নারায়ণগঞ্জ ১১:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৩, ১৪ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিদ্ধিরগঞ্জে মসজিদের বিরোধ নিস্পত্তি করায় হাজী ইয়াসিন মিয়ার বিরুদ্ধে অপবাদ সিদ্ধিরগঞ্জে ব্যবসায়ীর উপর হামলার ঘটনায় সন্ত্রাসী পানি আক্তারের বিরুদ্ধে মামলা সিদ্ধিরগঞ্জে অটোরিকশার ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নাঈম নিহত সিদ্ধিরগঞ্জে জমি দখল করতে সজু বাহিনীর হামলা আদমজী ইপিজেডের ব্যবসা ছিনিয়ে নিতে আক্তার বাহিনীর হামলায় আহত-২ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন সম্পাদক হওয়ায় সিদ্ধিরগঞ্জে দেলোয়ারকে সংবর্ধনা ডিসিদের প্রতি ২৫ নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রী আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি পবিত্র শবে মেরাজ সিদ্ধিরগঞ্জে ডিবি পরিচয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেফতার ৬ সিদ্ধিরগঞ্জে অভিযানে  ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ভোক্তা অধিকার

জাতীয় কবির স্বীকৃতির প্রজ্ঞাপন জারি করুন : সরকারকে ন্যাপ মহাসচিব

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:২৬:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মে ২০২১
  • ৪৩ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি : জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জাতীয় কবির স্বীকৃতি সরকারি প্রজ্ঞাপন আজও না হওয়ায় দু:খ ও হতাশা প্রকাশ করে বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, সরকারের উচিত অবিলম্বে কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবির স্বীকৃতির প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা।

মঙ্গলবার (২৫ মে) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২২তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গনে কবির মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পন, ফাতেহা পাঠ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, জাতীয় কবির কথা বললে সবাই কাজী নজরুল ইসলামের নাম উচ্চারণ করে। কিন্তু সরকারের কোনো আনুষ্ঠানিক দলিলপত্রে জাতীয় কবি হিসেবে তাঁর নাম নেই। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, জাতীয় আর্কাইভ, নজরুল ইনস্টিটিউট ও বাংলা একাডেমির কোথাও কাজী নজরুলকে জাতীয় কবি ঘোষণা করা সংক্রান্ত সরকারি কোনো প্রজ্ঞাপন বা অন্য কোনো দলিল পাওয়া যায়নি। লোকমুখে প্রচারিত তথ্যের ভিত্তিতে তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি, কাগজে-কলমে প্রাতিষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমে নন।

তিনি বলেন, এভাবে চলতে থাকলে কয়েক যুগ পর নব প্রজন্ম জাতীয় কবিকে বিস্মৃত হতে পারে। সে কারণেই সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জাতীয় কবির স্বীকৃতি হওয়া উচিৎ। নজরুলকে জাতীয় কবির মর্যাদা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সংসদে আইন পাস করে এই স্বীকৃতি দেওয়া উচিত।

ন্যাপ মহাসচিব বলেন, মত্যুর এতসময় পরেও কাজী নজরুল ইসলামের জাতীয় কবির স্বীকৃতি সরকারি প্রজ্ঞাপন প্রকাশ না করার ব্যর্থতা দেশের সকল শাসকগোষ্টির। যারা দেশ পরিচালনা করেছেন তারা কেউ এই দায়িত্ব এড়াতে পারেন না।

তিনি বলেন, সব বাধা অতিক্রম করে একসময় কাজী নজরুল বাংলা সাহিত্যের অন্যতম পুরোধা হয়ে ওঠেন। সাম্য ও মানবতার চেতনায় সমৃদ্ধ ছিল তার লেখনী। কবিতায় বিদ্রোহী সুরের জন্য হয়ে ওঠেন ‘বিদ্রোহী কবি’। নজরুলের যে জীবন দর্শন ছিল, তার সৃষ্টি পাঠ করলে আমাদের যা চোখে পড়ে তা হল দেশকে ভালোবাসা, দেশের মানুষকে ভালোবাসা। কবি নজরুল শিখিয়ে গেছেন চির উন্নত শির হতে, মানুষকে ভালোবাসতে। অন্যায়, অবিচার কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তিনি তার কলমকে মজবুত রেখেছিলেন। চির অকুতোভয় কবি ভয়ঙ্কর সে যুগে এককভাবে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করেছিলেন। তার গান, কবিতা সবসময়ে সমাজ বদলানের হাতিয়ার। তিনি সকল বাঙালির, সকল মানুষের কবি।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন এনডিপি মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, বাংলাদেশ ন্যাপ ভাইস চেয়ারম্যান স্বপন কুমার সাহা, যুগ্ম মহাসচিব এহসানুল হক জসীম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল ভুইয়া, কেন্দ্রীয় নেতা কৃষক মো. মহসীন ভুইয়া প্রমুখ।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

