নারায়ণগঞ্জ ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গুণী জনদের পদচারণায়  উদযাপিত  দৈনিক আজকের নীর বাংলা পত্রিকা’র ১৫ তম  বর্ষপূর্তি সিদ্ধিরগঞ্জে রাজউকের অভিযানে ক্ষুব্ধ ভবন মালিকরা রেকমত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের মজিবুর রহমান সভাপতির দায়িত্ব নিয়েই শিক্ষার মান উন্নয়নের তাগিদ অস্ত্রের লাইসেন্সের আবেদন না করেও অপপ্রচারের শিকার মহিউদ্দিন মোল্লা ! সাংবাদিক শাওনের বাবা ফিরোজ আহমেদ আর নেই রিয়াদে জমকালো আয়োজনে মাই টিভির ১৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন রিয়াদে প্রিমিয়াম ফুটবল লীগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত জুন মাসের ১৭ তারিখ কোরবানির ঈদ পালিত হওয়ার সম্ভবনা রিয়াদে নোভ আল আম্মার ইষ্টাবলিস্ট এর আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত রিয়াদে বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ঘাতক প্রেমিকের স্বীকারক্তি : ধর্ষণের পর গলাটিপে হত্যা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৩:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ নভেম্বর ২০১৮
  • ১৪৯ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জের মধ্য সানারপাড় এলাকার গৃহবধূ লায়লা হত্যার রহস্য উদঘাটন। ধর্ষণের পর পরকীয়া গ্রেমিক আশরাফুল তাকে গলাটিপে হত্যা করে লাশ ঘরে রেখেই পালিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ হুমায়ূন কবিরের আদালতে স্বীকারক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছে ঘাতক প্রেমিক আশরাফুল (৩৬)।

আদালতে আশরাফুল স্বীকারক্তি দেয়, গত ২৫ অক্টোবর লায়না আমাকে ফোন করে তার বাসায় ডেকে নেয়। যাওয়ার পর সে আমার পরিবার (স্ত্রী-সন্তান) ও আমাকে গালাগাল করতে থাকে। আমি তাকে গালাগালি বন্ধ করতে বললে সে শোনেনি। তখন আমি ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে ধর্ষণ করি। পরে তার গলা চেপে ধরি। এতে শ্বাসরোধ হয়ে সে মারা গেলে আমি পালিয়ে যাই। আশরাফুল লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী থানার মহিষখোচা এলাকার মৃত সোলায়মান আলীর ছেলে। সানারপাড় লন্ডনমার্কে মহাকাশ রোড এলাকার সাইফুলের বাড়ির ভাড়াটিয়া। স্মার্ট নামে একটি গার্মেন্টস কারখানায় কিউসি হিসাবে চাকুরী করতো।

আদালতকে আশরাফুল আরো জানায়, প্রায় ১৭ বা ১৮ বছর আগে লায়লার বিয়ে হলেও কোন সন্তান হয়নি। গত ২ বছর ধরে তার সাথে আমার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। সন্তানের আশায় সে আমার সাথে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তুলে।

লায়লা হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এর পরিদর্শক গিয়াসউদ্দিন ডেমরা সারুলিয়া এলাকা থেকে আশরাফুল ইসলামকে গ্রেফতার করে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে হাজির করলে হত্যার দায় স্বীকার করে এ জবানবন্দি দেয় আশরাফুল। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গিয়াসউদ্দিন এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য, গত ২৫ অক্টোবর বিকেল ৩ টায় সিদ্ধিরগঞ্জের মধ্য সানারপাড় এলাকার খলিল মিয়ার ভাড়াটিয়া বাসা থেকে লায়লা আক্তার (৩০) এর বিবস্ত্র লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লায়লা ওই বাসায় তার স্বামীর সাথেই থাকতো।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

গুণী জনদের পদচারণায়  উদযাপিত  দৈনিক আজকের নীর বাংলা পত্রিকা’র ১৫ তম  বর্ষপূর্তি

ঘাতক প্রেমিকের স্বীকারক্তি : ধর্ষণের পর গলাটিপে হত্যা

আপডেট সময় : ০৬:১৩:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ নভেম্বর ২০১৮

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জের মধ্য সানারপাড় এলাকার গৃহবধূ লায়লা হত্যার রহস্য উদঘাটন। ধর্ষণের পর পরকীয়া গ্রেমিক আশরাফুল তাকে গলাটিপে হত্যা করে লাশ ঘরে রেখেই পালিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ হুমায়ূন কবিরের আদালতে স্বীকারক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছে ঘাতক প্রেমিক আশরাফুল (৩৬)।

আদালতে আশরাফুল স্বীকারক্তি দেয়, গত ২৫ অক্টোবর লায়না আমাকে ফোন করে তার বাসায় ডেকে নেয়। যাওয়ার পর সে আমার পরিবার (স্ত্রী-সন্তান) ও আমাকে গালাগাল করতে থাকে। আমি তাকে গালাগালি বন্ধ করতে বললে সে শোনেনি। তখন আমি ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে ধর্ষণ করি। পরে তার গলা চেপে ধরি। এতে শ্বাসরোধ হয়ে সে মারা গেলে আমি পালিয়ে যাই। আশরাফুল লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী থানার মহিষখোচা এলাকার মৃত সোলায়মান আলীর ছেলে। সানারপাড় লন্ডনমার্কে মহাকাশ রোড এলাকার সাইফুলের বাড়ির ভাড়াটিয়া। স্মার্ট নামে একটি গার্মেন্টস কারখানায় কিউসি হিসাবে চাকুরী করতো।

আদালতকে আশরাফুল আরো জানায়, প্রায় ১৭ বা ১৮ বছর আগে লায়লার বিয়ে হলেও কোন সন্তান হয়নি। গত ২ বছর ধরে তার সাথে আমার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। সন্তানের আশায় সে আমার সাথে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তুলে।

লায়লা হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এর পরিদর্শক গিয়াসউদ্দিন ডেমরা সারুলিয়া এলাকা থেকে আশরাফুল ইসলামকে গ্রেফতার করে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে হাজির করলে হত্যার দায় স্বীকার করে এ জবানবন্দি দেয় আশরাফুল। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গিয়াসউদ্দিন এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য, গত ২৫ অক্টোবর বিকেল ৩ টায় সিদ্ধিরগঞ্জের মধ্য সানারপাড় এলাকার খলিল মিয়ার ভাড়াটিয়া বাসা থেকে লায়লা আক্তার (৩০) এর বিবস্ত্র লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লায়লা ওই বাসায় তার স্বামীর সাথেই থাকতো।