সংবাদ শিরোনাম ::
আড়াইহাজা‌রে দলীয় পরিচয়ে অন্যায় করলে ছাড় নয়: রাকিবুল ইসলাম রাকিব পদ্মা অয়েল পিএলসি এর মহাব্যবস্থাপক আসিফ মালিক’কে বিদায় সংবর্ধনা Vibra con los casinos que marcan tendencia en entretenimiento বাংলা ৫২ নিউজ ডটকমের ১০ম বর্ষে পদার্পণ আড়াইহাজারে জামায়াতের নেতাকর্মীরা ইর্ষান্বিত হয়েই আজাদের বিরু’দ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে : উপজেলা বিএনপি পিতার পর পুত্রকেও বহিস্কার নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে সাংবাদিকদের সাথে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর মতবিনিময়সভা ওমানের শ্রমমন্ত্রীর সাথে ফলপ্রসূ আলোচনা: শীঘ্রই উন্মুক্ত হচ্ছে ওয়ার্ক ভিসা আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে বাংলাদেশ বদ্ধপরিকর সিদ্ধিরগঞ্জে গভীর রাতে মার্কেটে অগ্নিকাণ্ড

শীতলক্ষ্যা নদীতে কাঁচপুর নৌ-পুলিশের চাঁদাবাজি

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ জুলাই ২০১৮
  • ৬৫৬ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : শীতলক্ষ্যা নদীতে নৌ-পুলিশের চাঁদাবাজি। কাঁচপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল বালুবাহী ট্রালারসহ বিভিন্ন নৌ-যান থেকে চাঁদা আদায় করছে। ইঞ্জিন চালিত ট্রলার দিয়ে প্রতিদিন ভোর ৫ টা থেকে দুপুর ১ টা ও বিকেল ৪ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করছে পুলিশ। কাঁচপুর সেতু থেকে গোদনাইল নং ঢাকেশ্বরী ঘাট পর্যন্ত নদী সীমানা থেকে পুলিশ চাঁদাবাজি করছে। চাঁদা না দিলে অমানবিক নির্যাতন করা হয় বলে একাধিক ট্রলার মালিক ও শ্রমিকরা অভিযোগ জানায়।
নৌ-পরিবহন শ্রমিকদের অভিযোগ, ছোট বড় যে কোন বালুবাহী ট্রলার শীতলক্ষ্যা নদীর সিদ্ধিরগঞ্জ থানার গোদনাইল ২ নং ঘাট অতিক্রম করলেই নৌ-পুলিশকে চাঁদা দিতে হয়। ইঞ্জিন চালিত ট্রলার দিয়ে নৌ-পুলিশ বালুবাহী ট্রালারের গতি রোধ করে চাঁদা আদায় করছে। বালুবাহী ছোট ট্রলার ২‘শ ও বড় ট্রলার থেকে ৩‘শ টাকা করে চাঁদা আদায় করছে পুলিশ। চাঁদা না দিলে মারধর করা হয় বলে একাধিক শ্রমিক অভিযোগ জানায়।
সরেজমিনে শীতলক্ষ্যা নদীতে গিয়ে দেখা গেছে নৌ-পুলিশ কাঁচপুর ল্যান্ডিং এলাকায় বিভিন্ন বালুবাহী ট্রলার থেকে চাঁদা আদায় করছে। গণমাধ্যম কর্মীরা চাঁদা আদায়ের দৃশ্য ক্যামেরা বন্দি করলে পুলিশ দ্রুত ইঞ্জিন চালিত ট্রলার দিয়ে চলে যায়। কাঁচপুর নৌ-ফাঁড়ির কনস্টেবল মোশারফ এর নেতৃত্বে কয়েকজন পুলিশ সদস্য প্রতিদিন নদীতে চাঁদাবাজি করছে। বালুবাহী ট্রলার আসলেই পুলিশ তাদের ইঞ্জিন চালিত ট্রলার দিয়ে কাছে গিয়ে চাঁদা আদায় করে। চাঁদা আদায়ে সর্বাত্বক সহযোগীতা করছে পুলিশ বহনকারী ট্রলারের লোকজন।
নদীর পাড়ের বাসিন্দা ও বিভিন্ন প্রত্যক্ষদর্শী ব্যবসায়ীরা জানায়, নদীতে লোংকর করে রাখা জাহাজের আড়ালে পুলিশ ট্রালার নিয়ে অপেক্ষা করে। কোন বালুবাহী ট্রলার আসলেই পুলিশ তাদের ইঞ্জিন চালিত ট্রলার দিয়ে ছুটে গিয়ে চাঁদা আদায় করছে। পুলিশের এই চাঁদাবাজি গত কয়েকমাস ধরে শুরু হয়েছে বলে তারা জানায়।
নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, নৌ-পুলিশ দিনে বালুবাহী ট্রলার থেকে চাঁদা আদায় করলেও রাতে অন্যান্য নৌ-পরিবহন থেকে চাঁদা আদায় করছে। চাঁদা না দিলে বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন করে পুলিশ। সূত্রটি জানায়, নৌ-পুলিশের সহযোগীতায় নদী দিয়ে মাদকের বড় বড় চালান আসা যাওয়া করছে। এসব মাদক পাচারকারীদের কাছ থেকে নৌ-পুলিশ মোটা অংকের উৎকোচ পাচ্ছে বলে সূত্রটির দাবি। পুলিশের চাঁদাবাজি থেকে রক্ষা পেতে জেলা পুলিশ সুপারসহ উর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন নৌ-পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা।
এ বিষয়ে কাঁচপুর নৌ-ফাঁড়ির ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি দেখবেন বলে জানান।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

