নারায়ণগঞ্জ ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ শুরু নারায়ণগঞ্জ সদরে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় আনসার-ভিডিপি সদস্য মোতায়েনের প্রস্তুতি, বাছাইয়ে স্বচ্ছতার দৃষ্টান্ত নারায়ণগঞ্জে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত, মাদকমুক্ত জেলা গড়তে সমন্বিত উদ্যোগ নারায়ণগঞ্জে শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন কিশোরীদের স্বাস্থ্য সচেতনতায় নারায়ণগঞ্জ সদরে কর্মশালা, ১৫ প্রতিষ্ঠানে প্যাড ভেন্ডিং মেশিন বিতরণ শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে জেলা পূজা উদযাপন কমিটি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় ফতুল্লা পাইলটে স্কুলে জিপিএ-৫ পাওয়া ৪৪ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা বাজারে সিন্ডিকেটের অস্তিত্ব যাতে না থাকে সেই লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার-খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম শিশু অধিকার দিবস উদযাপনে নারায়ণগঞ্জে ভার্চুয়ালি আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী শহরে যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশকে সহায়তায় ২২ জন ভলান্টিয়ারের কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন

নারায়ণগঞ্জে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত, মাদকমুক্ত জেলা গড়তে সমন্বিত উদ্যোগ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৬:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার :

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, সংক্ষিপ্ত বিচারের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ জেলাকে মাদকমুক্ত করা এবং পুলিশ ও বিচার বিভাগের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করতে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের উদ্যোগে জেলা জজ আদালতের সম্মেলন কক্ষে এই কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কে. এম. মহিউদ্দীন।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, মামলার জট কমানো এবং বিচারিক কার্যক্রমের গতি বাড়াতে “সামারী ট্রায়াল” বা সংক্ষিপ্ত বিচারের কার্যকর ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। এই পদ্ধতির মাধ্যমে নিয়মিত মামলার সংখ্যা হ্রাসের পাশাপাশি সঠিক আইনি ধারা প্রয়োগ, ডোপ টেস্ট এবং সাক্ষ্যপ্রমাণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে এর অপব্যবহার রোধ করতে হবে। এছাড়া শিশু অপরাধ সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনজীবীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত সহযোগিতার প্রয়োজন।

কনফারেন্সে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন, বিচার ব্যবস্থার বিভিন্ন অংশ যেমন- পুলিশ, আইনজীবী, বিচারক, কারাগার ও চিকিৎসকদের সমন্বিত প্রচেষ্টা ছাড়া অপরাধ দমন সম্ভব নয়।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, অপরাধ দমন, বিশেষ করে মাদক প্রতিরোধ এবং তরুণ ও কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও অন্যান্য দপ্তরকে একটি টিম হিসেবে কাজ করতে হবে। সামারী ট্রায়াল জোরদার করা, ভুলত্রুটি সংশোধন করা, সাক্ষীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং কোনো নিরীহ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। মাদকাসক্তদের শাস্তির পাশাপাশি সংশোধন ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষায় বিচার বিভাগ, জেলা প্রশাসন ও পুলিশের মধ্যে পারস্পরিক আন্তরিকতা এবং জনকল্যাণে একসাথে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ সময় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এম সাইফুল ইসলাম ও মো. তামজিদ আহমেদ সামারী ট্রায়ালের বিষয়ে প্রজেক্টরের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সেলিনা খাতুন, এইচ. এম. ইয়াসির আরাফাত, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সরকার হুমায়ুন, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচ এম আনোয়ার প্রধান, পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. আবুল কালাম আজাদ জাকিরসহ বিচার বিভাগ ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ শুরু

নারায়ণগঞ্জে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত, মাদকমুক্ত জেলা গড়তে সমন্বিত উদ্যোগ

আপডেট সময় : ০৪:২৬:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, সংক্ষিপ্ত বিচারের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ জেলাকে মাদকমুক্ত করা এবং পুলিশ ও বিচার বিভাগের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করতে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের উদ্যোগে জেলা জজ আদালতের সম্মেলন কক্ষে এই কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কে. এম. মহিউদ্দীন।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, মামলার জট কমানো এবং বিচারিক কার্যক্রমের গতি বাড়াতে “সামারী ট্রায়াল” বা সংক্ষিপ্ত বিচারের কার্যকর ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। এই পদ্ধতির মাধ্যমে নিয়মিত মামলার সংখ্যা হ্রাসের পাশাপাশি সঠিক আইনি ধারা প্রয়োগ, ডোপ টেস্ট এবং সাক্ষ্যপ্রমাণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে এর অপব্যবহার রোধ করতে হবে। এছাড়া শিশু অপরাধ সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনজীবীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত সহযোগিতার প্রয়োজন।

কনফারেন্সে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন, বিচার ব্যবস্থার বিভিন্ন অংশ যেমন- পুলিশ, আইনজীবী, বিচারক, কারাগার ও চিকিৎসকদের সমন্বিত প্রচেষ্টা ছাড়া অপরাধ দমন সম্ভব নয়।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, অপরাধ দমন, বিশেষ করে মাদক প্রতিরোধ এবং তরুণ ও কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও অন্যান্য দপ্তরকে একটি টিম হিসেবে কাজ করতে হবে। সামারী ট্রায়াল জোরদার করা, ভুলত্রুটি সংশোধন করা, সাক্ষীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং কোনো নিরীহ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। মাদকাসক্তদের শাস্তির পাশাপাশি সংশোধন ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষায় বিচার বিভাগ, জেলা প্রশাসন ও পুলিশের মধ্যে পারস্পরিক আন্তরিকতা এবং জনকল্যাণে একসাথে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ সময় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এম সাইফুল ইসলাম ও মো. তামজিদ আহমেদ সামারী ট্রায়ালের বিষয়ে প্রজেক্টরের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সেলিনা খাতুন, এইচ. এম. ইয়াসির আরাফাত, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সরকার হুমায়ুন, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচ এম আনোয়ার প্রধান, পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. আবুল কালাম আজাদ জাকিরসহ বিচার বিভাগ ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।