নারায়ণগঞ্জ ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ২২ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাইক্রোসফট ইনোভেটিভ এডুকেটর এক্সপার্ট বাংলাদেশ কমিউনিটি মিটআপ ২০২৩ অনুষ্ঠিত আদমজী ইপিজেডকে অশান্ত করছে জনপ্রতিনিধিরা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা সিদ্ধিরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের কর্মকর্তাদের সাথে মহিলা লীগ নেত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় না’গঞ্জ কারাগারে হাজতীর মৃত্যু ফতুল্লায় চোরাইকৃত ট্যাংকলড়ী উদ্ধার আড়াইহাজারের মিথিলা টেক্সটাইল ঘুরে গেলেন ৮ দেশের রাষ্ট্রদূতসহ ১৮ দেশের প্রতিনিধি সিদ্ধিরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের কর্মকর্তাদের সাথে কাউন্সিলর ইকবাল হোসেনের মতবিনিময় ফতুল্লা ব্লাড ডোনার্সের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ শিক্ষা সিলেবাস বাতিলের দাবিতে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ মিছিল সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শহরে নারী সমাবেশ ও মিছিল

বিভিন্ন গাড়িতে উঠছে দুরপাল্লার যাত্রী হাইওয়ে পুলিশের নিরব ভূমিকা

সরকারী কঠোর লকডাউনের নির্দেশনা অমান্য করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রাইভেটকারসহ বিভিন্ন গাড়ীতে দুরপাল্লার যাত্রী বহন করছে চালকরা। হাইওয়ে পুলিশ দেখেও না দেখার ভান করছে। এক্ষেত্রে চালকরা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে বলে অভিযোগ যাত্রীদের। তবুও প্রয়োজনের তাগিদে যাতায়াত করছে যাত্রীরা। এসব ক্ষেত্রে হাইওয়ে পুলিশের কোন ভূমিকা নেই। অভিযোগ রয়েছে, কথিত কিছু কাউন্টার শ্রমিক ও স্থানীয় চাঁদাবাজদের সাথে হাইওয়ে পুলিশের যোগসাজশেই যাত্রী বহন করছে প্রাইভেটকার চালকরা।

লকডাউনের সরকারী নির্দেশনার প্রথম দিন বৃহস্পতিবার এবং বুধবার সরেজমিনে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড় এবং সাইনবোর্ড এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, অসংখ্য মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার অ্যাম্বুলেন্সে, নাফ পরিবহন, পিকাপ ভ্যানসহ বিভিন্ন পরিবহনে দুরপাল্লার যাত্রী বহন করছে বিভিন্ন পরিবহনের কাউন্টারের শ্রমিক ও স্থানীয় চাঁদাবাজরা। তবে যাত্রীদের কাছ থেকে নেয়া হচ্ছে কয়েকগুন বেশি ভাড়া। কাউন্টারের পাশেই অবস্থিত শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ বক্স। সেখানে দায়িত্বরত কোন ট্রাফিক পুলিশের নজরদারি নেই এসকল গাড়িতে যাত্রী বহনে।

বিশ^স্ত সূত্রে জানা যায়, যাত্রী বহনের ক্ষেত্রে হাইওয়ে ট্রাফিক পুলিশকে গাড়ি প্রতি অর্থ প্রদান করে কাউন্টারের শ্রমিক ও চাঁদাবাজরা। এ কারণেই নির্দ্বীধায় দুরপাল্লার যাত্রীদের বহন করতে পারছে বিভিন্ন প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, অ্যাম্বুলেন্স, নাফ পরিবহন ও পিকাপ ভ্যান। এক্ষেত্রে হাইওয়ে পুলিশ দেখেও না দেখার ভান করছে। শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ বক্সের ট্রফিক ইন্সপেক্টর ফারুক হোসেন বলেন, আমি সাইন বোর্ড এলাকায় ডিউটি করিতেছি, আমি এখনি বলেদিচ্ছি যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ওসি মনিরুজ্জামানের মোবাইলে একাদিক বার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাইক্রোসফট ইনোভেটিভ এডুকেটর এক্সপার্ট বাংলাদেশ কমিউনিটি মিটআপ ২০২৩ অনুষ্ঠিত

বিভিন্ন গাড়িতে উঠছে দুরপাল্লার যাত্রী হাইওয়ে পুলিশের নিরব ভূমিকা

আপডেট সময় : ০২:১১:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুন ২০২১

সরকারী কঠোর লকডাউনের নির্দেশনা অমান্য করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রাইভেটকারসহ বিভিন্ন গাড়ীতে দুরপাল্লার যাত্রী বহন করছে চালকরা। হাইওয়ে পুলিশ দেখেও না দেখার ভান করছে। এক্ষেত্রে চালকরা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে বলে অভিযোগ যাত্রীদের। তবুও প্রয়োজনের তাগিদে যাতায়াত করছে যাত্রীরা। এসব ক্ষেত্রে হাইওয়ে পুলিশের কোন ভূমিকা নেই। অভিযোগ রয়েছে, কথিত কিছু কাউন্টার শ্রমিক ও স্থানীয় চাঁদাবাজদের সাথে হাইওয়ে পুলিশের যোগসাজশেই যাত্রী বহন করছে প্রাইভেটকার চালকরা।

লকডাউনের সরকারী নির্দেশনার প্রথম দিন বৃহস্পতিবার এবং বুধবার সরেজমিনে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড় এবং সাইনবোর্ড এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, অসংখ্য মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার অ্যাম্বুলেন্সে, নাফ পরিবহন, পিকাপ ভ্যানসহ বিভিন্ন পরিবহনে দুরপাল্লার যাত্রী বহন করছে বিভিন্ন পরিবহনের কাউন্টারের শ্রমিক ও স্থানীয় চাঁদাবাজরা। তবে যাত্রীদের কাছ থেকে নেয়া হচ্ছে কয়েকগুন বেশি ভাড়া। কাউন্টারের পাশেই অবস্থিত শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ বক্স। সেখানে দায়িত্বরত কোন ট্রাফিক পুলিশের নজরদারি নেই এসকল গাড়িতে যাত্রী বহনে।

বিশ^স্ত সূত্রে জানা যায়, যাত্রী বহনের ক্ষেত্রে হাইওয়ে ট্রাফিক পুলিশকে গাড়ি প্রতি অর্থ প্রদান করে কাউন্টারের শ্রমিক ও চাঁদাবাজরা। এ কারণেই নির্দ্বীধায় দুরপাল্লার যাত্রীদের বহন করতে পারছে বিভিন্ন প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, অ্যাম্বুলেন্স, নাফ পরিবহন ও পিকাপ ভ্যান। এক্ষেত্রে হাইওয়ে পুলিশ দেখেও না দেখার ভান করছে। শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ বক্সের ট্রফিক ইন্সপেক্টর ফারুক হোসেন বলেন, আমি সাইন বোর্ড এলাকায় ডিউটি করিতেছি, আমি এখনি বলেদিচ্ছি যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ওসি মনিরুজ্জামানের মোবাইলে একাদিক বার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।