নারায়ণগঞ্জ ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রেখে পাঁচটি বড় উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় সর্বমহলে প্রশংসিত পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান মুন্সী ৩৩ সদস্য বিশিষ্ট সৌদি আরব বাংলাদেশ প্রবাসী সাংবাদিক ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটির নাম ঘোষণা সিদ্ধিরগঞ্জে তিতাসের নাটকীয় অভিযান হাজীগঞ্জ আইটি স্কুল হইতে খানপুর হাসপাতাল পর্যন্ত সড়কের সংস্কার কাজের শুভ উদ্বোধন সিদ্ধিরগঞ্জের ভূমিপল্লী ও হাউজিংয়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগ,তিতাসের দ্রুত অভিযানের দাবি এলাকাবাসীর সিদ্ধিরগঞ্জে যুবলীগ নেতার সহযোগী মানিক এখন বিএনপির বড় নেতা নারায়ণগঞ্জ “শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক ও রাষ্ট্রের ভূমিকা” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ,আলী হোসেনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সাথে ইউনাইটেড প্রেস ক্লাবের চেয়ারম্যান দিপুর আলোচনা সভা নারায়ণগঞ্জে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান

কুষ্টিয়ায় সাব রেজিস্ট্রার হত্যা মামলার রায় প্রদান, ৪ জনের ফাঁসি ও ১ জনের যাবজ্জীবন

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • ২১৯ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি : সুমাইয়া আক্তার শিখা

কুষ্টিয়ায় চাঞ্চল্যকর সাব রেজিস্ট্রার নূর মোহাম্মদ শাহের হত্যা মামলায় চার আসামির ফাঁসি ও এক আসামির যাবজ্জীন কারাদন্ডের আদেশ দেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় দন্ডপ্রাপ্ত সকল আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিজ্ঞ বিচারক তাজুল ইসলাম এ রায় প্রদান করেন।

ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন সাইদুল ইসলাম (৩৭), ফারুক হোসেন (৩৮), কামাল শেখ (৪০) এবং মশিউল আলম (৪০)। একমাত্র যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত অপর আসামি হচ্ছেন মনোয়ার হোসেন ডাবলু (৩৮)। এদের মধ্যে যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত মনোয়ার হোসেন ডাবলু এবং ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত সাইদুল ইসলাম কুষ্টিয়া সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের স্টাফ ছিলেন।

কুষ্টিয়া জজ কোর্টের পিপি এ্যাডভোকেট অনুপ কুমার নন্দী রায় বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ২০১৮ সালের ৮ অক্টোবর রাত ১১ টার দিকে দুর্বৃত্তরা কুষ্টিয়া সদর সাব রেজিস্ট্রার নূর মোহাম্মদ শাহকে শহরের আড়ুয়াপাড়া এলাকার বিসি স্ট্রিট সড়কের হানিফ আলীর বাড়ির তিনতলা ভাড়া বাসায় হাত-পা ও মুখ বেঁধে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।

হত্যাকান্ডের পরের দিন নিহতের ছোট ভাই কামরুজ্জামান বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার চারদিন পর পুলিশ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত চারজনকে গ্রেফতার করে এবং তাদের কাছ থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি, রশিসহ বিভিন্ন আলামত জব্দ করে। পরে আসামিরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রেখে পাঁচটি বড় উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় সর্বমহলে প্রশংসিত পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান মুন্সী

কুষ্টিয়ায় সাব রেজিস্ট্রার হত্যা মামলার রায় প্রদান, ৪ জনের ফাঁসি ও ১ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় : ১১:২৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১

বিশেষ প্রতিনিধি : সুমাইয়া আক্তার শিখা

কুষ্টিয়ায় চাঞ্চল্যকর সাব রেজিস্ট্রার নূর মোহাম্মদ শাহের হত্যা মামলায় চার আসামির ফাঁসি ও এক আসামির যাবজ্জীন কারাদন্ডের আদেশ দেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় দন্ডপ্রাপ্ত সকল আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিজ্ঞ বিচারক তাজুল ইসলাম এ রায় প্রদান করেন।

ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন সাইদুল ইসলাম (৩৭), ফারুক হোসেন (৩৮), কামাল শেখ (৪০) এবং মশিউল আলম (৪০)। একমাত্র যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত অপর আসামি হচ্ছেন মনোয়ার হোসেন ডাবলু (৩৮)। এদের মধ্যে যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত মনোয়ার হোসেন ডাবলু এবং ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত সাইদুল ইসলাম কুষ্টিয়া সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের স্টাফ ছিলেন।

কুষ্টিয়া জজ কোর্টের পিপি এ্যাডভোকেট অনুপ কুমার নন্দী রায় বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ২০১৮ সালের ৮ অক্টোবর রাত ১১ টার দিকে দুর্বৃত্তরা কুষ্টিয়া সদর সাব রেজিস্ট্রার নূর মোহাম্মদ শাহকে শহরের আড়ুয়াপাড়া এলাকার বিসি স্ট্রিট সড়কের হানিফ আলীর বাড়ির তিনতলা ভাড়া বাসায় হাত-পা ও মুখ বেঁধে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।

হত্যাকান্ডের পরের দিন নিহতের ছোট ভাই কামরুজ্জামান বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার চারদিন পর পুলিশ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত চারজনকে গ্রেফতার করে এবং তাদের কাছ থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি, রশিসহ বিভিন্ন আলামত জব্দ করে। পরে আসামিরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে।