নারায়ণগঞ্জ ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রূপগঞ্জে ব্যবসায়ীর বাড়িতে ডাকাতিকালে যুবক আটক, আহত দুই প্রেস ক্লাবের সাথে মতবিনিময়ে মাদক, যানজট ও কিশোর গ্যাং নির্মূলে সহযোগিতা চাইলেন পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে অভিভাবকদের দায়িত্বশীল ভূমিকার তাগিদ দিলেন জেলা প্রশাসক সোনারগাঁয়ে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, মাদক-ধর্ষণ-ছিনতাই সহ বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার ১৯ সোনারগায়ে কথিত ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় গরুর মৃত্যু, চিকিৎসকের কারাদণ্ড রূপগঞ্জে সংঘবদ্ধ ডাকাতদলের গুলিতে ব্যবসায়ী আহত সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৪ জন গ্রেফতার, ১২৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় মাদক, কিশোর গ্যাং ও যানজট নিরসনে অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে কঠোর নির্দেশ সরকারি সেবা সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা দিতে নারায়ণগঞ্জ সদরে ব্যতিক্রমী কর্মসূচি ‘A Day in A Office’অনুষ্ঠিত আড়াই হাজার মসজিদের ভিতর থেকে উদ্ধার হল পুলিশের লুট হাওয়া পিস্তল

সিদ্ধিরগঞ্জে জামিনে বেরিয়ে এসেই আবারও মাদক ব্যবসায় গ্রেফতার-৩

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩০:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জুলাই ২০২১
  • ৩২১ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জে র‌্যাব-১০’র মাদক বিরোধী অভিযানে চিহিৃত মাদক ব্যবসায়ী একাধিক মামলার আসামী আলমগীরসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। এ সময় তাদের হেফাজত হতে পৌন এক কেজি (৯২০ গ্রাম) গাঁজা উদ্বার করে র‌্যাব। শনিবার (১০ জুলাই) সন্ধা ৭টায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন মিজমিজি টিসি রোড নুরু মেম্বারের পুল সংলগ্ন হাসানের চায়ের দোকানের সামনে থেকে ওই তিন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
পরে শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে র‌্যাব-১০এর সদস্যরা গ্রেফতারকৃতদের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে দুপুরে আসামীদের নারায়ণগঞ্জ আদালতে প্রেরন করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলো- মোঃ আলমগীর হোসেন (৩৮), শাহ আলম (৪৯), মোঃ রুবেল (৩০)। এর আগে বিপুল পরিমানের গাঁজা ও ফেন্সিডিলসহ আলমগীর কুমিল্লা জেলার ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। সে বর্তমানে জামিনে বেরিয়ে এসেই আবারও গ্রেফতার হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিদ্ধিরগঞ্জের চিহ্নিত মাদক বাহিনীর সেল্টারদাতা, চাদাঁবাজী ও ডাকাতি মামলার আসামী টাইগার ফারুক ওরফে চিকনা ফারুক ও চিহ্নিত মাদক সম্রাট, পেশাধার ছিনতাইকারী ও একাধিক মামলার আসামি জসিম বাহিনীর সদস্যরা জেল থেকে জামিনে বেরিয়ে আবারোও মাদক ব্যবসায় ব্যাপরোয়া হয়ে উঠেছে। শুরু করেছে ফেন্সি, ইয়াবা ও গাঁজা সহ অন্যান্য মাদক ব্যাবসা। তবে নামে বেনামে তাদের সিন্ডিকেটে আরো অনেকেই রয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবী গোয়েন্দা নজরদারীতে তদন্ত করলেই বেড়িয়ে আসবে থলের বিড়াল। স্থানীয়রা র‌্যাব-১১ ও নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার এবং জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, এলাকার তরুণ যুবকদের মরন নেশ থেকে রক্ষা করতে তদন্ত সাপেক্ষে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবীর আহŸান জানান। স্থানীয় প্রশাসন টাইগার ফারুকের মাদক ব্যাবসায়ী সিন্ডিকেটকে গ্রেপ্তারে ভুমিকা নেয় না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত টাইগার ফারুক বাহিনীর সদস্যদেরকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে র‌্যাব- র‌্যাব-৩ ও ১০ এর সদস্যরা।
