নারায়ণগঞ্জ ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৯ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাংবাদিক শাওনের বাবা ফিরোজ আহমেদ আর নেই রিয়াদে জমকালো আয়োজনে মাই টিভির ১৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন রিয়াদে প্রিমিয়াম ফুটবল লীগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত জুন মাসের ১৭ তারিখ কোরবানির ঈদ পালিত হওয়ার সম্ভবনা রিয়াদে নোভ আল আম্মার ইষ্টাবলিস্ট এর আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত রিয়াদে বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রিয়াদে জয়নাল আবেদীন ফারুক রিয়াদে বাংলাদেশ প্রবাসী সাংবাদিক ফোরামের ইফতার মাহফিলে প্রবাসীদের মিলন মেলা ফতুল্লা থানায় অভিযোগ করেও সাবেক সেনা পরিবার, পাশে পায়নি পুলিশ রিয়াদে প্রবাসী চাঁদপুর জেলা বিএনপির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

সিদ্ধিরগঞ্জে চাঁদার দাবিতে হামলা লুটপাট মামলার আসামি গ্রেপ্তার

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ অক্টোবর ২০২১
  • ৩১৪ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জে দশ লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে শওকত হোসেন হৃদয় নামে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে মারধর ও লুটপাট মামলার প্রধান আসামি আমির হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। গত শুক্রবার রাতে মিজমিজি পাইনাদী এলাকা থেকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নূর-ই আলম সিদ্দিকী তাকে গ্রেপ্তার করেন।
গ্রেপ্তারকৃত আমির হোসেন (৪২) মিজমিজি পাইনাদী এলাকার মৃত আস্কর আলীর ছেলে।
মামলার বাদী একই এলাকার মো: বিল্লাল হোসেনের ছেলে ব্যবসায়ী শওকত হোসেন হৃদয় (২২)।
জানা গেছে, আসামিরা বাদীর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। দাবিকৃত চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় গত ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ১০/১৫ জনের একটি দল বাদীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে মারধর, নগদ ও স্বর্ণালংকারসহ ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা লুট করে নেয়। এঘটনায় ব্যসায়ী হৃদয় নারায়ণগঞ্জ বিজ্ঞ আমলী ( ক অঞ্চল ) আদালতে পিটিশন মামলা করেন। যার নং-১৮৯/২০২১। ২০ সেপ্টেম্বর আদালতে মামলার শুনানি হয়। বাদী পক্ষে অভিযোগ সত্য প্রতিয়মান হলে আদলাত, একজন পুলিশ অফিসার কর্তৃক সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাদীর দরখাস্ত এফ.আই.আর হিসাবে গন্য করার জন্য ২৩ সেপ্টেম্বর সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসিকে নির্দেশ প্রদান করে আদেশ দেন। আদালতের নির্দেশনা পেয়ে গত ২৬ সেপ্টেম্বর পুলিশ মৃত আস্কর আলীর ছেলে আমির হোসেন ও আহম্মদ হোসেন বাদল এবং নূর মোহাম্মদের ছেলে ইব্রাহীমকে এজাহারভুক্ত ও ৮/১০ জনকে অজ্ঞাত আসামি দিয়ে মামলা রুজু করেন। গ্রেপ্তার আমির হোসেন মামলার প্রধান আসামি। তাকে শনিবার (২ অক্টোবর) দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এসআই নূর-ই আলম সিদ্দিকী জানান, আদালতের নির্দেশে মামলা রুজু করা হয়েছে। প্রধান আসামি আমির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার করার চেষ্টা চলছে।

 

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সাংবাদিক শাওনের বাবা ফিরোজ আহমেদ আর নেই

সিদ্ধিরগঞ্জে চাঁদার দাবিতে হামলা লুটপাট মামলার আসামি গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ১১:৫৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ অক্টোবর ২০২১

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জে দশ লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে শওকত হোসেন হৃদয় নামে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে মারধর ও লুটপাট মামলার প্রধান আসামি আমির হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। গত শুক্রবার রাতে মিজমিজি পাইনাদী এলাকা থেকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নূর-ই আলম সিদ্দিকী তাকে গ্রেপ্তার করেন।
গ্রেপ্তারকৃত আমির হোসেন (৪২) মিজমিজি পাইনাদী এলাকার মৃত আস্কর আলীর ছেলে।
মামলার বাদী একই এলাকার মো: বিল্লাল হোসেনের ছেলে ব্যবসায়ী শওকত হোসেন হৃদয় (২২)।
জানা গেছে, আসামিরা বাদীর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। দাবিকৃত চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় গত ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ১০/১৫ জনের একটি দল বাদীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে মারধর, নগদ ও স্বর্ণালংকারসহ ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা লুট করে নেয়। এঘটনায় ব্যসায়ী হৃদয় নারায়ণগঞ্জ বিজ্ঞ আমলী ( ক অঞ্চল ) আদালতে পিটিশন মামলা করেন। যার নং-১৮৯/২০২১। ২০ সেপ্টেম্বর আদালতে মামলার শুনানি হয়। বাদী পক্ষে অভিযোগ সত্য প্রতিয়মান হলে আদলাত, একজন পুলিশ অফিসার কর্তৃক সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাদীর দরখাস্ত এফ.আই.আর হিসাবে গন্য করার জন্য ২৩ সেপ্টেম্বর সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসিকে নির্দেশ প্রদান করে আদেশ দেন। আদালতের নির্দেশনা পেয়ে গত ২৬ সেপ্টেম্বর পুলিশ মৃত আস্কর আলীর ছেলে আমির হোসেন ও আহম্মদ হোসেন বাদল এবং নূর মোহাম্মদের ছেলে ইব্রাহীমকে এজাহারভুক্ত ও ৮/১০ জনকে অজ্ঞাত আসামি দিয়ে মামলা রুজু করেন। গ্রেপ্তার আমির হোসেন মামলার প্রধান আসামি। তাকে শনিবার (২ অক্টোবর) দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এসআই নূর-ই আলম সিদ্দিকী জানান, আদালতের নির্দেশে মামলা রুজু করা হয়েছে। প্রধান আসামি আমির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার করার চেষ্টা চলছে।