আড়াইহাজা‌রে দলীয় পরিচয়ে অন্যায় করলে ছাড় নয়: রাকিবুল ইসলাম রাকিব

শীতলক্ষ্যা নদীতে কাঁচপুর নৌ-পুলিশের চাঁদাবাজি

আপডেট সময় : ০৮:১৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ জুলাই ২০১৮

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : শীতলক্ষ্যা নদীতে নৌ-পুলিশের চাঁদাবাজি। কাঁচপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল বালুবাহী ট্রালারসহ বিভিন্ন নৌ-যান থেকে চাঁদা আদায় করছে। ইঞ্জিন চালিত ট্রলার দিয়ে প্রতিদিন ভোর ৫ টা থেকে দুপুর ১ টা ও বিকেল ৪ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করছে পুলিশ। কাঁচপুর সেতু থেকে গোদনাইল নং ঢাকেশ্বরী ঘাট পর্যন্ত নদী সীমানা থেকে পুলিশ চাঁদাবাজি করছে। চাঁদা না দিলে অমানবিক নির্যাতন করা হয় বলে একাধিক ট্রলার মালিক ও শ্রমিকরা অভিযোগ জানায়।
নৌ-পরিবহন শ্রমিকদের অভিযোগ, ছোট বড় যে কোন বালুবাহী ট্রলার শীতলক্ষ্যা নদীর সিদ্ধিরগঞ্জ থানার গোদনাইল ২ নং ঘাট অতিক্রম করলেই নৌ-পুলিশকে চাঁদা দিতে হয়। ইঞ্জিন চালিত ট্রলার দিয়ে নৌ-পুলিশ বালুবাহী ট্রালারের গতি রোধ করে চাঁদা আদায় করছে। বালুবাহী ছোট ট্রলার ২‘শ ও বড় ট্রলার থেকে ৩‘শ টাকা করে চাঁদা আদায় করছে পুলিশ। চাঁদা না দিলে মারধর করা হয় বলে একাধিক শ্রমিক অভিযোগ জানায়।
সরেজমিনে শীতলক্ষ্যা নদীতে গিয়ে দেখা গেছে নৌ-পুলিশ কাঁচপুর ল্যান্ডিং এলাকায় বিভিন্ন বালুবাহী ট্রলার থেকে চাঁদা আদায় করছে। গণমাধ্যম কর্মীরা চাঁদা আদায়ের দৃশ্য ক্যামেরা বন্দি করলে পুলিশ দ্রুত ইঞ্জিন চালিত ট্রলার দিয়ে চলে যায়। কাঁচপুর নৌ-ফাঁড়ির কনস্টেবল মোশারফ এর নেতৃত্বে কয়েকজন পুলিশ সদস্য প্রতিদিন নদীতে চাঁদাবাজি করছে। বালুবাহী ট্রলার আসলেই পুলিশ তাদের ইঞ্জিন চালিত ট্রলার দিয়ে কাছে গিয়ে চাঁদা আদায় করে। চাঁদা আদায়ে সর্বাত্বক সহযোগীতা করছে পুলিশ বহনকারী ট্রলারের লোকজন।
নদীর পাড়ের বাসিন্দা ও বিভিন্ন প্রত্যক্ষদর্শী ব্যবসায়ীরা জানায়, নদীতে লোংকর করে রাখা জাহাজের আড়ালে পুলিশ ট্রালার নিয়ে অপেক্ষা করে। কোন বালুবাহী ট্রলার আসলেই পুলিশ তাদের ইঞ্জিন চালিত ট্রলার দিয়ে ছুটে গিয়ে চাঁদা আদায় করছে। পুলিশের এই চাঁদাবাজি গত কয়েকমাস ধরে শুরু হয়েছে বলে তারা জানায়।
নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, নৌ-পুলিশ দিনে বালুবাহী ট্রলার থেকে চাঁদা আদায় করলেও রাতে অন্যান্য নৌ-পরিবহন থেকে চাঁদা আদায় করছে। চাঁদা না দিলে বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন করে পুলিশ। সূত্রটি জানায়, নৌ-পুলিশের সহযোগীতায় নদী দিয়ে মাদকের বড় বড় চালান আসা যাওয়া করছে। এসব মাদক পাচারকারীদের কাছ থেকে নৌ-পুলিশ মোটা অংকের উৎকোচ পাচ্ছে বলে সূত্রটির দাবি। পুলিশের চাঁদাবাজি থেকে রক্ষা পেতে জেলা পুলিশ সুপারসহ উর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন নৌ-পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা।
এ বিষয়ে কাঁচপুর নৌ-ফাঁড়ির ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি দেখবেন বলে জানান।