নারায়ণগঞ্জ ১২:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নাসিকের ময়লার গাড়ির ধাক্কায় গর্ভবতীর পোশাক শ্রমিক নিহত সোনারগাঁয়ের ১টি হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১ নারায়ণগঞ্জে ৩টি উপজেলায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন যারা গুণী জনদের পদচারণায়  উদযাপিত  দৈনিক আজকের নীর বাংলা পত্রিকা’র ১৫ তম  বর্ষপূর্তি সিদ্ধিরগঞ্জে রাজউকের অভিযানে ক্ষুব্ধ ভবন মালিকরা রেকমত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের মজিবুর রহমান সভাপতির দায়িত্ব নিয়েই শিক্ষার মান উন্নয়নের তাগিদ অস্ত্রের লাইসেন্সের আবেদন না করেও অপপ্রচারের শিকার মহিউদ্দিন মোল্লা ! সাংবাদিক শাওনের বাবা ফিরোজ আহমেদ আর নেই রিয়াদে জমকালো আয়োজনে মাই টিভির ১৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন রিয়াদে প্রিমিয়াম ফুটবল লীগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

সিদ্ধিরগঞ্জে ভূল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু হাসপাতাল ভাঙচুর

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জুলাই ২০২১
  • ১১২ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতাল ঘেরাউ, ভঙচুর করে অভিযুক্ত চিকিৎসকসহ তিনজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে নিহতের স্বজনরা। গত শুক্রবার রাত আটটায় আদমজী নতুন বাজার এলাকায় আলিফ জেনারেল হাসপাতালে এঘটনা ঘটে। এর আগেও এ হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের হস্তক্ষেপে এসব ঘটনা ধামা চাপা দেয় কর্তৃপক্ষ।

নিহতের নাম ছায়েদ আলি (৪৯)। তিনি সুমিলপাড়া এলাকার মো: সাইজুদ্দিনের ছেলে। আটক চিকিৎসকের নাম মশিউর রহমান।

নিহতের ছেলে জাহিদ জানায়, সন্ধ্যা সাতটার দিকে হঠাৎ তার বাবার বুকে ব্যাথা শুরু হলে আলিফ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত ডাক্তার মশিউর রহমান তাৎক্ষনিক বাবাকে বেডে নিয়ে সেলাইন পুশ করে। কিছুক্ষন পর সেলাইনের সরঙ্গ তিনটি ইনজেকশন দেন। তখনই বাবার খিচুনি উঠে মারা যায়। মুত্যু গোপন রেখে ডাক্তার মশিউর রহমান বাবাকে অন্য হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করার পরামর্শ দিয়ে ডাক্তার মশিউর হাসপাতালের একটি কক্ষে লোকিয়ে থাকেন।

জানা গেছে, ছায়েদ আলির মৃত্যুর খবর পেয়ে তার আত্মীয় স্বজনরা হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসক ও নার্সদের ওপর চড়াও হন। পরে হাসপাতালের বেশ কয়েকটি কক্ষের দরজার ও তালা ভেঙে অভিযুক্ত ডাক্তারকে আটক করেন।

এখবর পেয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি (অপারেশন) আবু বক্কর সিদ্দিকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। অভিযুক্ত ডাক্তারসহ তিন জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যান।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মশিউর রহমান জানান,অভিযুক্ত ডাক্তারসহ তিন জনকে আটক করা হলেও ভোক্তভূগী পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে রাজি না হওযায় শনিবার দুপুরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কিকারণে অভিযোগ করা হয়নি জানতে চাইলে তিনি বলেন, তা আমার জানা নেই। তবে ধারণা করা হচ্ছে দুই পক্ষের মধ্যে মিমাংসা হয়েছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

নাসিকের ময়লার গাড়ির ধাক্কায় গর্ভবতীর পোশাক শ্রমিক নিহত

সিদ্ধিরগঞ্জে ভূল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু হাসপাতাল ভাঙচুর

আপডেট সময় : ১১:৩৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জুলাই ২০২১

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতাল ঘেরাউ, ভঙচুর করে অভিযুক্ত চিকিৎসকসহ তিনজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে নিহতের স্বজনরা। গত শুক্রবার রাত আটটায় আদমজী নতুন বাজার এলাকায় আলিফ জেনারেল হাসপাতালে এঘটনা ঘটে। এর আগেও এ হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের হস্তক্ষেপে এসব ঘটনা ধামা চাপা দেয় কর্তৃপক্ষ।

নিহতের নাম ছায়েদ আলি (৪৯)। তিনি সুমিলপাড়া এলাকার মো: সাইজুদ্দিনের ছেলে। আটক চিকিৎসকের নাম মশিউর রহমান।

নিহতের ছেলে জাহিদ জানায়, সন্ধ্যা সাতটার দিকে হঠাৎ তার বাবার বুকে ব্যাথা শুরু হলে আলিফ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত ডাক্তার মশিউর রহমান তাৎক্ষনিক বাবাকে বেডে নিয়ে সেলাইন পুশ করে। কিছুক্ষন পর সেলাইনের সরঙ্গ তিনটি ইনজেকশন দেন। তখনই বাবার খিচুনি উঠে মারা যায়। মুত্যু গোপন রেখে ডাক্তার মশিউর রহমান বাবাকে অন্য হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করার পরামর্শ দিয়ে ডাক্তার মশিউর হাসপাতালের একটি কক্ষে লোকিয়ে থাকেন।

জানা গেছে, ছায়েদ আলির মৃত্যুর খবর পেয়ে তার আত্মীয় স্বজনরা হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসক ও নার্সদের ওপর চড়াও হন। পরে হাসপাতালের বেশ কয়েকটি কক্ষের দরজার ও তালা ভেঙে অভিযুক্ত ডাক্তারকে আটক করেন।

এখবর পেয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি (অপারেশন) আবু বক্কর সিদ্দিকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। অভিযুক্ত ডাক্তারসহ তিন জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যান।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মশিউর রহমান জানান,অভিযুক্ত ডাক্তারসহ তিন জনকে আটক করা হলেও ভোক্তভূগী পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে রাজি না হওযায় শনিবার দুপুরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কিকারণে অভিযোগ করা হয়নি জানতে চাইলে তিনি বলেন, তা আমার জানা নেই। তবে ধারণা করা হচ্ছে দুই পক্ষের মধ্যে মিমাংসা হয়েছে।