গত ২ এপ্রিল একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ী মিলন, তার ভায়রা মোঃ মোশারফ হোসেন ও সহযোগী মোঃ মহিন উদ্দিন হোসেন হৃদয়কে গ্রেফতার কর হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদের নিকট হতে ২০ কেজি গাঁজা, ১টি প্রাইভেটকার, ৩টি মোবাইল ফোন এবং ৪টি সীমকার্ড উদ্ধার করে র‌্যাব-৩ এর একটি দল।
গত ১৭ এপ্রিল রাতে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল মোড় থেকে রাকিব, ওমর, সোলায়মান, ফরহাদ ও অয়নকে- ৯৬ বোতল ফেনসিডিল ও ১৮ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৩ এর সদস্যরা। এ সময় মাদকের কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার জব্ধ করা হয়। দু’টি অভিযানের গ্রেফতারকৃত প্রত্যেকেই টাইগার ফারুকের মাদক সিন্ডিকেটের সদস্য বলে জনিয়েছেন এলাকাবাসী।
গত ১ ফেব্রæয়ারি সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি টিসি রোড এলাকার মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল করিমের বাড়ির সামনের গলি থেকে গ্রেফতার হয় পেশাধার ছিনতাইকারী, মাদক ব্যবসায়ি ও একাধিক মামলার আসামি মো. জসিম।
এ ছাড়াও গত ২ মে রবিবার সকালে থানা পুলিশ সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি এলাকা থেকে গ্রেফতার হয় টাইগার ফারুক ওরফে চিকনা ফারুক। তবে বর্তমানে চিকনা ফারুক ও তার ভাই জসিম সহ উল্লেখিত ৮জন জামিনে এসে শুরু করেছে জমজমাট মাদকের ব্যাবসা।
টাইগার ফারুক ওরফে চিকনা ফারুক বর্তমানে সিদ্ধিরগঞ্জ মিজমিজি পাগলাবাড়ী পুর্বপাড়া এলাকায় বিলাশ বহুতলাবাড়ী করে বসবাস করছে। তার ছোট ভাই চিহ্নিত মাদক সম্রাট, পেশাধার ছিনতাইকারী ও একাধিক মামলার আসামি চিহ্নিত মাদক সম্রাট ও বিভিন্ন অপকর্মের হোতা জসিম এবং আরেক ছোট ভাই মহানগর ছাত্র দলের সহ-সভাপতি জুয়েল রানাও একাধীক মামলার আসামী, (সে-পলাতক)। তারা তিন জন সাবেক আদমজী জুট মিলের শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি আবু সাইদের ছেলে।
সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রে জানা যায়- ক্ষমতাসীন দলের অঙ্গ সংগঠন যুবলীগের ব্যানারকে সাইনবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করে এবং গুটি কয়েক পেতীদের সঙ্গে সখ্যতা করে সু-চতুর টাইগার ফারুক ওরফে চিকনা ফারুক মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রনের জন্য একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট গড়ে তুলে। এই সিন্ডিকেট সিদ্ধিরগঞ্জসহ এর আশপাশের এলাকায় পাইকারী ও খুচরা মাদক ব্যবসা, ছিনতাই ও কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বিপুল পরিমান অর্থ সম্পদের মালিক বনে গেছেন। দীর্ঘদিন ধরে এমন কার্যক্রম চলে আসলেও বাইরে থেকে বুঝার উপায় ছিল না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওই কার্যালয়ের ৮ সদস্য বিপুল পরিমান মাদক দ্রব্যসহ র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর মাদক ব্যবসার বিষয়টি ফাঁস হয়ে যায়। “কথায় বলে বাইরে ফিটফাট ভেতরে সদর ঘাট”। দশ দিন চোরের এক দিন হাউদের।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে ব্যবসায়ীর বাড়িতে ডাকাতিকালে যুবক আটক, আহত দুই

