নারায়ণগঞ্জ ১২:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফতুল্লায় নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার কল্যাণ তহবিলের চেক বিতরণে -রাষ্ট্র ও প্রশাসন আপনাদের পাশে আছে : ডিসি রায়হান, কবির নারায়ণগঞ্জে রেল সেতুর পিলারের নিচের মাটি কাটা প্রকল্পেরই অংশ: রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম নারায়ণগঞ্জে এইচএসি কেন্দ্র পরিদর্শন: ‘সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্নের প্রত্যাশা’ ডিসির ফতুল্লায় ঝুটের গোডাউনে ভয়াবহ আগুন, দুই ঘন্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে নারায়ণগঞ্জে গণশুনানিতে সেবা প্রত্যাশীদের অভিযোগ শুনে তাৎক্ষণিক নিষ্পত্তির উদ্যোগ ডিসির সিদ্ধিরগঞ্জে এক ব্যক্তিকে পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ গ্রেপ্তার বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের মাঝে শিক্ষা-থেরাপি সামগ্রী বিতরণ করেন ইউএনও এস এম ফয়েজ উদ্দিন দক্ষতাই স্বাবলম্বী ও আত্মনির্ভরশীল হওয়ার মূল হাতিয়ার’: ডিসি রায়হান কবির ফতুল্লায় ঘুমন্ত স্বামীকে জবাই করে হত্যার অভিযোগ স্ত্রীর বিরুদ্ধে

ছেলেকে খুন করে পালিয়েছে মা

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৮:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ মে ২০২১
  • ২২৮ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জে ছেলেকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে মা। পাইনাদী নতুন মহল্লা এলাকায় তিন নম্বর সড়কে ২৮৫ নম্বর বাড়িতে গত রোববার রাতে এঘটনা ঘটে। ছুরিকাঘাতের পর ঘরে তালা দিয়ে পালিয়ে যায় মা নাসরিন আক্তার। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল-ক) ইমরান সিদ্দিকী।

নিহতের নাম নাজমুছ সাকিব নাবিল (২০)। তিনি ডেমরা থানার সাইনবোর্ড এলাকার দারুন নাজাত কামিল মাদ্রাসার ছাত্র। তার পিতার নাম সগির আহমেদ। তিনি ইসলামী ব্যাংক নারায়ণগঞ্জ শাখার কর্মকর্তা।
নিহতের পিতা সগির আহমেদ বলেন, প্রতিদিনের ন্যায় আমি রোববার সকালে কর্মস্থলে চলে যাই। রাতে বাড়ি ফিরে দেখি বাসার দরজা বাইরে থেকে বন্ধ। পরে দরজা খুলে ঘরে প্রবেশ করে ছেলেকে রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে কাতরাতে দেখি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে স্থানীয় প্রো-এ্যাকটিভ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। পরে সেখানে রাত সোয়া দুইটায় চিকিৎসাধিন অবস্থায় নাবিল মারা যায়। তবে কি কারণে ছেলেকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে তা বলতে পারবনা। তবে স্ত্রীর কিছুটা মানসিক সমস্যা রয়েছে। মাঝে মাঝে অস্বাভাবিক আচরণ করে।

তিনি জানান, চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি ছেলেকে বিয়ে দেন। ঈদের তিনদিন পুত্রবধূ ইমা (১৮) বাপের বাড়ি বেড়াতে যায়। ঘরে আর কেহ ছিলনা। কারো সঙ্গে আমার কোন শত্রুতা নেই। মানসিক ভারসাম্যহীন স্ত্রীই ছেলেকে ছুরিকাঘাত করেছে বলে সগিরের ধারনা।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মশিউর রহমান জানায়, প্রথমিকভাবে জানা গেছে হত্যাকান্ডটি মা ঘটিয়েছেন। তবু আরো তদন্ত করছি। কি কারণে তিনি এমন নৃশংস ঘটনা ঘটালেন। তাকে আটকের চেষ্টা চলছে। লাশ ময়না তদন্তের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ফতুল্লায় নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

ছেলেকে খুন করে পালিয়েছে মা

আপডেট সময় : ০৯:১৮:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ মে ২০২১

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জে ছেলেকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে মা। পাইনাদী নতুন মহল্লা এলাকায় তিন নম্বর সড়কে ২৮৫ নম্বর বাড়িতে গত রোববার রাতে এঘটনা ঘটে। ছুরিকাঘাতের পর ঘরে তালা দিয়ে পালিয়ে যায় মা নাসরিন আক্তার। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল-ক) ইমরান সিদ্দিকী।

নিহতের নাম নাজমুছ সাকিব নাবিল (২০)। তিনি ডেমরা থানার সাইনবোর্ড এলাকার দারুন নাজাত কামিল মাদ্রাসার ছাত্র। তার পিতার নাম সগির আহমেদ। তিনি ইসলামী ব্যাংক নারায়ণগঞ্জ শাখার কর্মকর্তা।
নিহতের পিতা সগির আহমেদ বলেন, প্রতিদিনের ন্যায় আমি রোববার সকালে কর্মস্থলে চলে যাই। রাতে বাড়ি ফিরে দেখি বাসার দরজা বাইরে থেকে বন্ধ। পরে দরজা খুলে ঘরে প্রবেশ করে ছেলেকে রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে কাতরাতে দেখি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে স্থানীয় প্রো-এ্যাকটিভ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। পরে সেখানে রাত সোয়া দুইটায় চিকিৎসাধিন অবস্থায় নাবিল মারা যায়। তবে কি কারণে ছেলেকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে তা বলতে পারবনা। তবে স্ত্রীর কিছুটা মানসিক সমস্যা রয়েছে। মাঝে মাঝে অস্বাভাবিক আচরণ করে।

তিনি জানান, চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি ছেলেকে বিয়ে দেন। ঈদের তিনদিন পুত্রবধূ ইমা (১৮) বাপের বাড়ি বেড়াতে যায়। ঘরে আর কেহ ছিলনা। কারো সঙ্গে আমার কোন শত্রুতা নেই। মানসিক ভারসাম্যহীন স্ত্রীই ছেলেকে ছুরিকাঘাত করেছে বলে সগিরের ধারনা।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মশিউর রহমান জানায়, প্রথমিকভাবে জানা গেছে হত্যাকান্ডটি মা ঘটিয়েছেন। তবু আরো তদন্ত করছি। কি কারণে তিনি এমন নৃশংস ঘটনা ঘটালেন। তাকে আটকের চেষ্টা চলছে। লাশ ময়না তদন্তের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।