ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: জসিম উদ্দিন চৌধুরী(পিপিএম) স্বাক্ষরীত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

র‌্যাব জানায়, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, শেফালী বেগম দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় ফ্যাট বাসা ভাড়া নিয়ে ফ্যামিলি বসবাসের ছদ¥বেশে পতিতাবৃত্তির ব্যবসা করে আসছে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে একটি সংঘবদ্ধ মানব পাচারকারী চক্রের মাধ্যমে যুবতী মেয়েদের অধিক বেতনে চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে তার বাসায় এনে জিম্মি করে জোরপূর্বক তাদের দিয়ে অসামাজিক (পতিতাবৃত্তি) কাজ করতো। তাছাড়া তার অধীনে অনেক যৌনকর্মী ও খদ্দের রয়েছে। গ্রেফতারকৃত মামুন তার একজন নিয়মিত খদ্দের। পরিচয়ের সূত্রে মামুন উদ্ধারকৃত ভিকটিমকে অধিক বেতনে চাকুরির প্রলোভন দেখিয়ে ঢাকায় নিয়ে আসে। প্রথমে ভিকটিমকে ঢাকার কমলাপুর এলাকায় একটি আবাসিক হোটেলে রাখে। মামুন হোটেল কে জোরপূর্বক ভিকটিমের সাথে দৈহিক মিলনের চেষ্টা করে। পরে চাকুরী দেয়ার নামে ভিকডিমকে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে মক্ষীরানি শেফালি বেগমের হাতে তুলে দেয়। শেফালি বেগম ভিকটিমকে তার বাসায় জিম্মি ও মারধর করে নিয়মিত খদ্দেরদের সাথে অসামাজিক কাজে লিপ্ত হতে বাধ্য করতো।
ধৃত শেফালি বেগম ও মামুনের বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মানব পাচার আইনে মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন বলে র‌্যাব জানায়।