নারায়ণগঞ্জ ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রূপগঞ্জে ব্যবসায়ীর বাড়িতে ডাকাতিকালে যুবক আটক, আহত দুই প্রেস ক্লাবের সাথে মতবিনিময়ে মাদক, যানজট ও কিশোর গ্যাং নির্মূলে সহযোগিতা চাইলেন পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে অভিভাবকদের দায়িত্বশীল ভূমিকার তাগিদ দিলেন জেলা প্রশাসক সোনারগাঁয়ে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, মাদক-ধর্ষণ-ছিনতাই সহ বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার ১৯ সোনারগায়ে কথিত ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় গরুর মৃত্যু, চিকিৎসকের কারাদণ্ড রূপগঞ্জে সংঘবদ্ধ ডাকাতদলের গুলিতে ব্যবসায়ী আহত সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৪ জন গ্রেফতার, ১২৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় মাদক, কিশোর গ্যাং ও যানজট নিরসনে অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে কঠোর নির্দেশ সরকারি সেবা সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা দিতে নারায়ণগঞ্জ সদরে ব্যতিক্রমী কর্মসূচি ‘A Day in A Office’অনুষ্ঠিত আড়াই হাজার মসজিদের ভিতর থেকে উদ্ধার হল পুলিশের লুট হাওয়া পিস্তল

গ্রামমুখি মানুষের দুর্ভোগের জন্য দায়ি অপরিকল্পিত লকডাউন : কৃষক-শ্রমিক মুক্তি আন্দোলন

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৬:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ মে ২০২১
  • ২৬৩ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি : জেলার অভ্যন্তরে গণপরিবহন চালুর সুযোগে গ্রামমুখি মানুষের ঢল নেমেছে। মহাসড়ক, ফেরিঘাটে করোনাকালের আগের ঈদগুলোর মতো উপচেপড়া ভিড় ও গ্রামমুখি মানুষের দুর্ভোগের জন্য দায়ি সরকারের ভ্রান্ত নীতি ও অপিরিকল্পিত লকডাউন বলে মন্তব্য করেছে জাতীয় কৃষক-শ্রমিক মুক্তি আন্দোলন।

রবিবার (৯ মে) গনমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে সংগঠনের আহ্বায়ক এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা ও সমন্বয়ক কৃষক মো. মহসীন ভুইয়া এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, অপরিকল্পিত লকডাউন না দিয়ে সরকারের উচিত ছিল পরিবহন একেবারেই বন্ধ রাখা, অন্যথায় পরিপূর্ণ চালু রাখা। এতে বরং পরিবহনগুলো নিয়মকানুন মেনে যাত্রী পরিবহনে অনেকটাই বাধ্য হতো। সব পরিবহন চালু থাকলে এত ভিড় ও গাদাগাদিও হতো না। গ্রামমুখি মানুষের এত দুর্ভোগ পোহাতে হত না। বন্ধ ও খোলার মাঝামাঝি অবস্থায় ভালো কিছু হবে না।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, দূরপাল্লা ও আন্তঃজেলার বাস, লঞ্চ, ট্রেন বন্ধ থাকায় যাত্রীরা ভেঙে ভেঙে প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, পিকআপ, ট্রাকে গাদাগাদি করে শহর ছেড়ে গ্রামে যাচ্ছেন। এতে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বেড়েছে। অর্ধেক আসন খালি রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দূরপাল্লার বাস চালু থাকলে যাত্রীরা সরাসরি গন্তব্যে পৌঁছাতে পারতেন। এতে সংক্রমণের ঝুঁকি কমত।

তারা বলেন, দূরপাল্লার গণপরিবহন বন্ধ রেখে প্রাইভেট গাড়ি চালুর রাখার নীতি সরকারের ভ্রান্তনীতি। যাদের গাড়ি আছে শুধু তাদের জন্য কেন সুযোগ থাকবে। এক জেলা থেকে অন্য জেলায় প্রাইভেট গাড়িতে যেতে পুলিশের মুভমেন্ট পাস নেওয়ার নিয়ম রয়েছে। তবে বাস্তবে এ নিয়ম অকার্যকর; বরং প্রাইভেট গাড়িগুলো ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন করছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, শহরের মানুষের ঈদে গ্রামে যাওয়ার আবেগ রয়েছে। জেলার অভ্যন্তরে বাস চালুর অনুমতি দেওয়ার মাধ্যমে মূলত তাদের গ্রামে যাওয়ার উস্কানি দেওয়া হয়েছে। জেলার মধ্যে গণপরিবহন চললে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া যাওয়া সম্ভব।

