নারায়ণগঞ্জ ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রচণ্ড রৌদ্রের প্রখরতায় পথচারী, শ্রমজীবী ও ট্রাফিকদের জন্য ডিসি ও এসপির মানবিক উদ্যোগ সর্ব মহলে প্রশংসিত শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ১৩৬ তম তিরোধান উৎসব উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত ব্রিফিং ইসলামী ব্যাংক ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর মানববন্ধন কাশিপুর কল্যাণী খালের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ সহ খাল পুনঃখনন শুরু, তৎপর সদর উপজেলা প্রশাসন অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও বিক্রি: ফতুল্লার সুন্দরবন রেস্তোরাঁর মালিক গ্রেপ্তার ডেঙ্গু ও জলাবদ্ধতা রোধে নারায়ণগঞ্জে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ডিসি মো:রায়হান কবির সিদ্ধিরগঞ্জে ২ কোটি টাকা চাঁদার দাবিতে নির্মাণ সামগ্রী লুটের অভিযোগ যুবদল নেতার ২০ হাজার ছিন্নমূল মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ ঈদুল আজহায় নারায়ণগঞ্জবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী আহত সাংবাদিককে দেখতে আর্থিক সহায়তা নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের

তেলের বাজারে চলছে ব্যবসায়ীদের রামরাজত্ব : বাংলাদেশ ন্যাপ

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৩:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মে ২০২১
  • ২৪৬ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি : আগের দফায় সোয়াবিন তেলের মূল্যবৃদ্ধির এক মাস পার না হতেই ব্য্বাসায়ীরা তেলের মূল্য ১৩ টাকা বৃদ্ধির যে প্রস্তাব দিয়েছে তাকে জনস্বার্থ বিরোধী হিসাবে আখ্যায়িত করে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ মন্তব্য করেছে যে, অবস্থা দেখে মনে হয় দেশের ভোজ্যতেলের বাজারে চলছে ব্যবসায়ীদের রামরাজত্ব।

বৃহস্পতিবার (২৭ মে) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে পার্টির চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, দেশে দফায় দফায় বাড়ছে ভোজ্যতেলের দাম। বর্তমানে যে দাম আছে, সেটাই সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। অথচ ব্যবসায়ীরা দাম আরও বাড়ানোর জন্য সক্রিয় হয়ে উঠেছেন এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ধরনা দিচ্ছেন কাদের স্বার্থে ? দেশের ইতিহাসে সয়াবিন তেল এখন সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের প্রস্তাব অনুযায়ী শেষ পর্যন্ত যত টাকাই বৃদ্ধি হোক, নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তের জন্য তা চাপ তৈরি করবে।

নেতৃদ্বয় বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মুল্যবৃদ্ধির পূর্বেই বাংলাদেশে তেলের মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে। অসৎ ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির দোহাই দিয়ে সাধারণ মানুষের পকেট কেটে টাকা নিয়ে গেছে। অথচ, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনো দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ জনগনের চোখে পড়ে নাই। সরকারের দুর্বল মনিটরিং-এর কারনে আন্তর্জাতিক বাজারে মুল্যবৃদ্ধির ইঙ্গিত পেলেই উৎপাদন ও সরবরাহকারীরা পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি করে জনগনের পকেট কাটায় ব্যাস্ত হয়ে পড়ে।

তারা ভোজ্যতেলের বাজার সহনীয় পর্যায়ে রাখতে আমদানিকারকদের দুই পর্যায়ে ভ্যাট অব্যাহতি, অগ্রিম কর প্রত্যাহার এবং সরবরাহ ও খুচরা পর্যায়ে কমিশন যৌক্তিক করার লক্ষে সরকারের বাণিজ্যমন্ত্রনালয়কে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহনের আহ্বান জানান। ভোজ্যতেলের দাম যেহেতু বিশ্ববাজারে সর্বোচ্চ, তাই সরকারের কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহন করা প্রয়োজন। ব্যবসায়ীরা যাতে সুযোগ নিয়ে ইচ্ছামতো মূল্যবৃদ্ধির করতে না পারে সেদিকেও কঠোর নজরদারী করতে হবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রচণ্ড রৌদ্রের প্রখরতায় পথচারী, শ্রমজীবী ও ট্রাফিকদের জন্য ডিসি ও এসপির মানবিক উদ্যোগ সর্ব মহলে প্রশংসিত

তেলের বাজারে চলছে ব্যবসায়ীদের রামরাজত্ব : বাংলাদেশ ন্যাপ

আপডেট সময় : ০৩:৩৩:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মে ২০২১

বিশেষ প্রতিনিধি : আগের দফায় সোয়াবিন তেলের মূল্যবৃদ্ধির এক মাস পার না হতেই ব্য্বাসায়ীরা তেলের মূল্য ১৩ টাকা বৃদ্ধির যে প্রস্তাব দিয়েছে তাকে জনস্বার্থ বিরোধী হিসাবে আখ্যায়িত করে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ মন্তব্য করেছে যে, অবস্থা দেখে মনে হয় দেশের ভোজ্যতেলের বাজারে চলছে ব্যবসায়ীদের রামরাজত্ব।

বৃহস্পতিবার (২৭ মে) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে পার্টির চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, দেশে দফায় দফায় বাড়ছে ভোজ্যতেলের দাম। বর্তমানে যে দাম আছে, সেটাই সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। অথচ ব্যবসায়ীরা দাম আরও বাড়ানোর জন্য সক্রিয় হয়ে উঠেছেন এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ধরনা দিচ্ছেন কাদের স্বার্থে ? দেশের ইতিহাসে সয়াবিন তেল এখন সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের প্রস্তাব অনুযায়ী শেষ পর্যন্ত যত টাকাই বৃদ্ধি হোক, নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তের জন্য তা চাপ তৈরি করবে।

নেতৃদ্বয় বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মুল্যবৃদ্ধির পূর্বেই বাংলাদেশে তেলের মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে। অসৎ ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির দোহাই দিয়ে সাধারণ মানুষের পকেট কেটে টাকা নিয়ে গেছে। অথচ, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনো দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ জনগনের চোখে পড়ে নাই। সরকারের দুর্বল মনিটরিং-এর কারনে আন্তর্জাতিক বাজারে মুল্যবৃদ্ধির ইঙ্গিত পেলেই উৎপাদন ও সরবরাহকারীরা পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি করে জনগনের পকেট কাটায় ব্যাস্ত হয়ে পড়ে।

তারা ভোজ্যতেলের বাজার সহনীয় পর্যায়ে রাখতে আমদানিকারকদের দুই পর্যায়ে ভ্যাট অব্যাহতি, অগ্রিম কর প্রত্যাহার এবং সরবরাহ ও খুচরা পর্যায়ে কমিশন যৌক্তিক করার লক্ষে সরকারের বাণিজ্যমন্ত্রনালয়কে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহনের আহ্বান জানান। ভোজ্যতেলের দাম যেহেতু বিশ্ববাজারে সর্বোচ্চ, তাই সরকারের কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহন করা প্রয়োজন। ব্যবসায়ীরা যাতে সুযোগ নিয়ে ইচ্ছামতো মূল্যবৃদ্ধির করতে না পারে সেদিকেও কঠোর নজরদারী করতে হবে।