নারায়ণগঞ্জ ০৫:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

প্রতিপক্ষ আলমগীরকে কাউন্সিলর বাদলের হয়রানী

ষ্টাফ রিপোর্টার : সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ও পরিবহন ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেনকে হেফাজতে ইসলামের মামলায় মিথ্যা এজহার নামীয় আসামী করাসহ বিভিন্ন মামলায় জড়ানো হচ্ছে।

আলমগীর হোসেনের স্ত্রী আসমার অভিযোগ, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শাহজালাল বাদলের সাথে আপোষ না করায় ৪’টি মামলার আসামী করা হয়েছে আলমগীর হোসেনকে। আরো ৬টি মামলার আসামী করা হবে বলে হুমকি প্রদান করছে কাউন্সিলর শাহজালাল বাদল। শাহজালাল বাদল তার স্বামী আলমগীরকে ফাঁসাতে একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়েছে।

নাসিক ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বাদলের চাচা নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুনের প্রধান আসামী নূর হোসেন আলমগীরের শ^শুর (আসমার বাবা) আফসার উদ্দিন আফসুকে হত্যা করে (মামলাটি নারায়ণগঞ্জ আদালতে চলমান)।

গত সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ডে বাদলের প্রতিপক্ষ হিসেবে নির্বাচন করায় বাদল ক্ষিপ্ত হয়। এর যের ধরেই নানাভাবে হয়রানী করছে আলমগীর হোসেনকে। আসন্ন সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে যাতে আলমগীর নির্বাচন করতে না পারে এবং জেল থেকে যেন ছাড়া না পায়, সেজন্য বিভিন্নভাবে তাকে ফাঁসানোর পায়তারা করে যাচ্ছে কাউন্সিলর বাদল।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিপক্ষ আলমগীরকে কাউন্সিলর বাদলের হয়রানী

আপডেট সময় : ০১:৩৪:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ মে ২০২১

ষ্টাফ রিপোর্টার : সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ও পরিবহন ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেনকে হেফাজতে ইসলামের মামলায় মিথ্যা এজহার নামীয় আসামী করাসহ বিভিন্ন মামলায় জড়ানো হচ্ছে।

আলমগীর হোসেনের স্ত্রী আসমার অভিযোগ, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শাহজালাল বাদলের সাথে আপোষ না করায় ৪’টি মামলার আসামী করা হয়েছে আলমগীর হোসেনকে। আরো ৬টি মামলার আসামী করা হবে বলে হুমকি প্রদান করছে কাউন্সিলর শাহজালাল বাদল। শাহজালাল বাদল তার স্বামী আলমগীরকে ফাঁসাতে একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়েছে।

নাসিক ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বাদলের চাচা নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুনের প্রধান আসামী নূর হোসেন আলমগীরের শ^শুর (আসমার বাবা) আফসার উদ্দিন আফসুকে হত্যা করে (মামলাটি নারায়ণগঞ্জ আদালতে চলমান)।

গত সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ডে বাদলের প্রতিপক্ষ হিসেবে নির্বাচন করায় বাদল ক্ষিপ্ত হয়। এর যের ধরেই নানাভাবে হয়রানী করছে আলমগীর হোসেনকে। আসন্ন সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে যাতে আলমগীর নির্বাচন করতে না পারে এবং জেল থেকে যেন ছাড়া না পায়, সেজন্য বিভিন্নভাবে তাকে ফাঁসানোর পায়তারা করে যাচ্ছে কাউন্সিলর বাদল।