সিদ্ধিরগঞ্জে মসজিদের বিরোধ নিস্পত্তি করায় হাজী ইয়াসিন মিয়ার বিরুদ্ধে অপবাদ

জাতীয় কবির স্বীকৃতির প্রজ্ঞাপন জারি করুন : সরকারকে ন্যাপ মহাসচিব

আপডেট সময় : ১২:২৬:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ মে ২০২১

বিশেষ প্রতিনিধি : জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জাতীয় কবির স্বীকৃতি সরকারি প্রজ্ঞাপন আজও না হওয়ায় দু:খ ও হতাশা প্রকাশ করে বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, সরকারের উচিত অবিলম্বে কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবির স্বীকৃতির প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা।

মঙ্গলবার (২৫ মে) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২২তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গনে কবির মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পন, ফাতেহা পাঠ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, জাতীয় কবির কথা বললে সবাই কাজী নজরুল ইসলামের নাম উচ্চারণ করে। কিন্তু সরকারের কোনো আনুষ্ঠানিক দলিলপত্রে জাতীয় কবি হিসেবে তাঁর নাম নেই। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, জাতীয় আর্কাইভ, নজরুল ইনস্টিটিউট ও বাংলা একাডেমির কোথাও কাজী নজরুলকে জাতীয় কবি ঘোষণা করা সংক্রান্ত সরকারি কোনো প্রজ্ঞাপন বা অন্য কোনো দলিল পাওয়া যায়নি। লোকমুখে প্রচারিত তথ্যের ভিত্তিতে তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি, কাগজে-কলমে প্রাতিষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমে নন।

তিনি বলেন, এভাবে চলতে থাকলে কয়েক যুগ পর নব প্রজন্ম জাতীয় কবিকে বিস্মৃত হতে পারে। সে কারণেই সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জাতীয় কবির স্বীকৃতি হওয়া উচিৎ। নজরুলকে জাতীয় কবির মর্যাদা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সংসদে আইন পাস করে এই স্বীকৃতি দেওয়া উচিত।

ন্যাপ মহাসচিব বলেন, মত্যুর এতসময় পরেও কাজী নজরুল ইসলামের জাতীয় কবির স্বীকৃতি সরকারি প্রজ্ঞাপন প্রকাশ না করার ব্যর্থতা দেশের সকল শাসকগোষ্টির। যারা দেশ পরিচালনা করেছেন তারা কেউ এই দায়িত্ব এড়াতে পারেন না।

তিনি বলেন, সব বাধা অতিক্রম করে একসময় কাজী নজরুল বাংলা সাহিত্যের অন্যতম পুরোধা হয়ে ওঠেন। সাম্য ও মানবতার চেতনায় সমৃদ্ধ ছিল তার লেখনী। কবিতায় বিদ্রোহী সুরের জন্য হয়ে ওঠেন ‘বিদ্রোহী কবি’। নজরুলের যে জীবন দর্শন ছিল, তার সৃষ্টি পাঠ করলে আমাদের যা চোখে পড়ে তা হল দেশকে ভালোবাসা, দেশের মানুষকে ভালোবাসা। কবি নজরুল শিখিয়ে গেছেন চির উন্নত শির হতে, মানুষকে ভালোবাসতে। অন্যায়, অবিচার কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তিনি তার কলমকে মজবুত রেখেছিলেন। চির অকুতোভয় কবি ভয়ঙ্কর সে যুগে এককভাবে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করেছিলেন। তার গান, কবিতা সবসময়ে সমাজ বদলানের হাতিয়ার। তিনি সকল বাঙালির, সকল মানুষের কবি।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন এনডিপি মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, বাংলাদেশ ন্যাপ ভাইস চেয়ারম্যান স্বপন কুমার সাহা, যুগ্ম মহাসচিব এহসানুল হক জসীম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল ভুইয়া, কেন্দ্রীয় নেতা কৃষক মো. মহসীন ভুইয়া প্রমুখ।