নারায়ণগঞ্জ ১১:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১৯ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাইক্রোসফট ইনোভেটিভ এডুকেটর এক্সপার্ট বাংলাদেশ কমিউনিটি মিটআপ ২০২৩ অনুষ্ঠিত আদমজী ইপিজেডকে অশান্ত করছে জনপ্রতিনিধিরা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা সিদ্ধিরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের কর্মকর্তাদের সাথে মহিলা লীগ নেত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় না’গঞ্জ কারাগারে হাজতীর মৃত্যু ফতুল্লায় চোরাইকৃত ট্যাংকলড়ী উদ্ধার আড়াইহাজারের মিথিলা টেক্সটাইল ঘুরে গেলেন ৮ দেশের রাষ্ট্রদূতসহ ১৮ দেশের প্রতিনিধি সিদ্ধিরগঞ্জ রিপোর্টার্স ক্লাবের কর্মকর্তাদের সাথে কাউন্সিলর ইকবাল হোসেনের মতবিনিময় ফতুল্লা ব্লাড ডোনার্সের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ শিক্ষা সিলেবাস বাতিলের দাবিতে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ মিছিল সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শহরে নারী সমাবেশ ও মিছিল

সিদ্ধিরগঞ্জে মাদক ব্যবসায় একাধিক বাড়ি-গাড়ী ও বিপুল সম্পত্তির মালিক

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৮:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ এপ্রিল ২০২১
  • ৪৭ বার পড়া হয়েছে

সিদ্বিরগঞ্জ প্রতিনিধি : তারা তিন ভাই। একভাই মাদক ব্যবসার গডফাদার টাইগার ফারুক, একভাই ছিনতাইকারী ও কিশোরগ্যাংয়ের লিডার জসিম এবং আরেকজন বিএনপির ছাত্রদলের নেতা মাদকের হোতা জুয়েল রানা ও তাদের আরেক অন্যতম সহযোগী আরাফাত রহমান বাবু (ওরফে ফেন্সি বাবু)। তারা নারায়ণগঞ্জ জেলা ও সিদ্ধিরগঞ্জ পুলিশ প্রশাসনের নাকের ঢগায় দিন-রাত বীরদর্পে করছে ইয়াবা, ফেন্সিডিল ও গাঁজাসহ ভিবিন্ন মাদক ব্যবসা। কিছুদিনের ব্যবধানে এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। একাধিক বাড়ি-গাড়ী ও বিপুল সম্পত্তির মালিক তারা। চলেন বিলাশবহুল গাড়িতে। তাদের ওঠে আসাটা সিনেমার গল্পকেও হার মানায়। তবে, নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ বাহিনী তাদের গ্রেফতার করতে না পারলেও এসব মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছেন র‌্যাব-২, র‌্যাব-৩ এর সদস্যরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ক্ষমতাসীন দলের অঙ্গ সংগঠন যুবলীগের ব্যানারকে সাইনবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করে এবং সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের গুটি কয়েক শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সখ্যতা করে সুচতুর টাইগার ফারুক ওরফে চিকনা ফারুক ও ফেন্সি বাবু মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রনের জন্য একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। এই সিন্ডিকেট সিদ্ধিরগঞ্জসহ এর আশপাশের এলাকায় পাইকারী ও খুচরা মাদক ব্যবসা, ছিনতাই ও কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বিপুল পরিমান অর্থ সম্পদের মালিক বনে গেছেন। যা-র‌্যাবের হাতে বিপুল পরিমান মাদক সহ গ্রেফতার এবং বিগত দিনে বড় বড় মাদকের চালান নিয়ে গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে একই সিন্ডিকেটের মুখোশ জনসম্মুখে উন্মোচিত হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবী, দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসাসহ নানাবিধ অপরাধ কর্মকান্ডের সাথে জড়িত টাইগার ফারুক যুবলীগের নাম ব্যবহার করে কথিত একটি যুবলীগের কার্যালয়ও বানিয়ে নিয়েছে সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি টিসি রোড এলাকায়। ওই কার্যালয়ে মাদক কেনা-বেচা ও সেবনের মহোৎসব এবং শলাপরামর্শ হয়। এরআগে টাইগার ফারুকের ছোটভাই জসিম ছিনতাই করতে গিয়ে দেশীয় ধাড়ালো অস্ত্রসহ গ্রেফতার হয়। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। ফারুকের আরেক ভাই জুয়েল বিএনপির ছাত্রদলের সক্রিয় কর্মী এবং মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। এ সিন্ডিকেটের আরেক সক্রিয় সদস্য আরাফাত রহমান বাবু। সে এই মাদক ব্যবসায়ীদের অন্যতম হোতা। এছাড়া ফারুক নিজেও হত্যা মামলায় গ্রেফতার হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। মিজমিজি পাগলাবাড়ী এলাকায় রীতিমত একটি অপরাধী চক্র গড়ে তুলেছে চিকনা ফারুক। আর গোপন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যুবলীগের নাম দিয়ে কথিত কার্যালয় বানিয়ে অপরাধ কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে বহাল তবিয়তে। ওই কার্যালয়ে আওয়ামীলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতাদের ছবি টানিয়ে রেখেছে। এই ছবি বিক্রি করে চতুর ও টাউট ফারুক তার অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে বলে এলাকাবাসী জানায়। এছাড়া এই সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটটি তাদের অপরাধ কর্মকান্ড নির্বিচারে চালিয়ে নেওয়ার জন্য স্থানীয় একটি বিশেষ পেশার মহলকে মোটা অংকের আর্থিক সুবিধা প্রদান করে নিজেদের অনুগত করে রেখেছে। যখনই এই সিন্ডিকেটের কোন মাদক ব্যবসায়ী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হলেই তারা তদবির চালিয়ে তাদেরকে ছাড়িয়ে আনার ব্যবস্থা করতো বলেও গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। যা তদন্ত করলেই বেড়িয়ে আসবে থলের বিড়াল।