তারা বলেন, প্রকৃত অর্থে মানুষ সচেতন না হলে শুধু আইন করে, ভ্রাম্যমাণ আদালত দিয়ে জনস্রোত ঠেকানো যাবে না। বাস বন্ধ রেখে প্রাইভেটকার চালু রাখলে গ্রামমুখো মানুষের স্রোত ঠেকানো যাবে না। গত বছরের ঈদেও তা সম্ভব হয়নি।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে ব্যবসায়ীর বাড়িতে ডাকাতিকালে যুবক আটক, আহত দুই

গ্রামমুখি মানুষের দুর্ভোগের জন্য দায়ি অপরিকল্পিত লকডাউন : কৃষক-শ্রমিক মুক্তি আন্দোলন

আপডেট সময় : ১০:৫৬:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ মে ২০২১

বিশেষ প্রতিনিধি : জেলার অভ্যন্তরে গণপরিবহন চালুর সুযোগে গ্রামমুখি মানুষের ঢল নেমেছে। মহাসড়ক, ফেরিঘাটে করোনাকালের আগের ঈদগুলোর মতো উপচেপড়া ভিড় ও গ্রামমুখি মানুষের দুর্ভোগের জন্য দায়ি সরকারের ভ্রান্ত নীতি ও অপিরিকল্পিত লকডাউন বলে মন্তব্য করেছে জাতীয় কৃষক-শ্রমিক মুক্তি আন্দোলন।

রবিবার (৯ মে) গনমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে সংগঠনের আহ্বায়ক এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা ও সমন্বয়ক কৃষক মো. মহসীন ভুইয়া এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, অপরিকল্পিত লকডাউন না দিয়ে সরকারের উচিত ছিল পরিবহন একেবারেই বন্ধ রাখা, অন্যথায় পরিপূর্ণ চালু রাখা। এতে বরং পরিবহনগুলো নিয়মকানুন মেনে যাত্রী পরিবহনে অনেকটাই বাধ্য হতো। সব পরিবহন চালু থাকলে এত ভিড় ও গাদাগাদিও হতো না। গ্রামমুখি মানুষের এত দুর্ভোগ পোহাতে হত না। বন্ধ ও খোলার মাঝামাঝি অবস্থায় ভালো কিছু হবে না।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, দূরপাল্লা ও আন্তঃজেলার বাস, লঞ্চ, ট্রেন বন্ধ থাকায় যাত্রীরা ভেঙে ভেঙে প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, পিকআপ, ট্রাকে গাদাগাদি করে শহর ছেড়ে গ্রামে যাচ্ছেন। এতে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বেড়েছে। অর্ধেক আসন খালি রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দূরপাল্লার বাস চালু থাকলে যাত্রীরা সরাসরি গন্তব্যে পৌঁছাতে পারতেন। এতে সংক্রমণের ঝুঁকি কমত।

তারা বলেন, দূরপাল্লার গণপরিবহন বন্ধ রেখে প্রাইভেট গাড়ি চালুর রাখার নীতি সরকারের ভ্রান্তনীতি। যাদের গাড়ি আছে শুধু তাদের জন্য কেন সুযোগ থাকবে। এক জেলা থেকে অন্য জেলায় প্রাইভেট গাড়িতে যেতে পুলিশের মুভমেন্ট পাস নেওয়ার নিয়ম রয়েছে। তবে বাস্তবে এ নিয়ম অকার্যকর; বরং প্রাইভেট গাড়িগুলো ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন করছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, শহরের মানুষের ঈদে গ্রামে যাওয়ার আবেগ রয়েছে। জেলার অভ্যন্তরে বাস চালুর অনুমতি দেওয়ার মাধ্যমে মূলত তাদের গ্রামে যাওয়ার উস্কানি দেওয়া হয়েছে। জেলার মধ্যে গণপরিবহন চললে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া যাওয়া সম্ভব।

তারা বলেন, প্রকৃত অর্থে মানুষ সচেতন না হলে শুধু আইন করে, ভ্রাম্যমাণ আদালত দিয়ে জনস্রোত ঠেকানো যাবে না। বাস বন্ধ রেখে প্রাইভেটকার চালু রাখলে গ্রামমুখো মানুষের স্রোত ঠেকানো যাবে না। গত বছরের ঈদেও তা সম্ভব হয়নি।