সিদ্ধিরগঞ্জে জামিনে বেরিয়ে এসেই আবারও মাদক ব্যবসায় গ্রেফতার-৩

আপডেট সময় : ০৭:৩০:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জুলাই ২০২১

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জে র‌্যাব-১০’র মাদক বিরোধী অভিযানে চিহিৃত মাদক ব্যবসায়ী একাধিক মামলার আসামী আলমগীরসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। এ সময় তাদের হেফাজত হতে পৌন এক কেজি (৯২০ গ্রাম) গাঁজা উদ্বার করে র‌্যাব। শনিবার (১০ জুলাই) সন্ধা ৭টায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন মিজমিজি টিসি রোড নুরু মেম্বারের পুল সংলগ্ন হাসানের চায়ের দোকানের সামনে থেকে ওই তিন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
পরে শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে র‌্যাব-১০এর সদস্যরা গ্রেফতারকৃতদের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে দুপুরে আসামীদের নারায়ণগঞ্জ আদালতে প্রেরন করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলো- মোঃ আলমগীর হোসেন (৩৮), শাহ আলম (৪৯), মোঃ রুবেল (৩০)। এর আগে বিপুল পরিমানের গাঁজা ও ফেন্সিডিলসহ আলমগীর কুমিল্লা জেলার ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। সে বর্তমানে জামিনে বেরিয়ে এসেই আবারও গ্রেফতার হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিদ্ধিরগঞ্জের চিহ্নিত মাদক বাহিনীর সেল্টারদাতা, চাদাঁবাজী ও ডাকাতি মামলার আসামী টাইগার ফারুক ওরফে চিকনা ফারুক ও চিহ্নিত মাদক সম্রাট, পেশাধার ছিনতাইকারী ও একাধিক মামলার আসামি জসিম বাহিনীর সদস্যরা জেল থেকে জামিনে বেরিয়ে আবারোও মাদক ব্যবসায় ব্যাপরোয়া হয়ে উঠেছে। শুরু করেছে ফেন্সি, ইয়াবা ও গাঁজা সহ অন্যান্য মাদক ব্যাবসা। তবে নামে বেনামে তাদের সিন্ডিকেটে আরো অনেকেই রয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবী গোয়েন্দা নজরদারীতে তদন্ত করলেই বেড়িয়ে আসবে থলের বিড়াল। স্থানীয়রা র‌্যাব-১১ ও নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার এবং জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, এলাকার তরুণ যুবকদের মরন নেশ থেকে রক্ষা করতে তদন্ত সাপেক্ষে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবীর আহŸান জানান। স্থানীয় প্রশাসন টাইগার ফারুকের মাদক ব্যাবসায়ী সিন্ডিকেটকে গ্রেপ্তারে ভুমিকা নেয় না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত টাইগার ফারুক বাহিনীর সদস্যদেরকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে র‌্যাব- র‌্যাব-৩ ও ১০ এর সদস্যরা।
গত ২ এপ্রিল একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ী মিলন, তার ভায়রা মোঃ মোশারফ হোসেন ও সহযোগী মোঃ মহিন উদ্দিন হোসেন হৃদয়কে গ্রেফতার কর হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদের নিকট হতে ২০ কেজি গাঁজা, ১টি প্রাইভেটকার, ৩টি মোবাইল ফোন এবং ৪টি সীমকার্ড উদ্ধার করে র‌্যাব-৩ এর একটি দল।
গত ১৭ এপ্রিল রাতে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল মোড় থেকে রাকিব, ওমর, সোলায়মান, ফরহাদ ও অয়নকে- ৯৬ বোতল ফেনসিডিল ও ১৮ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৩ এর সদস্যরা। এ সময় মাদকের কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার জব্ধ করা হয়। দু’টি অভিযানের গ্রেফতারকৃত প্রত্যেকেই টাইগার ফারুকের মাদক সিন্ডিকেটের সদস্য বলে জনিয়েছেন এলাকাবাসী।
গত ১ ফেব্রæয়ারি সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি টিসি রোড এলাকার মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল করিমের বাড়ির সামনের গলি থেকে গ্রেফতার হয় পেশাধার ছিনতাইকারী, মাদক ব্যবসায়ি ও একাধিক মামলার আসামি মো. জসিম।
এ ছাড়াও গত ২ মে রবিবার সকালে থানা পুলিশ সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি এলাকা থেকে গ্রেফতার হয় টাইগার ফারুক ওরফে চিকনা ফারুক। তবে বর্তমানে চিকনা ফারুক ও তার ভাই জসিম সহ উল্লেখিত ৮জন জামিনে এসে শুরু করেছে জমজমাট মাদকের ব্যাবসা।
টাইগার ফারুক ওরফে চিকনা ফারুক বর্তমানে সিদ্ধিরগঞ্জ মিজমিজি পাগলাবাড়ী পুর্বপাড়া এলাকায় বিলাশ বহুতলাবাড়ী করে বসবাস করছে। তার ছোট ভাই চিহ্নিত মাদক সম্রাট, পেশাধার ছিনতাইকারী ও একাধিক মামলার আসামি চিহ্নিত মাদক সম্রাট ও বিভিন্ন অপকর্মের হোতা জসিম এবং আরেক ছোট ভাই মহানগর ছাত্র দলের সহ-সভাপতি জুয়েল রানাও একাধীক মামলার আসামী, (সে-পলাতক)। তারা তিন জন সাবেক আদমজী জুট মিলের শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি আবু সাইদের ছেলে।
সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রে জানা যায়- ক্ষমতাসীন দলের অঙ্গ সংগঠন যুবলীগের ব্যানারকে সাইনবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করে এবং গুটি কয়েক পেতীদের সঙ্গে সখ্যতা করে সু-চতুর টাইগার ফারুক ওরফে চিকনা ফারুক মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রনের জন্য একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট গড়ে তুলে। এই সিন্ডিকেট সিদ্ধিরগঞ্জসহ এর আশপাশের এলাকায় পাইকারী ও খুচরা মাদক ব্যবসা, ছিনতাই ও কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বিপুল পরিমান অর্থ সম্পদের মালিক বনে গেছেন। দীর্ঘদিন ধরে এমন কার্যক্রম চলে আসলেও বাইরে থেকে বুঝার উপায় ছিল না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওই কার্যালয়ের ৮ সদস্য বিপুল পরিমান মাদক দ্রব্যসহ র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর মাদক ব্যবসার বিষয়টি ফাঁস হয়ে যায়। “কথায় বলে বাইরে ফিটফাট ভেতরে সদর ঘাট”। দশ দিন চোরের এক দিন হাউদের।