উল্লেখ্য, গত ১৬ এপ্রিল শুক্রবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজধানী ঢাকার টিকাটুলীর র‌্যাব-৩’র একটি আভিযানিক দল ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল মোড় এলাকা থেকে ১৮ কেজি গাঁজা ও ৯৬ বোতল ফেন্সিডিলসহ রাকিব হাসান (২৮), ওমর ফারুক (৩২), সোলায়মান (৩৫), ফরহাদ খান (২৮) ও মো: অয়ন (১৮) নামে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী টাইগার ফারুক ওরফে চিকনা ফারুকের ৫ সহযোগীকে গ্রেফতার করে। এসময় তাদের কাছ থেকে মাদক সরবরাহের কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়। পরে ১৭ এপ্রিল শনিবার দুপুরে র‌্যাব-৩’র সদস্যরা বাদী হয়ে মামলা দিয়ে গ্রেফতারকৃতদের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। গত ২ এপ্রিল শুক্রবার গভীর রাতে র‌্যাব-৩’র অপর একটি আভিযানিক দল ঢাকার পল্টন থেকে টাইগার ফারুকের অন্যতম সহযোগী মিলন (৩২), তার ভায়রা মোশারফ হোসেন (২৮) ও মহিন উদ্দিন হোসেন হৃদয় (১৯) নামে ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে ১৯ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার করে। পরে ৩ এপ্রিল শনিবার বিকালে গ্রেফতারকৃতদের পল্টন মডেল থানায় হস্তান্তর করে এবং র‌্যাব বাদী হয়ে একটি মাদক মামলা দায়ের করে। গত ৯ ফেব্রæয়ারী রাত সোয়া ১১ টায় র‌্যাব-২’র একটি আভিযানিক দল রাজধানী ঢাকার কাওরান বাজার এলাকা থেকে ৫৯৬ বোতল ফেন্সিডিল ও ৩১ কেজি গাঁজাসহ এই সিন্ডিকেটের সদস্য মোঃ শাহ জালাল (৩০), মোঃ আশিকুল করিম (৩৮) ও মোঃ রফিকুল ইসলাম (২৫) নামে ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এসময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত ফেন্সিডিল ও গাঁজার বর্তমান বাজার মূল্য আনুমানিক-১৬,৬৯,০০০/- টাকা। এছাড়াও গত ফেব্রæয়ারী মাসের শেষের দিকে আলমগীর নামে তাদের অপর এক সহযোগী বিপুল পরিমান মাদকের একটি চালান নিয়ে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা বর্তমানে জেল হাজতে রয়েছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাইক্রোসফট ইনোভেটিভ এডুকেটর এক্সপার্ট বাংলাদেশ কমিউনিটি মিটআপ ২০২৩ অনুষ্ঠিত

সিদ্ধিরগঞ্জে মাদক ব্যবসায় একাধিক বাড়ি-গাড়ী ও বিপুল সম্পত্তির মালিক

আপডেট সময় : ০২:৪৮:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ এপ্রিল ২০২১

সিদ্বিরগঞ্জ প্রতিনিধি : তারা তিন ভাই। একভাই মাদক ব্যবসার গডফাদার টাইগার ফারুক, একভাই ছিনতাইকারী ও কিশোরগ্যাংয়ের লিডার জসিম এবং আরেকজন বিএনপির ছাত্রদলের নেতা মাদকের হোতা জুয়েল রানা ও তাদের আরেক অন্যতম সহযোগী আরাফাত রহমান বাবু (ওরফে ফেন্সি বাবু)। তারা নারায়ণগঞ্জ জেলা ও সিদ্ধিরগঞ্জ পুলিশ প্রশাসনের নাকের ঢগায় দিন-রাত বীরদর্পে করছে ইয়াবা, ফেন্সিডিল ও গাঁজাসহ ভিবিন্ন মাদক ব্যবসা। কিছুদিনের ব্যবধানে এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। একাধিক বাড়ি-গাড়ী ও বিপুল সম্পত্তির মালিক তারা। চলেন বিলাশবহুল গাড়িতে। তাদের ওঠে আসাটা সিনেমার গল্পকেও হার মানায়। তবে, নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ বাহিনী তাদের গ্রেফতার করতে না পারলেও এসব মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছেন র‌্যাব-২, র‌্যাব-৩ এর সদস্যরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ক্ষমতাসীন দলের অঙ্গ সংগঠন যুবলীগের ব্যানারকে সাইনবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করে এবং সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের গুটি কয়েক শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সখ্যতা করে সুচতুর টাইগার ফারুক ওরফে চিকনা ফারুক ও ফেন্সি বাবু মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রনের জন্য একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। এই সিন্ডিকেট সিদ্ধিরগঞ্জসহ এর আশপাশের এলাকায় পাইকারী ও খুচরা মাদক ব্যবসা, ছিনতাই ও কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বিপুল পরিমান অর্থ সম্পদের মালিক বনে গেছেন। যা-র‌্যাবের হাতে বিপুল পরিমান মাদক সহ গ্রেফতার এবং বিগত দিনে বড় বড় মাদকের চালান নিয়ে গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে একই সিন্ডিকেটের মুখোশ জনসম্মুখে উন্মোচিত হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবী, দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসাসহ নানাবিধ অপরাধ কর্মকান্ডের সাথে জড়িত টাইগার ফারুক যুবলীগের নাম ব্যবহার করে কথিত একটি যুবলীগের কার্যালয়ও বানিয়ে নিয়েছে সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি টিসি রোড এলাকায়। ওই কার্যালয়ে মাদক কেনা-বেচা ও সেবনের মহোৎসব এবং শলাপরামর্শ হয়। এরআগে টাইগার ফারুকের ছোটভাই জসিম ছিনতাই করতে গিয়ে দেশীয় ধাড়ালো অস্ত্রসহ গ্রেফতার হয়। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। ফারুকের আরেক ভাই জুয়েল বিএনপির ছাত্রদলের সক্রিয় কর্মী এবং মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। এ সিন্ডিকেটের আরেক সক্রিয় সদস্য আরাফাত রহমান বাবু। সে এই মাদক ব্যবসায়ীদের অন্যতম হোতা। এছাড়া ফারুক নিজেও হত্যা মামলায় গ্রেফতার হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। মিজমিজি পাগলাবাড়ী এলাকায় রীতিমত একটি অপরাধী চক্র গড়ে তুলেছে চিকনা ফারুক। আর গোপন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যুবলীগের নাম দিয়ে কথিত কার্যালয় বানিয়ে অপরাধ কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে বহাল তবিয়তে। ওই কার্যালয়ে আওয়ামীলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতাদের ছবি টানিয়ে রেখেছে। এই ছবি বিক্রি করে চতুর ও টাউট ফারুক তার অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে বলে এলাকাবাসী জানায়। এছাড়া এই সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটটি তাদের অপরাধ কর্মকান্ড নির্বিচারে চালিয়ে নেওয়ার জন্য স্থানীয় একটি বিশেষ পেশার মহলকে মোটা অংকের আর্থিক সুবিধা প্রদান করে নিজেদের অনুগত করে রেখেছে। যখনই এই সিন্ডিকেটের কোন মাদক ব্যবসায়ী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হলেই তারা তদবির চালিয়ে তাদেরকে ছাড়িয়ে আনার ব্যবস্থা করতো বলেও গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। যা তদন্ত করলেই বেড়িয়ে আসবে থলের বিড়াল।

উল্লেখ্য, গত ১৬ এপ্রিল শুক্রবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজধানী ঢাকার টিকাটুলীর র‌্যাব-৩’র একটি আভিযানিক দল ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল মোড় এলাকা থেকে ১৮ কেজি গাঁজা ও ৯৬ বোতল ফেন্সিডিলসহ রাকিব হাসান (২৮), ওমর ফারুক (৩২), সোলায়মান (৩৫), ফরহাদ খান (২৮) ও মো: অয়ন (১৮) নামে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী টাইগার ফারুক ওরফে চিকনা ফারুকের ৫ সহযোগীকে গ্রেফতার করে। এসময় তাদের কাছ থেকে মাদক সরবরাহের কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়। পরে ১৭ এপ্রিল শনিবার দুপুরে র‌্যাব-৩’র সদস্যরা বাদী হয়ে মামলা দিয়ে গ্রেফতারকৃতদের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। গত ২ এপ্রিল শুক্রবার গভীর রাতে র‌্যাব-৩’র অপর একটি আভিযানিক দল ঢাকার পল্টন থেকে টাইগার ফারুকের অন্যতম সহযোগী মিলন (৩২), তার ভায়রা মোশারফ হোসেন (২৮) ও মহিন উদ্দিন হোসেন হৃদয় (১৯) নামে ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে ১৯ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার করে। পরে ৩ এপ্রিল শনিবার বিকালে গ্রেফতারকৃতদের পল্টন মডেল থানায় হস্তান্তর করে এবং র‌্যাব বাদী হয়ে একটি মাদক মামলা দায়ের করে। গত ৯ ফেব্রæয়ারী রাত সোয়া ১১ টায় র‌্যাব-২’র একটি আভিযানিক দল রাজধানী ঢাকার কাওরান বাজার এলাকা থেকে ৫৯৬ বোতল ফেন্সিডিল ও ৩১ কেজি গাঁজাসহ এই সিন্ডিকেটের সদস্য মোঃ শাহ জালাল (৩০), মোঃ আশিকুল করিম (৩৮) ও মোঃ রফিকুল ইসলাম (২৫) নামে ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এসময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত ফেন্সিডিল ও গাঁজার বর্তমান বাজার মূল্য আনুমানিক-১৬,৬৯,০০০/- টাকা। এছাড়াও গত ফেব্রæয়ারী মাসের শেষের দিকে আলমগীর নামে তাদের অপর এক সহযোগী বিপুল পরিমান মাদকের একটি চালান নিয়ে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা বর্তমানে জেল হাজতে রয়েছে।